• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • FAKE IAS DEBANJAN DEB TOOK BODYGUARD FROM SECURITY PROVIDER WORK ORDER HAD KMC LOGO AND HOLOGRAM SR

Fake IAS Case: ভুয়ো IAS পরিচয়ে দেহরক্ষী নিয়েছিল দেবাঞ্জন, ওয়ার্ক অর্ডারে ছিল KMC লোগো ও হলোগ্রাম

জেরায় দেবাঞ্জন (Debanjan Deb) জানিয়েছে, বেলিয়াঘাটাতে সিক্যুরিটি প্রোভাইডার কোম্পানিকেও ভুয়ো আইএএসের পরিচয় দিয়ে নিরাপত্তা রক্ষী নিয়েছিল সে | মাসে ৩৪ হাজার বেতন দিত ।

জেরায় দেবাঞ্জন (Debanjan Deb) জানিয়েছে, বেলিয়াঘাটাতে সিক্যুরিটি প্রোভাইডার কোম্পানিকেও ভুয়ো আইএএসের পরিচয় দিয়ে নিরাপত্তা রক্ষী নিয়েছিল সে | মাসে ৩৪ হাজার বেতন দিত ।

  • Share this:

    ARPITA HAZRA

    #কলকাতা: ভ্যাকসিনকাণ্ডে ধৃত দেবাঞ্জনের কুকীর্তির জাল বহুদূর বিস্তৃত | জেরায় দেবাঞ্জন (Debanjan Deb) জানিয়েছে, বেলিয়াঘাটাতে সিক্যুরিটি  প্রোভাইডার  কোম্পানিকেও  ভুয়ো আইএএসের পরিচয় দিয়ে নিরাপত্তা  রক্ষী বা দেহরক্ষী নিয়েছিল সে | ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে একটি  পোর্টাল অনলাইনের মাধ্যমে দেহরক্ষীর জন্য অ্যাড  দেওয়া হয়েছিল | এরপর ওই  নিরাপত্তা  প্রোভাইডার  কোম্পানি  যোগাযোগ  করে দেবাঞ্জনের সঙ্গে | ওই কোম্পানির সিনিয়র ম্যানেজার দেবব্রত মৈত্র  জানান, যখন দেবাঞ্জনের সঙ্গে তিনি  কসবা অফিসে দেখা করতে যান, তাঁর আগে অগ্রিম অ্যাপয়েন্টমেন্ট  করে যেতে হয়েছিল |  অফিসের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতো নীল বাতির গাড়ি |  মোবাইল ফোন বাইরে জমা দিয়ে ভিতরে ঢুকতে হত | মাত্র তিন দিনে  ভুয়ো নথি দিয়ে পাইয়ে দিয়েছিল টেন্ডার  | যেখানে ওয়ার্ক  অর্ডারে KMC লোগো, হলোগ্রাম ছিল | দেহরক্ষীর  জন্য তিন মাসের চুক্তির ভুয়ো টেন্ডার  পাইয়ে দেয় | এমনকি  wbfincorp  থেকে  টাকা দিত প্রতি মাসে |"

    ৩৪ হাজার টাকা দিত মাসে ওই দেহরক্ষীর জন্য যা জিএসটি নিয়ে প্রায়  ৪০  হাজার | তবে তিন মাসের জন্য বললেও মাস দুই পর টারমিনেশন  করে দেয় দেবাঞ্জন  |  কারণ, অজুহাত দেয় পুরোনো দেহরক্ষী ফিরে এসেছে |  ওই কোম্পানির আধিকারিকদের দাবি , চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি  থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত  দেহরক্ষী  রেখেছিল দেবাঞ্জন  | ৩ মাসের চুক্তি হলেও  ২ মাস পরই বলে দেয় আর লাগবে না | ওই  কোম্পানির আধিকারিকদের দাবি দেবাঞ্জন  বলেছিল, " তিনি আইএএস  অফিসার তিনি সরকার  থেকে দেহরক্ষী  পান | তাঁর দেহরক্ষী  প্রয়োজন  |" ওই কোম্পানির অধিকারিকরা ভাবেন সরকারি অফিসারদের সঙ্গে কাজ করলে ভাল রেপুটেশন  হবে | সে কারণেই ওই কোম্পানি চুক্তিতে রাজি হয় |  ভুয়ো KMC লোগো দিয়ে ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয় ওই কোম্পানিকে | কোম্পানি  এক আধিকারিক  জানান, দেবাঞ্জন নিজেকে ব্যাস্ত দেখাত | মিনিট পনেরোর বেশি সময় দিত না | বলতো  তাঁকে যেন সব সময় ফোন না করা হয় | কারণ  তিনি ভীষণ ব্যস্ত মানুষ |

    এই কোম্পানি থেকেই সোনারপুরের বাসিন্দা অরবিন্দ বৈদ্য নামে  দেহরক্ষীকে বা PSO কে পাঠানো হয়েছিল দেবাঞ্জনের জন্য | লালবাজারে  জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দরকারে সহযোগিতা করবেন বলে জানান কোম্পানিরে আধিকারিকরা | এ ভাবেই শুধু পুলিশ, নেতা-মন্ত্রী নয় সামাজিক জীবনেও সর্বত্র  আইএএস -এর পরিচয় দিত দেবাঞ্জন  |  ভুয়ো আইএএসের কুকীর্তির জাল বহুদূর বিস্তৃত  বলেই মনে করছে গোয়েন্দারা|   দেবাঞ্জনকে জেরা করে  চাঞ্চল্যকর তথ্য কলকাতা  পুলিশের সিটের আধিকারিকদের হাতে | পুলিশ  সুত্রে খবর,  হেয়ার স্ট্রিটে প্রতারণার  নতুন অভিযোগ দায়ের হল দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে  | অভিযোগ, এক কোটি দু লক্ষ  টাকার মাস্ক ও  স্যানিটাইজার  স্টকিস্ট-এর থেকে কিনে পেমেন্ট  করেনি দেবাঞ্জন| তাঁকে জেরায় জানা গিয়েছে, ২০২০ সালে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে  দু কোটি  টাকার বেশি লেনদেন  হয়েছে তাঁর |  জাল নথি দিয়ে ২০ লক্ষ টাকা আইসিআইসিআই  থেকে লোন নিয়েছিল সে |  লালবাজারে  ১২ জনকে আজ মোট জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে | এদের মধ্যে কিছু  দেবাঞ্জনের কর্মী ও প্রাক্তন কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে | তাঁরা জানায়, চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নেয় দেবাঞ্জন | এরপর এদেরকে নিজের কোম্পানিতে কর্মী বানিয়ে নেয় বলেই জিজ্ঞাসাবাদে  জানা গিয়েছে  |

    Published by:Simli Raha
    First published: