Home /News /kolkata /
Kolkata Port: শিল্প পরিকাঠামো উন্নয়নে বন্দরের নয়া পদক্ষেপ, এবার চালু হচ্ছে নাইট নেভিগেশন

Kolkata Port: শিল্প পরিকাঠামো উন্নয়নে বন্দরের নয়া পদক্ষেপ, এবার চালু হচ্ছে নাইট নেভিগেশন

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

Kolkata Port: এত দিন সাগরদ্বীপ এবং স্যান্ড হেডে কোনও জাহাজ সন্ধ্যায় পৌঁছলে পরের দিন সকাল অবধি তাকে অপেক্ষা করতে হত, বন্দরের দিকে আসার জন্যে।

  • Share this:

#কলকাতা: রাতেও এ বার জাহাজ চলাচল করতে পারবে কলকাতা বন্দরে। বেলজিয়ামের এক সংস্থার সঙ্গে চেন্নাই আইআইটি যৌথ ভাবে এই কাজ করতে চলেছে। আগামী ছয় থেকে আট মাসের মধ্যে চালু হয়ে যাবে এই নয়া প্রযুক্তি। এর ফলে বন্দরে বাড়বে জাহাজ আসা যাওয়ার পরিমাণ৷ যা সুবিধা দেবে বন্দরের মাধ্যমে একাধিক শিল্প সংস্থাকে।

এত দিন সাগরদ্বীপ এবং স্যান্ড হেডে  কোনও জাহাজ সন্ধ্যায় পৌঁছলে পরের দিন সকাল অবধি তাকে অপেক্ষা করতে হত, বন্দরের দিকে আসার জন্যে। হুগলি নদীর নাব্যতা অনেক কম। ফলে পাইলট বোট বা টাগ বোটের সাহায্যে নির্দিষ্ট চ্যানেল দিয়ে আনা হত ১৩০ কিমি দূরে থাকা কলকাতা বন্দরে। এর পর জোয়ার আসলেই ডকে প্রবেশ করে জাহাজ। নাইট নেভিগেশন চালু হয়ে গেলে, জাহাজের কন্ট্রোল রুমের কম্পিউটার স্ক্রিনে চোখ রাখলেই হবে। পুরো চ্যানেল সেখানে দেখানো হবে৷  প্রয়োজন হবে না টাগ বোট বা পাইলট বোটের। বন্দর চেয়ারম্যান বিনীত কুমার জানিয়েছেন,  এর ফলে রাতেও কলকাতা বন্দরে চলে আসতে পারবে জাহাজ। এতে সময় ও খরচ দুই বাঁচবে জাহাজ সংস্থার। আগামী ছয় থেকে আট মাসের মধ্যে এই কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন: এসএসকেএম দুর্দান্ত হাসপাতাল, ভূয়সী প্রশংসায় রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়! কী ঘটল হঠাৎ?

এর আগে বন্দরে যথাযথ করা হয়েছে কমিউনিকেশন সিস্টেম। ২০১৯ সাল থেকে নিয়মিত প্রতি বছরেই রাজ্যে ধেয়ে আসছে একের পর এক ঘূর্ণিঝড় । ২০১৯ সালে ধেয়ে আসে বুলবুল, ২০২০ সালে আসে আমফান, ২০২১ সালে ধেয়ে আসল ইয়াস ঘূর্ণিঝড় । আর প্রতি বারই ঘূর্ণিঝড় কোনও না কোনও ভাবে ক্ষতি করেছে বন্দরের যোগাযোগ ব্যবস্থার।কলকাতা পোর্ট ট্রাস্ট  বা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর দেশের অন্যতম প্রাচীন নদী বন্দর৷ বর্তমানে কলকাতা ও হলদিয়া বন্দর মিলিয়ে প্রতিদিন গড়ে ৮'টি করে জাহাজ আসে৷ ফলে কমিউনিকেশন সিস্টেম আধুনিক ও সুরক্ষিত করে রাখা একটা চ্যালেঞ্জ ছিল বন্দরের কাছে। এবার সেই ব্যবস্থায় চালু হল রেডিও ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল।

আরও পড়ুন: দুই দফতরে হাজার হাজার কর্মী নিয়োগ, বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য মন্ত্রিসভা

কলকাতা পোর্ট ট্রাস্টের প্রধান কন্ট্রোল রুম রয়েছে খিদিরপুরে বন্দরের সুভাষ ভবনে। এত দিন এই কন্ট্রোল রুম থেকেই ওয়্যারলেস মারফত যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু ছিল। কলকাতা থেকে স্যান্ডহেড অবধি জলপথে দূরত্ব ২৩২ কিমি বা ১২৬ মাইল। এই পথে রয়েছে চারটে কমিউনিকেশন বেস, কলকাতা, হলদিয়া, হুগলি পয়েন্ট ও সাগর পাইলট স্টেশন। মূলত এই বেস কমিউনিকেশন স্টেশন থেকেই যোগাযোগ রাখা হয় জাহাজ, ক্রু, পাইলট শিপ ও অন্যান্য অপারেশনাল অপারেটিং বিভাগের সঙ্গে।বন্দর সূত্রে খবর, এই ওয়্যারলেস সিস্টেম দূর্যোগ পূর্ণ আবহাওয়া হলেই সমস্যা তৈরি করে৷ যোগাযোগ যথাযথ ভাবে করা যায় না। অনেক ক্ষেত্রে সাহায্য নেওয়া হয় স্যাটেলাইট ফোনের। কিন্তু সেটা কখনওই স্থায়ী সমাধান নয়৷ তাই কমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে চালু করে দেওয়া হল রেডিও ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল সিস্টেম। বন্দর চেয়ারম্যান বিনীত কুমার জানিয়েছেন, "চ্যানেল ১৪ ও ১৬ এর মাধ্যমে এই কমিউনিকেশন বজায় থাকবে।কলকাতা বন্দরের সুভাষ ভবন কন্ট্রোল রুম থেকে স্যান্ডহেডে দাঁড়িয়ে থাকা জাহাজের সঙ্গে নির্বিঘ্নে যোগাযোগ রাখা যাবে। আগে আমফান, ইয়াসের সময়ে যে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়েছিল এবার আর তা হবে না। ফলে যতই সমস্যা হোক,বার্তা আমাদের চলে যাবে।" এই ব্যবস্থা পুরোটাই নিয়ন্ত্রিত হবে কলকাতা থেকে৷

Abir Ghosal

Published by:Uddalak B
First published:

Tags: Kolkata Port

পরবর্তী খবর