• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • রাজ্যে কি আবার সক্রিয় জামতারা গ্যাং? লালবাজারের তদন্তে গ্রেফতার ৫

রাজ্যে কি আবার সক্রিয় জামতারা গ্যাং? লালবাজারের তদন্তে গ্রেফতার ৫

তদন্তের গভীরে পৌঁছাতেই ফাঁস হয়েছে এই গ্যাং-এর বিভিন্ন তথ্য। জোড়াবাগান থানা এলাকার একটি ঘটনাতেও উঠে এল তাদের নাম।

তদন্তের গভীরে পৌঁছাতেই ফাঁস হয়েছে এই গ্যাং-এর বিভিন্ন তথ্য। জোড়াবাগান থানা এলাকার একটি ঘটনাতেও উঠে এল তাদের নাম।

তদন্তের গভীরে পৌঁছাতেই ফাঁস হয়েছে এই গ্যাং-এর বিভিন্ন তথ্য। জোড়াবাগান থানা এলাকার একটি ঘটনাতেও উঠে এল তাদের নাম।

  • Share this:

Susovan Bhattacharjee

#কলকাতা: জামতারা গ্যাং নিয়ে কড়া নজর পুলিশের। এটিএমের জালিয়াতি হোক বা কেওয়াইসি আপডেটের নামে প্রতারণা সবারই মাস্টার মাইন্ড জামতারা গ্যাং।  শহরের একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তের শুরুতেই উঠেছে এই গ্যাং-এর কথা। তদন্তের গভীরে পৌঁছাতেই ফাঁস হয়েছে এই গ্যাং-এর বিভিন্ন তথ্য। জোড়াবাগান থানা এলাকার একটি ঘটনাতেও উঠে এল তাদের নাম।

গতবছরের জানুয়ারী মাসের নয় তারিখ জোড়াবাগান থানায় অভিযোগ দায়ের করেন এক ব্যাক্তি।  প্রবীণ কুমার আগারওয়ালের অভিযোগ ছিল তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা উধাও-এর। প্রবীণ কুমার আগারওয়াল হঠাৎ দেখেন তাঁর শ্যামবাজার ব্রাঞ্চের একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও হয় প্রায় তিন লক্ষ টাকা। তড়িঘড়ি জোড়াবাগান থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ও তদন্তকারী অফিসারকে জানান টাকা উধাও এর সূত্রপাত মূলত একটি অনলাইন পেমেন্ট ব্যাঙ্কের অ্যাপের কেওয়াইসি আপডেট করা নিয়ে। তিনি জানান, তাঁর কাছে একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে ব্যাঙ্কের বিভিন্ন তথ্য সম্পর্কিত কথা বলার জন্য। ফোনের অপরপ্রান্তে ব্যাঙ্ক কর্মীর পরিচয় দিয়ে জানানো হয় পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাবে কিছু সময় পরেই, চালু রাখতে গেলে তার নিদিষ্ট কিছু তথ্য দিয়ে কেওয়াইসি আপডেট করতেই হবে। খুবই প্রয়োজনীয় ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের অসুবিধার কথা শুনে  নিদিষ্ট চাওয়া তথ্য দেওয়া হয় ফোনের অপর প্রান্তে থাকা অচেনা ব্যাক্তিকে।

নিদিষ্ট তথ্য দেওয়া মাত্রই তাকে জানানো হয় "কুইক সার্পোট অ্যাপ্লিকেশন" ব্যাবহার করার জন্য। সেই অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করা মাত্রই চোখের সামনে যা দেখলেন তা স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি প্রবীণ কুমার আগারওয়াল। নিজের সমস্ত করণীয় এ বার চলে গিয়েছে প্রতারকদের হাতে, কারণ নিজের মোবাইলে একের পর এক ম্যাসেজ। শুধু ব্যাঙ্কের তরফে টাকা তুলে নেওয়ার ম্যাসেজ আসতে শুরু হয় প্রবীণ কুমার  আগারওয়ালের মোবাইলে। সব ম্যাসেজ দেখে তিনি বুঝতে পারেন প্রায় তিন লক্ষ টাকা চুরি হয়ে গিয়েছে।

এই অভিযোগ তৎক্ষনাৎ জানানো হয় জোড়াবাগান থানায়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তের ভার নেয় লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের ব্যাঙ্ক ফ্রড সেকশন। প্রায় এক লক্ষ টাকা তদন্তের মধ্যেই উদ্ধার করতে পারে পুলিশ। ব্যাঙ্কের থেকে বিভিন্ন তথ্য পেয়ে গোয়েন্দারা জানতে পারে জামতারা গ্যাং এর কথা। বিভিন্ন সূত্র ধরে সেই গ্যাং এর পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করে লালবাজারের গোয়েন্দারা। পাঁচ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আদালতে তোলা হলে আগামী ১৯ তারিখ পর্যন্ত হেফাজতে পায় পুলিশ।

Published by:Simli Raha
First published: