করোনার থাবা এবার রেলের রান্নাঘরে, আক্রান্ত বেস কিচেনের একাধিক কর্মী

করোনার থাবা এবার রেলের রান্নাঘরে, আক্রান্ত বেস কিচেনের একাধিক কর্মী

হাওড়া ডিভিশনে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৫০ পার করে গিয়েছে। এছাড়া একাধিক রেল কর্মীর শরীরে করোনা উপসর্গ দেখা দিয়েছে।

হাওড়া ডিভিশনে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৫০ পার করে গিয়েছে। এছাড়া একাধিক রেল কর্মীর শরীরে করোনা উপসর্গ দেখা দিয়েছে।

  • Share this:

#কলকাতা: এবার করোনার থাবা রেলের রান্নাঘরে। সংক্রামিত হলেন বেস কিচেনের একাধিক কর্মী। হাওড়া, শিয়ালদহ, মালদহ, নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনের বেস কিচেনের একাধিক কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন বলে আই আর সি টি সি সূত্রে খবর। যার জেরে পুরোপুরি পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে বেশ কিছুটা হলেও সমস্যায় আই আর সি টি সি। রাজ্যে আছড়ে পড়েছে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ। যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতীয় রেলে৷ ইতিমধ্যেই ট্রেন পরিষেবার সাথে যুক্ত একাধিক ব্যক্তি আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়। শিয়ালদহ ডিভিশনে আক্রান্তের সংখ্যা ১৬০ পার করে গিয়েছে।

হাওড়া ডিভিশনে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৫০ পার করে গিয়েছে। এছাড়া একাধিক রেল কর্মীর শরীরে করোনা উপসর্গ দেখা দিয়েছে। ফলে রেল সূত্রে খবর, আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে৷ ইতিমধ্যেই কমানো হচ্ছে লোকাল ট্রেনের সংখ্যা৷ এর পাশাপাশি করোনা সংক্রমণের জেরে রেলের রান্নাঘরেও ব্যাপক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে এখন রেলে দেওয়া হচ্ছে রেডি টু ইট মিল। পূর্ব রেলের শিয়ালদহ স্টেশনে ছিল একটি বেস কিচেন। আপাতত সেখানে রান্না হচ্ছে না। মুল রান্না করা হয় হাওড়া বেস কিচেনে। সেখানেও একাধিক কর্মী আক্রান্ত হয়ে পড়েছেন। আই আর সি টি সি সূত্রে খবর, শিয়ালদহ বেস কিচেনে আক্রান্ত হয়েছেন ১১ জন কর্মী। হাওড়া বেস কিচেনে আক্রান্ত হয়েছেন ৯ জন কর্মী। এছাড়া মালদা বেস কিচেনে আক্রান্ত হয়েছেন ৭ জন। নিউ জলপাইগুড়ি বেস কিচেনে আক্রান্ত হয়েছেন ৮ জন। ডাইনিং কারে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ১৫ জন।

এছাড়া প্রতি ট্রেনে যারা থাকেন তাদের আক্রান্তের সংখ্যা সব মিলিয়ে ৩৫ এর কাছাকাছি। এত ব্যক্তি একসাথে আক্রান্ত হয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কার্যত কঠিন হয়ে পড়েছে। আই আর সি টি সি'র গ্রুপ জেনারেল ম্যানেজার দেবাশিষ চন্দ্র জানিয়েছেন, "আমরা সমস্ত নিয়ম মানছি। প্রতি মুহূর্তে স্যানিটাইজ করা হচ্ছে সব কিছু। মাস্ক, ফেস কভার সব ব্যবহার করছেন আমাদের কর্মীরা। তারপরেও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। তবে আমাদের চিন্তায় রেখেছে যে বিষয়টি তা হল আমাদের স্বল্প বয়সী কর্মীরা আক্রান্ত হলেন।" আপাতত হাওড়া বেস কিচেন থেকেই খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। অল্প কর্মীদের দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে। চিকিৎসকদের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে সব সময়ের জন্যে।

Published by:Dolon Chattopadhyay
First published: