Oxygen Crisis: রাজ্যে ঠিক কতটা অক্সিজেন রয়েছে, ঘাটতির সম্ভাবনা কি রয়েছে? স্পষ্ট করলেন মমতা

Oxygen Crisis: রাজ্যে ঠিক কতটা অক্সিজেন রয়েছে, ঘাটতির সম্ভাবনা কি রয়েছে? স্পষ্ট করলেন মমতা

রাজ্যের জন্য বরাদ্দ অক্সিজেন চলে যাচ্ছে উত্তরপ্রদেশে বিস্ফোরক অভিযোগ মমতার।

কেন্দ্রের বিরুদ্ধে রাজ্যের স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ অক্সিজেন উত্তরপ্রদেশে নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ তুললেন তিনি।

  • Share this:

    #কলকাতা: গোটা দেশে জুড়েই অক্সিজেনের চাহিদা বিপুল। করোনা বিপর্যয়ে সন্ত্রস্ত্র প্রতিটি মানুষ। এই অবস্থায় রাজ্যে ঠিক কতটা অক্সিজেন মজুত আছে, কোথা থেকে তা আসছে তা পরিষ্কার করলেৱ মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। পাশাপাশি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে রাজ্যের স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ অক্সিজেন উত্তরপ্রদেশে নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ তুললেন তিনি।

    মমতার অভিযোগ, "আমাদের বাংলায় অক্সিজেন সাপ্লাই করত সেল। এখন সেই সংস্থার অক্সিজেন কেন্দ্র উত্তরপ্রদেশে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।" তিনি স্পষ্টই বলছেন, এতে বাংলার ক্ষতি হবে। কিন্তু কী ভাবে ক্ষতিপূরণ?

    মমতার যুক্তি, "আমরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল অক্সিজেনটা তুলে নিয়েছি। আগে ১৫ হাজার সিলিন্ডার ছিল। আরও পাঁচ হাজার সিলিন্ডার নিয়েছি। এখন ২০ হাজার সিলিন্ডার রয়েছে। আরও যোগান বাড়াতে কথা বলেছি।" মমতার স্পষ্ট প্রশ্ন, "সেল ইউপিতে অক্সিজেন দিলে আমরা কোথায় পাব?"

    এ দিন অক্সিজেন সংকট নিয়ে মমতা কেন্দ্রকে বিঁধেছেন  শুরু থেকেই। বলেছেন, ২০২০ সালে বিশ্ব সাস্থ্যসংস্থা বলেছিল অক্সিজেন মজুত রাখতে। প্রধানমন্ত্রী কোনও বৈঠকে এই নিয়ে কিছুই বলেননি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের।তাঁর অভিযোগ, করোনা হয়েছে কেন্দ্রের ব্যর্থতায়। নির্বাচন নিয়ে তাঁর বক্তব্য, "বাংলায় ক্ষমতা দখল করতে এসেছে। বাংলাকে কোভিড সংকটে ফেলে দিয়েছে।"

    মমতার অভিযোগ, ভারতের বাজারে প্রয়োজনীয় ওষুধ নেই কারণ কোভিড মেডিসিনের ৬৫ শতাংশ প্রধানমন্ত্রী পাঠিয়ে দিয়েছেন অন্যান্য দেশে।

    প্রসঙ্গত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এমন অভিযোগ করার পরেই, কেন্দ্রের স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণকে একটি চিঠি দেন রাজ্যের মুখ্যসচিব। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই মুহূর্তে ২০০ মেট্রিক টন করে অক্সিজেন দেওয়া পাচ্ছে রাজ্য। কি করোনা পরিস্থিতিতে চাহিদা বাড়ছে দ্রুত। লাগবে ৪৫০ মেট্রিক টন অক্সিজেন। এই অবস্থায় যেন রাজ্যের স্বাস্থ্যখাতের অক্সিজেন কোথাও না সরানো হয়, তা সুনিশ্তিত করার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

    Published by:Arka Deb
    First published: