• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • আজ থেকে বাড়তি ট্রেন পরিষেবা দক্ষিণ-পূর্ব রেলে, ট্রেন চলবে ৯৫টি

আজ থেকে বাড়তি ট্রেন পরিষেবা দক্ষিণ-পূর্ব রেলে, ট্রেন চলবে ৯৫টি

গত ১১ নভেম্বর বুধবার থেকে রাজ্যে শুরু হয়েছে লোকাল ট্রেন চলাচল।

গত ১১ নভেম্বর বুধবার থেকে রাজ্যে শুরু হয়েছে লোকাল ট্রেন চলাচল।

গত ১১ নভেম্বর বুধবার থেকে রাজ্যে শুরু হয়েছে লোকাল ট্রেন চলাচল।

  • Share this:

#কলকাতা: আজ, মঙ্গলবার থেকে ট্রেন চলাচলের সংখ্যা বাড়ল দক্ষিণ-পূর্ব রেলে। ৮১টি ট্রেনের বদলে ট্রেন চলবে আজ থেকে ৯৫টি। এই বাড়তি ট্রেন সকাল, বিকেল অফিস টাইমে দেওয়া হল।

গত ১১ নভেম্বর বুধবার থেকে রাজ্যে শুরু হয়েছে লোকাল ট্রেন চলাচল। দক্ষিণ-পূর্ব রেল প্রথমেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ৪০ জোড়া অর্থাৎ ৮১টি ট্রেন চালাবে তারা। হাওড়া থেকে খড়গপুর, মেদিনীপুর, পাঁশকুড়া, আমতা শাখায় শুরু হয়েছে লোকাল ট্রেন পরিষেবা। এছাড়া শালিমার, সাঁতরাগাছি, দিঘা থেকেও চালানো হচ্ছে বেশ কয়েকটি লোকাল। যাত্রী সংখ্যা বেড়েছে তাই ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল দক্ষিণ পূর্ব রেল। দক্ষিণ-পূর্ব রেল সূত্রে খবর, হাওড়া থেকে প্রথম ট্রেন ছাড়বে ভোর রাত ২টো ৪০ মিনিটে। এই ট্রেনটি যাবে মেদিনীপুর পর্যন্ত।

হাওড়া থেকে মেদিনীপুর যাওয়ার জন্যে শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ৮টা ১৫ মিনিটে। খড়গপুর যাওয়ার জন্যে শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ৮টা ৪৮ মিনিটে। হাওড়া আসার জন্যে খড়গপুর থেকে প্রথম ট্রেন ছাড়বে রাত ৩টে। পাঁশকুড়া থেকে প্রথম ট্রেন ছাড়বে রাত ৩টে ৫ মিনিটে। মেচেদা থেকে প্রথম ট্রেন ছাড়বে রাত ৪টে ২০ মিনিটে।

মেদিনীপুর থেকে হাওড়া আসার শেষ ট্রেন ছাড়বে ৭টা ১৫ মিনিটে। পাঁশকুড়া থেকে শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ৮টা ১৮ মিনিটে। দক্ষিণ-পূর্ব রেল প্রথমে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তারা ৩৪টি লোকাল ট্রেন চালাবে। পরবর্তী সময়ে যাত্রী চাহিদার কথা মাথায় রেখে, একই সাথে কোভিড প্রটোকল মেনে তারা ৮১টি লোকাল ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

সূত্রের খবর, হাওড়া ও মেদিনীপুরের মধ্যে ১৩ জোড়া অর্থাৎ ২৬টি ট্রেন চলবে। হাওড়া ও খড়গপুরের মধ্যে চার জোড়া অর্থাৎ ৮টি ট্রেন চলবে। হাওড়া থেকে পাঁশকুড়ার মধ্যে ৯ জোড়া অর্থাৎ ১৮টি ট্রেন চলবে। হাওড়া থেকে মেচেদার মধ্যে ৫ জোড়া অর্থাৎ ১০ জোড়া ট্রেন চলবে।ইতিমধ্যেই দক্ষিণ পূর্ব রেলের খড়গপুর ডিভিশন প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। বিভিন্ন ছোট, মাঝারি স্টেশনের ঢোকা-বেরনোর গেট পরীক্ষা করা হচ্ছে। একাধিক জায়গায় বসানো হচ্ছে থারমাল স্ক্যানার। জিআরপি ও আরপিএফ যৌথ সহযোগিতা মাধ্যমে একাধিকবার পরীক্ষা চালাচ্ছেন। নজর রাখা হচ্ছে যেন কোনও ভাবেই হকার ভেতরে প্রবেশ করতে না পারে। এছাড়া মাস্ক পড়ে আছেন কিনা তা দেখার জন্য নজরদারি রাখা হচ্ছে সিসিটিভি ক্যামেরায়। দক্ষিণ পূর্ব রেল সূত্রে খবর, আগামী কয়েকদিনে ট্রেনের সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।

আবীর ঘোষাল

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: