বিরাট খবর! পুজোর আগেই জোকা-তারাতলা মেট্রো শুরু, বৃহস্পতিবার থেকেই ট্রায়াল রান
- Published by:Suman Biswas
Last Updated:
Joka Taratala Metro: পুজোর আগে জোকা-তারাতলা মেট্রো চালু করতে চায় রেল।
#কলকাতা: জোকা থেকে তারাতলা মেট্রো ট্রায়াল রান আগামীকাল, বৃহস্পতিবার থেকে। অবসরপ্রাপ্ত নন এসি রেক দিয়ে হবে এই ট্রায়াল রান। পুজোর আগেই পরিষেবা চালু করতে চায় রেল। নোয়াপাড়া কারশেডে করা হয়েছে নন এসি মেট্রো রেকের পরীক্ষা। সরাসরি নর্থ-সাউথ মেট্রোর সঙ্গে লাইনে সংযুক্ত নয় জোকা-বিবাদী বাগ লাইন। তাই লরিতে করে পাঠানো হয়েছিল রেক জোকায়। জোকা থেকে তারাতলা অবধি হবে ট্রায়াল রান।
ইতিমধ্যেই লাইন বসানো হয়েছে এই অংশে। আগামী বছর জোকা থেকে তারাতলা মেট্রো পূর্ণ মাত্রায় চালু করার লক্ষ্য নিয়েছে রেল।আত্মনির্ভর প্রকল্পে প্রথম কাজ শুরু হয়েছিল কলকাতা থেকে। শুরু হয়েছিল জোকা-বিবাদী বাগ মেট্রো প্রকল্পে লাইন পাতার কাজ। ইউরোপ নয়, ছত্তিসগড় থেকে কলকাতায় এসে পৌছেছিল ইস্পাতের রেল।
advertisement
advertisement
লাইন বা রেল বসানোর জন্য এসে গেছে নেদারল্যান্ডসের মেশিন 'মোবাইল ফ্ল্যাশব্যাট ওয়েল্ডিং'। যা দিয়ে জোড়া হয় লাইনের অংশ। আর ভি এন এল সূত্রে খবর, জোকা ডিপো থেকে মাঝেরহাট অবধি প্রায় ১০ কিমি লাইন পাতার মতোই ইস্পাত এসে পৌছে গিয়েছিল। কাজও শেষ।যে সংস্থা এই লাইন পাতার কাজ করবে তাদের প্রতিনিধিরাও এসে গিয়ে কাজ শেষ করে দিয়েছেন। জোকা ডিপো থেকে তারাতলা অবধি মেট্রোর স্টেশন বিল্ডিং নির্মাণের কাজ শেষ। এবার এই পথে শুরু হতে চলেছে মেট্রোর ট্রায়াল রানের কাজ।
advertisement
লাইন পাতার জন্য ছত্তিসগড় থেকে আনা হয়েছিল ৩০০০ মেট্রিক টন ইস্পাত। ১৮ মিটার করে লম্বা এক একটি রেলের খন্ড আনা হয়েছিল। সেগুলিকেই জোড়া হয়। আর ভি এন এলের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, "মেট্রো লাইনে কোনও জয়েন্ট থাকে নাতাই প্রতিটি খন্ড বসিয়ে বিশেষ যন্ত্র মোবাইল ফ্ল্যাশব্যাট ওয়েল্ডিং দিয়ে জোড়া হচ্ছে। তারপর বিভিন্ন তাপমাত্রায় তা পরীক্ষা করা হবে।"পণ্যবাহী ট্রেন বা মেল, এক্সপ্রেস ট্রেন যখন চলাচল করে তখন রেল লাইনের ওপরে তার ভার অনেক বেশি হয়। সেই তুলনায় মেট্রোর ভার অনেকটা কম। কিন্তু মেট্রো পরিষেবা যেহেতু ঘন ঘন হয় তাই রেলের ওপরে ঘর্ষণ এবং তাপ এতটাই উৎপন্ন হয় যে কাজ অনেক বেশি নিখুঁত ও সচেতনতার সাথে করতে হয়।
advertisement
আর ভি এন এলের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, মেট্রো লাইন হয় সুড়ঙ্গ, নয়তো মাটির অনেক উপরে হয়। ফলে এখানে লাইন বদলানো খুব একটা সহজ ব্যপার নয়। তাই কমপক্ষে ১০০ বছর ধরে পরিষেবা দিতে হবে এমনটা ভেবেই এই রেল বা ইস্পাত নিয়ে আসা হয়েছে।
আর ভি এন এল সূত্রে খবর, জিন্দলদের ছত্তিসগড় কারখানা থেকে রেলে করে শালিমার ইয়ার্ডে নিয়ে আসা হয়েছিল এই ইস্পাত। ক্রোমিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ সহ নানা উপকরণ দিয়ে এই ইস্পাত বানানো হয়েছে।সাধারণ লাইনের চেয়ে এই লাইনের পীড়ন সহ্য করার ক্ষমতা অনেকটা বেশি। বিশেষ প্রযুক্তিতে বানানো এই ইস্পাত কয়েক মিনিট অন্তর ট্রেন চলাচলের পরেও ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। তাই এই ভারতীয় সংস্থাকে বাছাই করেছে আর ভি এন এল। যেহেতু ইউরোপ রেল লাইন তৈরিতে দক্ষ, তাই সেখান থেকেই আগে ইস্পাত আনা হত।
Location :
First Published :
Sep 14, 2022 1:12 PM IST








