সরকারি কর্মীদেরই একাধিক সংগঠন, সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

দল বাড়াতে একসময়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন নেতারা। দিয়েছিলেন স্বীকৃতি। এখন সেই সব শ্রমিক ও কর্মচারী সংগঠনের বিরুদ্ধেই তোলাবাজি থেকে দুর্নীতির মতো অভিযোগ।

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Aug 27, 2019 07:06 PM IST
সরকারি কর্মীদেরই একাধিক সংগঠন, সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Aug 27, 2019 07:06 PM IST

#কলকাতা: দল বাড়াতে একসময়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন নেতারা। দিয়েছিলেন স্বীকৃতি। এখন সেই সব শ্রমিক ও কর্মচারী সংগঠনের বিরুদ্ধেই তোলাবাজি থেকে দুর্নীতির মতো অভিযোগ। যাতে নাম উঠে আসছে দলীয় নেতৃত্বেরও। এই পরিস্থিতিতে এবার রাশ টানাতে চাইছে বিজেপি।

লোকসভা ভোটে ভাল ফল। তারপর থেকেই এ রাজ্যে বিজেপির ছত্রছায়ায় গড়ে উঠেছে বহু শ্রমিক ও কর্মচারী সংগঠন। দলকে বাড়ানোর লক্ষ্যে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বও তাদের স্বীকৃতি দিতে দেরি করেনি। কিন্তু, সম্প্রতি, ভারতীয় জনতা মজদুর ট্রেড ইউনিয়নের নেতা বাবান ঘোষকে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতারের পরই প্রমাদ গুনছেন বিজেপির নেতারা। কারণ, ওই বাবানের সূত্রেই দুর্নীতিকাণ্ডে নাম উঠে এসেছে দিলীপ ঘোষের। এবার তাই রাশ টানতে চাইছে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। বিভিন্ন কর্মচারী ও শ্রমিক সংগঠনগুলিকে নিয়ে মঙ্গলবার বিজেপির রাজ্য সদর দফতরে বৈঠক।

মাথায় বিজেপি। সেই ছাতার তলায় অনেক সংগঠন। অনেক নেতা। কেউ দেখাচ্ছেন রাজ্যের নেতাদের সঙ্গে ছবি। এখানে দেবাশিস শীলের সঙ্গে বিজেপি নেতারা ৷ কেউ দেখাচ্ছেন নেতৃত্বের দেওয়া স্বীকৃতি।

দিলীপ ঘোষের লেখা স্বীকৃতিপত্র দেখিয়েছেন অমিয় সরকার এ সবকে হাতিয়ার করেই এক পদ্মে অনেক সংগঠন। শুধুমাত্র রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের নিয়েই একাধিক। কোনওটির নাম রাজ্য সরকারি কর্মচারী মঞ্চ ৷ কোনওটা একটু নাম বদলে রাজ্য সরকারি কর্মচারী পরিষদ ৷ কোনওটা আবার সরকারি কর্মচারী পরিষদ।

একজন বলেন তাঁদেরটাই আসল সংগঠন। আরেকজন বলেন তাঁদেরটা। একসময় দরজা হাট করে খুলে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, দুর্নীতির মতো অভিযোগে নেতৃত্বের নাম উঠে আসায় অস্বস্তি বাড়ছে। দলের ভাবমূর্তিতেও আঘাত লাগার আশঙ্কা। তাই বিজেপি নেতৃত্ব চাইছে, শ্রমিক সংগঠনগুলি যেন ভারতীয় মজদুর সংঘ বা বিএমএসের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করে। আর সরকারি কর্মচারী এবং অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের সংগঠনগুলি যেন এক ছাতার তলায় এসে একটি সংগঠন হিসেবেই কাজ করে। কিন্তু, তা কি সহজে হবে? কারণ, এখন তো একাধিক সংগঠনের একাধিক নেতা। কে আর কার নীচে কাজ করবেন!

First published: 10:07:11 AM Aug 27, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर