CAA বিক্ষোভ- বিজেপি কর্মীদের সংঘর্ষ ঠেকাতে চলন্ত বাস থেকে যাত্রী নামিয়ে সেই বাসকেই ঢাল পুলিশের

CAA বিক্ষোভ- বিজেপি কর্মীদের সংঘর্ষ ঠেকাতে চলন্ত বাস থেকে যাত্রী নামিয়ে সেই বাসকেই ঢাল পুলিশের

পুলিশ বেশ কিছুটা বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সেই গাড়ি,বাস রাস্তার মাঝখানে দাঁড় করিয়ে দেয়। এমনকি দুটো বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে আড়া আড়ি ভাবে দাঁড় করিয়ে দেয় দু পক্ষের মাঝখানে

  • Share this:

#কলকাতা: ধুন্ধুমার ধর্মতলায়। সকাল থেকেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অমিত শাহের ধর্ম তলায় শহীদ মিনারের সভা ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়। ধর্মতলা কে সি দাস থেকে শুরু করে লিন্ডসে স্ট্রীট পর্যন্ত সর্বত্রই পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ।বেলা ১১ টা নাগাদ ফরোয়ার্ড ব্লকের যুব সংগঠন সারা ভারত যুব লীগের সদস্যরা কালো পতাকা এবং অমিত শাহের কুশপুত্তলিকা নিয়ে মিছিল করে ধর্মতলার দিকে এগোতে থাকে পুলিশ তাদের বাধা দেয় শেষমেষ গ্র্যান্ড হোটেলের সামনে অমিত শাহের কুশপুতুল পোড়াল যুবলীগের সদস্যরা সেরকম কোন গণ্ডগোল হয়নি তবুও হাল ছাড়তে নারাজ ছিল পুলিশ একদিকে শহীদ মিনারে যখন সভা শুরু হয়েছে অমিত শাহের তখনই আসল ক্লাইম্যাক্স ৷

বেলা দেড়টা নাগাদ বিভিন্ন বাম নকশালপন্থী ছাত্র যুব সংগঠনের সদস্যরা জড়ো হয় গ্র্যান্ড হোটেলের সামনে। একটি সংখ্যালঘু সংগঠনের সদস্যরাও তাদের সঙ্গে যোগ দেয়।  অতিবাম ছাত্র সংগঠন বাম কর্মী, কংগ্রেস কর্মী সহ স্থানীয় বেশ কিছু মানুষজন অমিত শাহ গো ব্যাক স্লোগানে অংশ নেন। সেই সময়ই পার্ক স্ট্রিটের দিক থেকে ধর্মতলার দিকে মুখ করে বিজেপির একটি বড় মিছিল আসছিল।  সেই  মিছিল গ্র্যান্ড হোটেলের কাছাকাছি আসতেই বামেদের বিক্ষোভকারী অংশ থেকে শ্লোগান উঠতে শুরু করে। উল্টোদিকে বিজেপি কর্মীরা কিন্তু উত্তেজিত হয়ে পড়েন । দু'পক্ষের কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। পুলিশ ব্যারিকেড করে ।ধুন্ধুমার বেঁধে যায় পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মী এবং বাম কর্মীদের।

শুরু হয়ে যায় হাতাহাতি, ধাক্কাধাক্কি।  দুদিকেই রাস্তায় শেষ সময় গাড়ি, বাস চলছিল স্বাভাবিকভাবে। পুলিশ বেশ কিছুটা বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সেই গাড়ি,বাস রাস্তার মাঝখানে দাঁড় করিয়ে দেয়। এমনকি দুটো বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে আড়া আড়ি ভাবে দাঁড় করিয়ে দেয় দু পক্ষের মাঝখানে।ফলে দুদিকের দু পক্ষই চোখের আড়াল হয়ে যায়।  এভাবেই উত্তেজনা কিছুটা কমানোর চেষ্টা করে পুলিশ।  একই সঙ্গে একাধিক আইপিএস এর নেতৃত্বে বিজেপি মিছিলকে ঠেলে ডোরিনা ক্রসিং এর দিকে নিয়ে যাওয়া হয়।  গ্রান্ডের সামনে থাকা বাম বিক্ষোভকারীদের পুলিশ টেনে নিয়ে আসে পুরসভার গলি রাস্তায় ঢুকিয়ে আটকায়।  সব মিটে যাওয়ার মিনিট পনেরো কুড়ি পরে বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী আচমকাই ঢুকে পড়েন বামেদের বিক্ষোভ অংশে।  ফের উত্তেজনা।  পুলিশ ধাক্কা মেরে সরিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।এভাবেই চলে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত।এরপরে বাম বিক্ষোভকারীরা গ্র্যান্ড হোটেল এর পাশের রাস্তায় বিক্ষোভ দেখায় থাকে এখানেও পুলিশ অভিনব হবে বাস-ট্যাক্সি কে ঢুকিয়ে দেয় শেষমেষ বাধ্য হয়ে বিক্ষোভ উঠে যায়।তারপরই পরিস্থিতি ধীরে ধীরে শান্ত হয়।

ABHIJIT CHANDA

First published: March 1, 2020, 10:20 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर