সোদপুরের কারখানায় ভয়াবহ আগুন, আট ঘণ্টা ধরে জ্বলছে এলাকা! দাবি ভিতরেই আটক চার

সোদপুর-বিলকান্দায় গেঞ্জি কারখানায় আগুন।

শেষ পাওয়া খবর অনুসারে, দমকলের ১৫ টি ইঞ্জিন রয়েছে ঘটনাস্থলে। কিন্তু আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি এখনও।

  • Share this:

    #সোদপুর: সোদপুরে এক গেঞ্জি কারখানায় ভয়াবহ আগুন লাগল। সাত ঘণ্টা পরেও দাউদাউ করে জ্বলছে বিলকান্দার ওই কারখানা চত্বর। সূত্রের খবর ওই  কারখানা চত্বরে চারজন আটকে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তাঁদের সঙ্গে কোনও ভাবেই যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। শেষ পাওয়া খবর অনুসারে, দমকলের ১৫ টি ইঞ্জিন রয়েছে ঘটনাস্থলে। কিন্তু আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি এখনও। দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু পৌঁছেছেন ঘটনাস্থলে। দমকল সূত্রে খবর, যে কারখানাটিতে আগুন লেগেছে তা এতই বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে যে যে কোনও মুহূর্তে বাড়ির দেওয়াল ভেঙে আরও বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সেই দিক বিবেচনা করেই বহুতলটিতে প্রবেশ করতে পারছে না বাহিনী।

    আপাতত তাই বাইরে থেকেই চলছে আগুন নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা, কাজ করছে দমকলের রোবট। কারখানার বাইরে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে চারটি বাইক। বেশ কয়েকটি এসি মেশিন থাকায় আগুনের দাপট আরও বেড়েছে। পাশাপাশি বাইরে ঝোড়া হাওয়ার কারণেও আগুন নিয়ন্ত্রণ মুশকিল হয়ে যাচ্ছে। ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে গোটা ঘটনাস্থল। পরিস্থিতি বিবেচনা করে ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রতিবেদকরা মনে করছেন আরও বেশ কয়েক ঘণ্টা লেগে যেতে পারে আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে।

    সূত্রের খবর বুধবার বিলকান্দা শিল্পতালুকে অবস্থিত ওই কারখানায় রাত আড়াইটেয় আগুন লাগে। পরপর কয়েকটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়। দ্রুত ছড়াতে থাকে আগুন। আশেপাশে  রঙের কারখানা থাকায় আগুনের লেলিহান শিখা আরও ছড়াতে থাকে। এখনও পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। তবে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ওই চার ব্যক্তির ভিতরে আটকে থাকা। দমকল সূত্রে খবর, এই কারখানায় ঘটনার সময়ে অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা কোনও ভাবেই কাজ করেনি। কাজ করেননি ফায়ার অ্যালার্মও। এই মুহূর্তে আগুন জ্বলছে কারখানার বেশ কয়েকটি তলায়।

    উদ্বেগের বিষয়, এই ভয়াল পরিস্থিতিতে বাইরে থেকেই কাজ করতে হচ্ছে দমকল আধিকারিকদের। তারা বলছেন আগুন নেভানো এখানে সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। ঘিঞ্জি এই এলাকায় ১৫টির বেশি ইঞ্জিন ঢোকানো সম্ভব হচ্ছে না। কতক্ষণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু।

    Published by:Arka Deb
    First published: