Corona in West Bengal: ভয়াবহ পরিস্থিতি, এবার কি কমতে চলেছে ব্যাঙ্কের পরিষেবার সময়? চিঠি গেল নবান্ন-দিল্লিতে
- Published by:Suman Biswas
Last Updated:
Corona in West Bengal: কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিল অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক অফিসার্স কনফেডারেশন।
#কলকাতা: দেশে ও রাজ্যে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। প্রতিদিনই রেকর্ডহারে আক্রান্ত হচ্ছেন ব্যাঙ্ক কর্মীরা (Corona in West Bengal)। ফলে ব্যাঙ্কের শাখায় কমছে কর্মীদের উপস্থিতি। একাধিক ব্যাঙ্কও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিল অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক অফিসার্স কনফেডারেশন।
ব্যাঙ্ক সংগঠনগুলির থেকে প্রাপ্ত তথ্য বলছে, এবার শুধু শহর কলকাতায় নয়, মফঃস্বল ও জেলা শহরগুলোতেও ব্যাপক হারে আক্রান্ত হয়েছেন ব্যাঙ্ক কর্মীরা। একাধিক জায়গায় প্রায় ৫০ শতাংশ কর্মী নিয়ে চলছে ব্যাঙ্কের কাজ। রাজ্যে ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী করোনা-গ্রাফ। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ওমিক্রনও।
এই আবহে হাওড়া জেলার বালিতে একটি ব্যাঙ্কের সব কর্মীরা করোনা আক্রান্ত হয়ে পড়ায় বন্ধ হয়েছে রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাঙ্কের ওই শাখা। গত শুক্রবার থেকেই কানাড়া ব্যাঙ্কের বালি বাজার শাখায় গ্রাহক পরিষেবা ব্যাহত। সম্প্রতি, করোনার থাবায় বন্ধ হয়েছে পার্ক স্ট্রিটে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার শাখা।
advertisement
advertisement
জানা গিয়েছে, ৪৬ জন ব্যাঙ্ককর্মীর মধ্যে ৩৫ জনই সংক্রমিত। পার্ক স্ট্রিটের ম্যাগমা হাউসের এসবিআইয়ের শাখা আপাতত বন্ধ করা হয়েছে।শেক্সপিয়র সরণির এসবিআই ব্রাঞ্চেও বেশিরভাগই সংক্রমিত। ৫০ জন কর্মীর ৪৬ জনই সংক্রমিত। যদিও এখনও পরিষেবা জারি রয়েছে এসবিআইয়ের ওই শাখায়। শুধুমাত্র জরুরি ভিত্তিতেই ব্যাঙ্ক চালু রাখার আবেদন করছেন ব্যাঙ্ক সংগঠনের কর্মীরা। ব্যাঙ্কে কাজের সময় এবং কর্মী সংখ্যা কমানোর আর্জি জানান হয়েছে তাদের দেওয়া চিঠিতে।
advertisement
এছাড়াও সপ্তাহে ৫ দিন ব্যাঙ্ক চালু রাখার আবেদন করা হয়েছে অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক অফিসার্স কনফেডারেশনের তরফে। ব্যাঙ্কের কর্মীদের বুস্টার ডোজ দেওয়ার আবেদন এআইবিওসির।রাজ্যে অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক অফিসার্স কনফেডারেশনের অন্যতম নেতা সঞ্জয় দাস জানিয়েছেন, "পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ এই সেক্টরে। প্রায় প্রতিদিন একাধিক কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেকে সুস্থ হলেও দুর্বলতার কারণে তারা কাজে যোগ দিতে পারছেন না। আমরা চাইছি তাই পরিষেবার সময় কমাতে। একই সাথে সপ্তাহে দিন কমানোর জন্যে।"
Location :
First Published :
Jan 10, 2022 9:50 AM IST










