উত্তরপত্র যত্নে রাখুন, শিক্ষকদের অনুরোধ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের

উত্তরপত্র যত্নে রাখুন, শিক্ষকদের অনুরোধ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের

বিশেষত গত শুক্রবার কোচবিহারের তুফানগঞ্জ উত্তরপত্র বাইকে করে নিয়ে যাওয়ার সময় ইংরেজির ৭৩টি উত্তরপত্র পড়ে যায়। যদিও ৪৮ ঘন্টা বাদে সেই উত্তর পত্রগুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

  • Share this:

মাধ্যমিকের উত্তরপত্র হারিয়ে যাওয়ার জের। এবার নড়েচড়ে বসলো উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। সোমবারই উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে মূল্যায়ণকারী শিক্ষকদের উত্তরপত্র যত্ন করে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। মূলত প্রধান পরীক্ষকদের থেকে যখন উত্তরপত্র শিক্ষকরা বাড়িতে নিয়ে যাবেন তখন যেন যত্ন করে নিয়ে যান এবং ঠিক সেইভাবেই যত্ন করে প্রধান পরীক্ষকদের কাছেও পাঠিয়ে দেন।

বিশেষত গত শুক্রবার কোচবিহারের তুফানগঞ্জ উত্তরপত্র বাইকে করে নিয়ে যাওয়ার সময় ইংরেজির ৭৩টি উত্তরপত্র পড়ে যায়। যদিও ৪৮ ঘন্টা বাদে সেই উত্তর পত্রগুলি উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু উত্তরপত্র জমা দিতে যাওয়া বা নিয়ে যাওয়ার সময় কেন শিক্ষকদের তরফে এই ধরনের গাফিলতি হবে তা নিয়ে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।সে জন্যই আর ঝুঁকি নিতে চাইছে না উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।তাই আগেভাগেই নির্দেশিকা জারি করে কার্যত মূল্যায়নকারী শিক্ষকদের সতর্ক করে দিল উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।

গত শুক্রবার মাধ্যমিকের ইংরেজির উত্তর পত্র হারিয়ে় যাওয়ার ঘটনায় শাস্তি মূলক পদক্ষেপ নিতে চলেছে  মধ্যশিক্ষা পর্ষদ দায়িত্বপ্রাপ্ত ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে। উত্তরপত্র গুলি উদ্ধার করা হলেও তার তদন্ত প্রক্রিয়া  ইতিমধ্যেই শুরু করেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। উত্তরপত্রগুলি জাল করা হতে পারে সেই আশঙ্কা করছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। ইতিমধ্যেই সেই উত্তর পত্রগুলি কলকাতাতেও আনা হয়েছে। কিন্তু উত্তর পত্রগুলি  হারিয়ে যাওয়ার পর উদ্ধার করা গেলেও ঝুঁকি নিতে চাইছে না উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। আর তাই সোমবারই শিক্ষকদের যত্নবান হওয়ার পরামর্শ দিয়ে নির্দেশিকা জারি করেছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।

সোমবার সংসদের তরফে সমস্ত মূল্যায়নকারী শিক্ষকদের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে প্রধান পরীক্ষকদের থেকে উত্তর পত্র নিয়ে যাওয়ার সময় ও জমা দেওয়ার সময় যত্নবান হওয়ার জন্য। অর্থাৎ উত্তরপত্র গুলো যখন মূল্যায়ন করার জন্য নিয়ে যাবেন সেই সময় যাতে কোন উত্তর পত্র হারিয়ে না যায় সেই দিকে বাড়তি খেয়াল যেন রাখেন শিক্ষকরা৷

SOMRAJ BANERJEE

First published: March 17, 2020, 11:19 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर