• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • Municipal Election TMC Candidates: পুরভোটে আসন বদলাতে পারে একাধিক নেতার, নতুন মুখ নিয়ে জল্পনা

Municipal Election TMC Candidates: পুরভোটে আসন বদলাতে পারে একাধিক নেতার, নতুন মুখ নিয়ে জল্পনা

পুরভোটে কাদের প্রার্থী করবে তৃণমূল, যে নাম উঠে আসছে...

পুরভোটে কাদের প্রার্থী করবে তৃণমূল, যে নাম উঠে আসছে...

Municipal Election TMC Candidates: তিন বিধায়ক, এক মন্ত্রী, দুই সাংসদ প্রার্থী হবেন কি নজর প্রার্থী তালিকায়।

  • Share this:

#কলকাতা: পুরভোটের দিনক্ষণ (Municipal Election TMC Candidates) ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। এবার পালা ছোট লালবাড়ি দখলের লক্ষ্যে লড়াই শুরুর। ইতিমধ্যেই একাধিক জায়গায় দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু কারা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন? শাসক দলের সেই প্রার্থী তালিকা আজ ঘোষণা হতে পারে। দলীয় সূত্রে খবর, প্রার্থী তালিকা ঘোষণায় এক ব্যক্তি, এক পদ নীতি প্রাধান্য দেওয়া হতে পারে। তবে কিছুক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রমও হতে পারে।

এর পাশাপাশি নজর দেওয়া হবে যুব ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির ব্যক্তিদের। একাধিক ওয়ার্ডে প্রার্থী বদল হতে পারে। একাধিক প্রার্থীকে দল টিকিট না'ও দিতে পারে। একই পরিবারের একাধিক জন ব্যক্তি টিকিট নাও পেতে পারেন৷ এর পাশাপাশি গুরুত্ব দেওয়া হবে ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের সংস্থার সমীক্ষা রিপোর্টকেও।

দলীয় সূত্রে খবর, ২০১৫ সালে সংরক্ষণের আওতায় পড়ে নিজের ৩০ ওয়ার্ড ছেড়ে ৫৯ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী হয়েছিলেন মেয়র পারিষদ স্বপন সমাদ্দার। এ বার ৫৯ নম্বর ওয়ার্ডটি মহিলা সংরক্ষণের আওতায় পড়ে গিয়েছে। তাই তাঁকে পাঠানো হতে পারে ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন প্রভাবশালী কংগ্রেস কাউন্সিলর প্রকাশ উপাধ্যায়। পূর্ব কলকাতার দীর্ঘ দিনের এক বিধায়ক পুরভোটে প্রার্থী হতে আগ্রহী। কিন্তু ২০১৫ সালেও প্রার্থী হয়ে একটি ওয়ার্ডে পরাজিত হওয়ার কারণে এ বার আর তাঁকে প্রার্থী করবে না দল। এ বারই প্রথম বিধায়ক হওয়ায় কলকাতার তিন কাউন্সিলর অতীন ঘোষ, দেবাশিষ কুমার ও দেবব্রত মজুমদারকে ফের প্রার্থী করা হবে কি না, তা নিয়ে ভাবনায় রয়েছে দল। কারণ এই ক্ষেত্রে দলের ‘এক ব্যক্তি এক পদ নীতি’ রক্ষিত হচ্ছে না একার্থে।

আরও পড়ুন-বেসরকারি সংস্থা চালাবে ভারত গৌরব ট্রেন, কী কী সুবিধে পাবেন যাত্রীরা?

বর্তমান পুরপ্রশাসক বোর্ডের সদস্য রতন দে-র ওয়ার্ড বদলের সম্ভাবনা প্রবল। তিনি বর্তমানে ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের কো-অর্ডিনেটর। ওয়ার্ডটি মহিলা সংরক্ষিত হওয়ার কারণে তাঁকে পাঠানো হতে পারে ৮৯ নম্বর ওয়ার্ডে। ৮৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মমতা মজুমদারকে টিকিট না-ও দেওয়া হতে পারে। ৯০ নম্বর ওয়ার্ডের কো-অর্ডিনেটর তথা পুরপ্রশাসক বোর্ডের সদস্য তথা ভবানীপুর উপনির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য নির্বাচনী এজেন্ট বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়কে পাঠানো হতে পারে ৮৮ নম্বর ওয়ার্ডে।

আরও পড়ুন-আবারও নিম্নচাপের চোখ রাঙানি, শীতের কাঁপুনি ভুলে ফের বৃষ্টির ভোগান্তি?

‘এক ব্যক্তি এক পদ’ নীতি-র কারণে ৮৮ নম্বর ওয়ার্ডের কো-অর্ডিনেটর তথা দক্ষিণ কলকাতার সাংসদ মালা রায়কে দল সম্ভবত প্রার্থী করবে না। একই ভাবে নজরে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেন। পুরপ্রশাসক বোর্ডের সদস্য সুশান্ত ঘোষ এর ১০৭ নম্বর ওয়ার্ড এ বার তফসিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত। তাই পাশের ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী হতে পারেন তিনি।৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কাউন্সিলর পবিত্র বিশ্বাস নিজের ওয়ার্ডে প্রার্থী হতে পারছেন না। তফসিলি জাতির জন্য সংরক্ষণের কারণে তাঁকেও পাশের কোনও ওয়ার্ডে পাঠানো হতে পারে।

কলকাতা বন্দরের ৭৮ নম্বর ওয়ার্ডটি তফসিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত হওয়ায় দীর্ঘদিনের কাউন্সিলর নিজামুদ্দিন শামসকে পাঠানো হতে পারে ৭৫ নম্বর ওয়ার্ডে। দলের অন্যতম মুখপত্র ১১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা যুবনেতা অরূপ চক্রবর্তী। তাঁর ওয়ার্ডটি মহিলা সংরক্ষিত হওয়ার কারণে তিনি প্রার্থী হতে পারেন ১০৩ নম্বর ওয়ার্ডে। মহিলা সংরক্ষণের কারণে ১২৫ নম্বর ওয়ার্ডের কো-অর্ডিনেটর ঘনশ্রী বাগকে ১২৬ নম্বর ওয়ার্ডে আনা হতে পারে। ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী হতে পারেন জাভেদ খান-পুত্র ফৈয়াজ আহমেদ খান।৮৬ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী হতে পারেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের পুত্র সৌরভ বসু। ১২১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী হতে পারেন অভিনেতা তথা তৃণমূলে যুবনেতা অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর ৭৩ ওয়ার্ডে প্রার্থী হতে পারেন বর্তমান কাউন্সিলর রতন মালাকার।

বর্তমানে ১১৬, ১১৭ ও ১১৮ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর রয়েছেন একই পরিবারের পিতা-পুত্র-কন্যা। এখানেও প্রার্থী তালিকায় কাটছাঁট হতে পারেন।তবে সকলের নজরে রয়েছে ৮২ নম্বর ওয়ার্ড। এবার কি সেখানে প্রার্থী হবেন ফিরহাদ হাকিম? না হলে আগামী কলকাতার পুর প্রশাসক কে হতে চলেছেন।।

Published by:Arka Deb
First published: