হোম /খবর /কলকাতা /
প্ল্যাটফর্মের শেডে কাজ করার সময় ওভারহেড তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু কর্মীর

New Garia Death : প্ল্যাটফর্মে শেডের উপর কাজ করার সময় ওভারহেড তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু ঠিকাকর্মীর

দমকল বাহিনী ও রেল পুলিশ এসে দেহ নীচে নামিয়ে হাসপাতালে পাঠায়

দমকল বাহিনী ও রেল পুলিশ এসে দেহ নীচে নামিয়ে হাসপাতালে পাঠায়

শুক্রবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ নিউ গড়িয়া স্টেশনের (New Garia Station) প্ল্যাটফর্মে শেডের উপর ঠিকাকর্মীরা কাজ করার সময় একজন কর্মী হঠাৎ করে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন রেললাইনের ওভারহেড তারে

  • Share this:

কলকাতা : রেলের উদাসীনতায় ঠিকাকর্মীর মৃত্যুর অভিযোগ। মর্মান্তিক মৃত্যু হল  ওভারহেড তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে । তাঁর নিথর দেহ আড়াই ঘণ্টা সময় ধরে স্টেশনের শেডের উপর পড়ে থাকে। তার পরে দমকল বাহিনী ও রেল পুলিশ এসে দেহ নীচে নামিয়ে হাসপাতালে পাঠায় । হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা ।

শুক্রবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ নিউ গড়িয়া স্টেশনের (New Garia Station) প্ল্যাটফর্মে শেডের উপর ঠিকাকর্মীরা কাজ করার সময় একজন কর্মী হঠাৎ করে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন রেললাইনের ওভারহেড তারে । ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় তাঁর দেহ শেডের ওপর পড়ে রয়েছে । একেবারে ঝলসে গিয়েছিল দেহ।

নিহত কর্মীর নাম আব্দুল আলিম মোল্লা । বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার,সংগ্রামপুর এলাকায় । শুক্রবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার সময় দুর্ঘটনা ঘটে ৷  এর পর রাত্রি আটটা বেজে যায় স্টেশনের শেডের উপর থেকে নিথর দেহ নামাতে । এ  দিন সকাল থেকে শেডের উপর কর্মীরা কাজ করছিলেন । সে সময় টিপটিপ করে বৃষ্টি পড়ছিল । আলিমের এক সহকর্মীর কথায়, সকলে নেমে আসার পর কোনও যন্ত্রাংশ ফেলে আসবার কারণে, সেটি আবার নামিয়ে আনতে গিয়েই এই বিপত্তি ঘটে বলে অনুমান ।

আরও পড়ুন : শিক্ষকদের ইনক্রিমেন্ট ফেরত চেয়েছিল স্কুল শিক্ষা দফতর, বড় নির্দেশ হাইকোর্টের

প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়, কয়েকদিন ধরেই শেড মেরামতির কাজ করাচ্ছিলেন রেলের ঠিকাদার । ঠিকাকর্মীরা বৃষ্টির সময় মাথায় ছাতা নিয়েই কাজ করতেন । যেহেতু স্টেশনের প্ল্যাটফর্মের উপর কাজ হচ্ছিল, সেখানে রেলের ওভারহেডে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা ছিলই । প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, বিপদ থেকে বাঁচবার জন্য কোনও কর্মীর সঙ্গে সেফটি বেল্ট কিংবা ইলেকট্রিক সেফটি গ্লাভসের ব্যবস্থা ছিল না । এই প্রসঙ্গে রেলের পক্ষ থেকে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি । ঠিকাদারও কথা বলতে রাজি হননি ।

আরও পড়ুন : নিউটাউনে গ্রেফতার আইভরি কোস্টের বাসিন্দা! ফুটবলের আড়ালে কী রহস্য, খুঁজছে পুলিশ

সংগ্রামপুর গ্রামে আলিমের বাড়িতে স্ত্রী, তিন ছেলেমেয়ে ও বাবা মা রয়েছেন । পরিবারের একমাত্র রোজগারের তিনিই ছিলেন । তাঁর মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌঁছনর পরেই পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে। সহকর্মীরা বলছিলেন, 'ঝুঁকি নিয়েই কাজ করতেই হয়। না হলে কাজ পাব না আমরা।'

Published by:Arpita Roy Chowdhury
First published:

Tags: New Garia Station