একা খেয়ে ওঠা দায়, কলকাতায় মিলছে বিশ্বের সব চেয়ে বড় এগ চিকেন রোল!

একা খেয়ে ওঠা দায়, কলকাতায় মিলছে বিশ্বের সব চেয়ে বড় এগ চিকেন রোল!

একা খেয়ে ওঠা দায়, কলকাতায় মিলছে বিশ্বের সব চেয়ে বড় এগ চিকেন রোল!

যেমন এক হাতে ধরা মুশকিল, তেমনই একা খেয়ে ওঠাও দায়! কেন না, এই রোলের পরতে পরতে ঠাসা রয়েছে নানা সুস্বাদু খাবারের পুর।

  • Share this:

#কলকাতা: বিশ্বদরবারের কথা বললে মেক্সিকান, ইতালিয়ান এবং এরকম হাতে গোনা কয়েকটা ক্যুইজিনে র‌্যাপ নামে একটা জিনিসের অস্তিত্ব আছে বটে। ময়দার রুটির ভিতরে কিছু সবজি আর মাছ বা মাংস ভরে তৈরি হয় এই র‌্যাপ। আমাদের অনেক সন্ধের সঙ্গী রোল যে এই র‌্যাপের অনুরণ, সেটা ভাবলে কিন্তু ভুল হবে। বরং নির্দ্বিধায় বলা যায় যে তামাম দুনিয়াকে রোলের ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়েছে এই দেশ, একটু স্পষ্ট করে বললে শহর কলকাতা। কাজেই সেই শহর যে রোল নিয়ে নানা রকম পরীক্ষানিরীক্ষা করে চলবে, তাতে আর আশ্চর্য কী! এতেও আশ্চর্য হওয়ার মতো কিছু নেই যে সেই পরীক্ষানিরীক্ষার প্রথম ধাপে সব চেয়ে বড় মাপের রোল তৈরি করার দিকেই ঝুঁকবেন রন্ধনশিল্পী।

ফলে, যা হওয়ার, তা-ই হয়েছে! শহর কলকাতার দক্ষিণে জন্ম নিয়েছে বিশ্বের সব চেয়ে বড় রোল। এই তথ্য সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে ইন্ডিয়ান ইট ম্যানিয়া নামের এক চ্যানেলের সূত্রে। তারা জানিয়েছে যে দক্ষিণ কলকাতার শেফ আলাদিন এ হেন রোল তুলে দিচ্ছে ক্রেতাদের হাতে। তা যেমন এক হাতে ধরা মুশকিল, তেমনই একা খেয়ে ওঠাও দায়! কেন না, এই রোলের পরতে পরতে ঠাসা রয়েছে নানা সুস্বাদু খাবারের পুর।

তাহলে যে বলা হচ্ছে এগ চিকেন রোল?

যে কোনও কিছুর একটা সহজ সরল নামকরণ করে নেওয়া মানুষের স্বাভাবিক ধর্ম! সেই নিয়ম ধরেই শেফ আলাদিনের এই এগ চিকেন শ্রেণীভুক্ত হয়েছে। কিন্তু আদতে তো ব্যাপারটা এক্সপেরিমেন্ট! তাই শুধুমাত্র ২২-২৩ সেন্টিমিটারের ময়দার লেচি তৈরি করে, সেটা তেলে ভেজে, তার সঙ্গে খানকয়েক ডিম মাখিয়ে একটা এগ রোল করেই ক্ষান্ত থাকছেন না রাঁধুনি, ব্যাপারটা শেষ হয়ে যাচ্ছে না ওই এগ রোলের ভিতরে পেঁয়াজ, বাঁধাকপি আর চিকেন কাবাবের টুকরো ভরে দিয়েও। আদতে এই রোলের প্রতি কামড়ে লুকিয়ে রয়েছে সুস্বাদের অবাক দুনিয়া।

জানা গিয়েছে যে এই রোলের ভিতরে নানা সবজির পাশাপাশি থাকছে পনির টিক্কা কাবা, মাটন কাবাব, চিকেন কাবাব। এর উপরে ছড়ানো থাকছে কুরিয়ে নেওয়া চিজ। তার উপরে দেওয়া হচ্ছে মনমাতানো মেয়োনিজের আস্তরণ। সব শেষে ঝাল লাল স্যসে সাজিয়ে ক্রেতার হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে এই রোল। মাত্র ৩৪৯ টাকার বিনিময়ে। ঠিকানা- বাস স্ট্যান্ড, ৪৫, গড়িয়া স্টেশন রোড, ছোট বটতলা, এ/বি, গড়িয়া।

তাহলে একবার ঢুঁ মেরে দেখবেন না কি?

First published: