বড়দিন-নিউইয়ারে ভোজ খেতে যাবেন রেস্তোরাঁয়, গ্যাঁটের কড়ি খসবে অনেকটাই বেশি!!!

বড়দিন-নিউইয়ারে ভোজ খেতে যাবেন রেস্তোরাঁয়, গ্যাঁটের কড়ি খসবে অনেকটাই বেশি!!!
Photo- File

পকেটের রেস্তো কিছুটা বেশি নিয়েই এবার বেরোতে হবে

  • Share this:

ABIR GHOSHAL

#কলকাতা:  পার্টি মুডে গোটা শহর। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়ে গেছে হৈ হুল্লোড়। এরই ফাঁকতালে রেস্তোঁরার মেনু কার্ডের আইটেমের পাশে দামটা হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। তাই ডিনারের অর্ডার দেবার আগে ভালো করে একবার চোখ বুলিয়ে নিন।

হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়ার হিসাব বলছে কলকাতা সহ গোটা রাজ্যে তাদের অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সংখ্যা প্রায় ১১০০। আর তাদের একটা বড় অংশ ইতিমধ্যেই অ্যাসোসিয়েশনকে জানিয়েছে খাবারের দাম তারা অল্প হলেও বৃদ্ধি করতে চায়। কারণ পেঁয়াজের দাম এখনও কমেনি। আর বড়দিন মানেই পেঁয়াজ ছাড়া রেস্টুরেন্টে রান্না হবে এমনটা কেউ ভাবতেই পারেন না। রেঁস্তোরাগুলোর দাবি, দিনে তাদের ৫০ কেজি থেকে ২৫০ কেজি পেঁয়াজ লাগে। সেই পেঁয়াজই কিনতে হচ্ছে নুন্যতম ১০০ থেকে ১২০ টাকা  প্রতি কেজি। খাবারের মান ঠিক রাখতে গিয়ে বেশি দামেই সেই পিঁয়াজ কিনতে হচ্ছে। কিন্তু কতদিন এভাবে চালানো সম্ভব তা বুঝে উঠতে পারছেন না হোটেল মালিকরা।

অ্যাসোসিয়েশনের বক্তব্য, বছর শেষের এই উৎসবের সময়ে বেশি করে পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে তাদের। ফলে খরচা বেশি হচ্ছে তাদের। সদস্যদের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, রাস্তার ধারের ছোট ছোট হোটেল গুলিতে ইতিমধ্যেই খাবারের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের প্রস্তাব এবার  তাহলে উৎসবের সময় তাদের বেশি টাকা খরচ হচ্ছে যখন তখন দাম বাড়ানো হোক। নিজেদের দাম বাড়ানোর পিছনে আরও যুক্তিও খাড়া করেছেন তারা৷ তাদের দাবি  স্বাদ নিয়ে তারা আপোষ করা হবে না, কারণ প্রতিযোগিতার বাজারে তারা মাঠ ছেড়ে যাবেন না।

আরও পড়ুন- মুখ থুবড়ে পড়েছে ভারতের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, এখুনি নেওয়া উচিত ব্যবস্থা, জানাল মার্কিন সংস্থা

ফলে ফাঁপরে পড়েছে হোটেল অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনের অন্যতম কর্তা সুরেশ পোদ্দার জানাচ্ছেন, তার নিজের হোটেলেই তাকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। প্রায় ২০০ কেজি পিঁয়াজ লাগে তার।অনেকদিন ধরে তারা দাম বৃদ্ধি করেননি। কিন্তু এখন যা অবস্থা হয়েছে তাতে মেনু কার্ডে দাম বাড়ানো যে জরুরি সেটা তিনিও মানছেন। তবে চাইনিজ থেকে মোগলাই খাবারের প্রীতি যাদের রয়েছে তারা বুঝে উঠতে পারছেন না দাম কি থাকছে মেনু কার্ডের পাশের ফুড আইটেমে। তবে অ্যাসোসিয়েশনের স্পষ্ট জবাব তারা

কাউকে দাম বাড়ানোর নির্দেশিকা দেননি৷

আর এই সবের জেরে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত যারা হতে চলেছেন তারা হলেন খাদ্যরসিক বাঙালি ৷ কিন্তু বাজারের যা পরিস্থিতি তাতে বাধ্য হয়েই খাবারের দাম বাডছে এই উৎসবের মরসুমে। ফলে ভোজ করতে গেলেন পকেট থেকে বেশি টাকা যাবেই ৷

আরও দেখুন

First published: 01:14:37 PM Dec 24, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर