corona virus btn
corona virus btn
Loading

ট্যুইটের জবাব এবার ট্যুইটে ! রেশন নিয়ে ভুল তথ্য পরিবেশন করছেন রাজ্যপাল: খাদ্যমন্ত্রী

ট্যুইটের জবাব এবার ট্যুইটে ! রেশন নিয়ে ভুল তথ্য পরিবেশন করছেন রাজ্যপাল: খাদ্যমন্ত্রী

রাজ্যপালের ট্যুইটের জবাব এবার ট্যুইটের মাধ্যমেই দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক

  • Share this:

#কলকাতা: ট্যুইটের জবাব এবার ট্যুইটে। প্রতিদিন সকাল থেকেই ট্যুইট করে একাধিক বিষয় জানান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। এর মধ্যে গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যপাল ট্যুইট করে চলেছে রাজ্যের রেশনিং ব্যাবস্থা নিয়ে। কেন্দ্রের থেকে প্রাপ্ত চাল, ডাল নিয়েও তিনি একাধিক তথ্য ট্যুইট করেছেন। রাজ্যপালের সেই ট্যুইটের জবাব এবার ট্যুইটের মাধ্যমেই দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

তৃণমূলের একাধিক নেতা ট্যুইট ব্যবহার করেন। মুখ্যমন্ত্রী একাধিক বিষয় ট্যুইটে পোস্ট করেন। ডেরেক ও ব্রায়ান, অভিষেক ব্যানার্জি, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, কল্যাণ ব্যানার্জি, ফিরহাদ হাকিম বা শিক্ষামন্ত্রী পাথ চ্যাটার্জি ট্যুইটারে স্বচ্ছন্দ। ইদানিংকালে তারা নানা বিষয়ে এই সামাজিক মাধ্যমে নানা সমসাময়িক বিষয় সম্পর্কে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেন। এবার এই দলে নাম লেখালেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। ২০১৯ সালের আগস্ট মাসে @JyotipriyaMLA নামে একটা ট্যুইটার হ্যান্ডেল খুললেও সেটার ব্যবহার খুব একটা ছিল না। তবে লকডাউন পরিস্থিতিতে যে ভাবে প্রতিদিন রাজ্যপাল সহ বিরোধীরা তার দফতর নিয়ে প্রশ্ন তুলে চলেছেন তাতে তার জবাব তিনি এবার ট্যুইট মারফত দেবেন বলেই ঠিক করেছেন। তাই ট্যুইটারেই ডাল নিয়ে রাজ্যপালের অভিযোগ ওড়ালেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

p style="text-align: justify;">বৃহস্পতিবার সকালে রেশনের কালোবাজারি ও ডাল নিয়ে ট্যুইট করেছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তার বক্তব্য ছিল রাজ্যকে প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ যোজনায় নাফেড ডাল দিয়েছে। রাজ্য রেশনের সেই ডাল পেয়েছে। যদিও খাদ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, "রাজ্য ডাল এখনও পায়নি। ডাল রাজ্যের এক গোডাউনে পড়ে আছে। রাজ্যের হাতে সেই ডাল এখনও তুলে দেয়নি নাফেড সংস্থা।" এর আগেও রাজ্যের অভিযোগ ছিল জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পে ডাল দেওয়ার কথা কেন্দ্র বললেও সেই ডাল তারা পাননি এখনও। রাজ্যের অভিযোগ প্রকৃত তথ্য না জেনেই রাজ্যপাল রেশন নিয়ে ট্যুইট করে যাচ্ছেন। খাদ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, "এক অদ্ভুত প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছেন রাজ্যপাল। উনি প্রতিদিন একটা নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি করে চলেছেন।" মন্ত্রীর অনুরোধ চাইলে রাজ্যপাল রাস্তায় নেমে যারা রেশন প্রাপক তাদের কাছে গিয়ে জানতে চাওয়া হোক। তারা রেশন পেয়েছেন কিনা! প্রয়োজন হলে উনি খাদ্য ভবনে এসে আধিকারিকদের সাথে কথা বলে দেখতে পারেন। প্রকৃত তথ্য তারা ওনাকে দিয়ে দেবে। একই সাথে খাদ্যমন্ত্রীর অনুরোধ রাজ্যপাল এবার ক্ষান্ত হন। তথ্য না জেনে তথ্য পরিবেশন করা বন্ধ করুন।

অন্যদিকে, রেশনে কালোবাজারি করা বা যথাযথ সামগ্রী না দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই প্রায় ৩৫ রেশন ডিলারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গন্ডগোল পাকানোর দায়ে গ্রেফতার করা হয়েছে ৬০ জনকে। ইতিমধ্যেই শো-কজ করা হয়েছে প্রায় ৪৫০ জনকে। সাসপেন্ড করা হয়েছে প্রায় ৭৫ জনকে। জরিমানা করা হয়েছে প্রায় ৫৫ জনকে। সবচেয়ে বেশি শো-কজের ঘটনা ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগণায়। এরপর দক্ষিণ ২৪ পরগণা, নদীয়া ও মুশিদাবাদে। সবচেয়ে বেশি সাসপেন্ড হয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরে, এছাড়া হয়েছে নদীয়াতেও। তবে জরিমানা বেশি হয়েছে আলিপুরদুয়ারে। খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জানিয়েছেন, "কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ব্যবস্থা নেওয়া হবে যদি কোনও কারচুপি ধরা পড়ে।" তবে এই সমস্ত কিছুর জবাব সকলের কাছে পৌছে দিতে তিনি বেছে নিলেন সেই ট্যুইটার হ্যান্ডেলকেই।

ABIR GHOSHAL

Published by: Ananya Chakraborty
First published: May 15, 2020, 8:10 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर