• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • MEDICAL NEGLIGENCE ALLEGATION AGAINST KOLKATA DENTIST AND ALIPORE DENTAL CLINIC BY PATIENT PBD

Kolkata Treatment: 'ভাল দাঁত নষ্ট করেছে dentist,' গাফিলতির অভিযোগে চেতলা থানার দ্বারস্থ রোগী

টাকা যাতে না দিতে হয় তাই এহেন অভিযোগ এনেছেন অমিতবাবু, পাল্টা অভিযোগ করেছেন ক্লিনিকের মালিক।

টাকা যাতে না দিতে হয় তাই এহেন অভিযোগ এনেছেন অমিতবাবু, পাল্টা অভিযোগ করেছেন ক্লিনিকের মালিক।

  • Share this:

    #কলকাতা: এবার চেতলা থানায় (Chetla Police Station) এক দাঁতের চিকিৎসক (Dental treatment) ও ডেন্টাল ক্লিনিকের (Dental clinic) বিরুদ্ধে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ  দায়ের। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই চিকিৎসক ও ক্লিনিক। তাঁদের পাল্টা অভিযোগ চিকিৎসা করিয়ে বাকি টাকা না দিতেই মিথ্যা অভিযোগ করছেন অভিযোগকারী।রাজা বসন্ত রায় রোডের বাসিন্দা অমিত রায় ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ  করেছেন।দাঁতের সমস্যা নিয়ে আলিপুর রোডের এক ডেন্টাল ক্লিনিকে যান অমিত বাবু। তাঁর অভিযোগ, তিনি চারটি দাঁতের আরসিটি বা রুট চ্যানেল ট্রিটমেন্ট করার কথা বলেন চিকিৎসককে। কিন্তু অপারেশন করার সময় অমিত বাবুকে না জানিয়ে ১৫টি দাঁতের আরসিটি করা হয়েছে। শুধু তাই নয় কিছু ভালও দাঁতও নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন অমিত রায়।

    তাঁর আরও অভিযোগ, এই ট্রিটমেন্ট করার পর সমস্যা রয়ে গিয়েছে। তাঁর সাথে চিকিৎসার নামে গাফিলতি করা হয়েছে বলে চেতলা থানার দ্বারস্থ হন তিনি । অন্যদিকে যে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তাঁর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে মোবাইল ফোন সুইচ অফ পাওয়া যায়। এরপর যোগাযোগ করা হয় ক্লিনিকের মালিক তথা ওই চিকিৎসকের স্বামীর সঙ্গে। তিনি অভিযোগ নস্যাৎ করেছেন। পাল্টা তিনি জানিয়েছেন গত এক বছর ধরে অমিত রায় তাদের ক্লিনিকে আসেন। তাঁকে জানানো হয়েছিল পুরো চিকিৎসায় ৬০ হাজার টাকা খরচ আছে। অমিতবাবু পরিচিত থাকায় প্রতি দাঁত পিছু দু হাজার টাকা করে নেওয়া হবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এরপর তাঁর অনুমতি নিয়েই খারাপ দাঁতগুলো ঠিক করা হয়েছে। বিল হয়েছিল ৩২ হাজার টাকা। কিন্তু উনি আট হাজার দেন। বাকি টাকা ইন্সটলমেন্টে দিতে চেয়ে চেক দিয়েছেন। এখন টাকা যাতে না দিতে হয় তাই এহেন অভিযোগ এনেছেন অমিতবাবু, পাল্টা অভিযোগ করেছেন ক্লিনিকের মালিক।

    তিনিও পাল্টা আইনের লড়াইয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন। শুধু থানায় অভিযোগ নয়, রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর ও আইএমএ-কেও অভিযোগ জানাতে চান অমিত রায়।

    Amit Sarkar

    Published by:Pooja Basu
    First published: