অযোধ্যায় করসেবা করতে গিয়ে আর ফেরা হয়নি, ঐতিহাসিক রায়ের পর খুশি সেবকের পরিবার

প্রাণে বেঁচে যান রাজেশ আগরওয়াল কিন্তু সেদিনের ভয়াবহ স্মৃতি আজও তাঁকে তাড়া করে।

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Nov 10, 2019 04:02 PM IST
অযোধ্যায় করসেবা করতে গিয়ে আর ফেরা হয়নি, ঐতিহাসিক রায়ের পর খুশি সেবকের পরিবার
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Nov 10, 2019 04:02 PM IST

#কলকাতা: উত্তাল অযোধ্যায় করসেবা করতে গিয়ে আর ফেরা হয়নি। অযোধ্যাতেই মৃত্যু হয় গিরীশ পার্কের বাসিন্দা কোঠারি ভাইয়ের। ওঁদের স্বপ্ন সার্থক হোক। ২৯ বছর ধরে এই দিনটার অপেক্ষায় দিন গুনছিল পরিবার।

২৯ বছর কেটেছে। অযোধ্যা মামলার রায়ে ওঁদের ক্ষতে যেন প্রলেপ পড়ল। ১৯৯০-এর ৩০ অক্টোবর। অযোধ্যায় রামমন্দির তৈরির দাবিতে করসেবকদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে নির্মমভাবে গুলি চালায় পুলিশ.. প্রাণ হারিয়েছিলেন উত্তর কলকাতার গিরিশ পার্কের দুই যুবকও। রামকুমার কোঠারি ও শরদ কুমার কোঠারি। সেই থেকেই অযোধ্যা মামলার নিষ্পত্তির স্বপ্ন দেখছেন ওঁদের পরিবার, বন্ধুরা।

কী হয়েছিল সেদিন?

রামমন্দির আন্দোলন নিয়ে তখন উত্তাল দেশ।

করসেবা করতে ২২ অক্টোবর কলকাতা থেকে বেরিয়েছিলেন রাজেশ আগরওয়াল, রামকুমার কোঠারি, শরদ কুমার কোঠারি

Loading...

বারাণসীতে ট্রেন আটকে দেওয়া হয়

২০০ কিলোমিটার হেঁটে তাঁরা অযোধ্যা পৌঁছন ৩০ অক্টোবর সকালে

অযোধ্যার বিতর্কিত জমির কাছে হনুমান গড়িতে করসেবকরা জড়ো হন

সেখানেই পুলিশ করসেবকদের আটকায়

তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মুলায়ম সিং যাদবের নির্দেশে গুলি চালায় পুলিশ

মৃত্যু হয় ১৬ করসেবকের

প্রাণে বেঁচে যান রাজেশ আগরওয়াল কিন্তু সেদিনের ভয়াবহ স্মৃতি আজও তাঁকে তাড়া করে। সেই স্কুলজীবন আরএসএস যোগ দুই ভাইয়ের। অযোধ্যা মামলার ঐতিহাসিক রায়ের পরই বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় আসেন তাঁদের বাড়ি।কোঠারি ভাইদের অবদান স্বীকৃতি পেয়েছে। শীর্ষ আদালতের রায়ে সন্তুষ্ট ওঁদের পরিবার...

First published: 04:02:57 PM Nov 10, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर