advertisement

Mukul Roy passes away: 'সহকর্মী, সহযোদ্ধা... আজ আমার জীবনের এক কালো দিন...' মুকুলের চলে যাওয়া মানতে পারছেন না পার্থ

Last Updated:

দ্বিতীয় ইউপিএ জমানায় জাহাজ মন্ত্রী হন মুকুল রায়। ২০১২ সালে রেল বাজেটে ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে অসন্তোষের কারণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৎকালীন রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদীর ইস্তফা দাবি করেন। দীনেশ ত্রিবেদী ইস্তফা দিলে মুকুল রায় পরবর্তী রেলমন্ত্রী হন। ২০১৫ সাল থেকেই মুকুলের সঙ্গে তৃণমূলের দূরত্ব তৈরি হয়। এর পর তৎকালীন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি এবং বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে বৈঠক করায় মুকুলকে ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করে তৃণমূল। বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার আগে ২০১৭ সালের ১১ অক্টোবর রাজ্যসভার সদস্য পদ ছাড়েন প্রাক্তন রেলমন্ত্রী।

News18
News18
advertisement
কলকাতা:  ৭২ বছর বয়সে প্রয়াত রাজনীতিবিদ মুকুল রায়! একাধিক শারীরিক সমস্যা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই বাইপাস সংলগ্ন একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন প্রবীন নেতা। রবিবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বঙ্গ রাজনীতির ‘চাণক্য’। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী-বিধায়ক পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়।
advertisement
পার্থ বলেন, ‘সহকর্মী, সহযোদ্ধা মুকুল রায়ের প্রয়াণে আমি অত্যন্ত শোকাহত। একটা সময় যখন চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে এসেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়, মুকুল সুব্রত বক্সীর সঙ্গে আমার পরিচয় করিয়েছিলেন মুকুল রায়ই। বহু পথ হেঁটেছি একসঙ্গে, বহু সময় একমত হতে পারিনি। কিন্তু মুকুলকে, তাঁর অবদানকে ভুলব না। আমি হাসপাতাল থেকে তাঁর ছেলের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। দেখতে যাব ভেবেছিলাম, সেই সুযোগটা হল না। আমার জীবনের কয়েকটা কালো দিনের মধ্যে আজ একটা। মুকুল ইতিহাস তৈরি করেছিলেন। অসম্ভব পরিশ্রমী ছিলেন। তীক্ষ্ণ বুদ্ধি ছিল মুকুলের। তাঁর চলে যাওয়া রাজনীতির রঙ্গমঞ্চে অন্যতম চরিত্রের পতন।’
advertisement
১৯৫৪ সালের ১৭ এপ্রিল জন্ম মুকুল রায়ের। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসির ডিগ্রি, তারপর ২০০৬ সালে পাব্লিক অ্যাডমিনিসট্রেশন নিয়ে মাদুরাই কামরাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ করেন। তবে ততদিনে তিনি বাংলার রাজনীতির পরিচিত মুখ হয়ে গিয়েছেন। কংগ্রেসের হাত ধরে রাজনীতিতে পা রেখেছিলেন মুকুল। ১৯৯৮ সালে যখন জাতীয় কংগ্রেস ভেঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন, তখন ছায়াসঙ্গীর মতো মমতার পাশে ছিলেন মুকুল রায়। একসময়ে তৃণমূলের তিলজলার পার্টি অফিসে সপরিবারে থাকতেন। জেলা থেকে শহর, প্রতিটি ব্লক বা বুথ স্তরে পরিচিতি ছিল তাঁর। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রাম আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন মুকুল রায়। তৃণমূল স্তরে গিয়ে সংগঠন করেছিলেন মুকুল। ২০০৬ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয় তাঁকে। দলের ‘সেকেন্ড ইন কম্যান্ড’ ছিলেন তিনি। ২০০১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে প্রথমবার জগদ্দল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন । তবে হেরে যান ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থী হরিপদ বিশ্বাসের কাছে। কিন্তু থেমে থাকতে জানতেন না মুকুল। ২০০৬ সালে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সদস্য মনোনীত হন। দিল্লিতে তৃণমূলের মুখ ছিলেন রাজনীতিবিদ। ২০০৯ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত রাজ্যসভায় তৃণমূলের দলনেতা ছিলেন। ২০১৭ সাল পর্যন্ত সাংসদ ছিলেন তিনি।
advertisement
view comments
বাংলা খবর/ খবর/কলকাতা/
Mukul Roy passes away: 'সহকর্মী, সহযোদ্ধা... আজ আমার জীবনের এক কালো দিন...' মুকুলের চলে যাওয়া মানতে পারছেন না পার্থ
Next Article
advertisement
ভোটের আবহে জমজমাট বড়বাজার ! চারিদিকে ঘাসফুল-পদ্ম-কাস্তেহাতুড়ি ও হাত, দেখে নিন কলকাতার পতাকা বাজার
ভোটের আবহে জমজমাট বড়বাজার ! চারিদিকে ঘাসফুল-পদ্ম-কাস্তেহাতুড়ি ও হাত, দেখে নিন কলকাতার পতাকা বাজার
  • ভোটের আবহে জমজমাট বড়বাজার !

  • চারিদিকে ঘাসফুল-পদ্ম-কাস্তেহাতুড়ি ও হাত

  • দেখে নিন কলকাতার পতাকা বাজার

VIEW MORE
advertisement
ফরচুন কুকি
ফরচুন কুকি ভাঙুন আর ঝটপট জেনে নিন, আজ আপনার জীবনে কী সারপ্রাইজ লুকিয়ে আছে!
fortune cookie
advertisement