• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • FAKE IAS DEBANJAN DEB CALLED KOLKATA DISTRICT PRIMARY EDUCATION DEPARTMENT SDG

Kasba Fake IAS|| IAS পরিচয়ে কলকাতার প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষা সংসদ অফিসে ফোন, টিকা জালিয়াত দেবাঞ্জনের নয়া কীর্তি

ভুয়ো আইএএস দেবাঞ্জন দেব। সংগৃহীত ছবি।

কসবা ভুয়ো IAS কাণ্ডে আবারও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেলেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

  • Share this:

    #কলকাতা: কসবা ভুয়ো IAS কাণ্ডে আবারও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেলেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, আইএস পরিচয় দিয়ে দেবাঞ্জন কসবায় অবস্থিত কলকাতা জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষা সংসদের অফিসেও ফোন করেছিলেন।

    সূত্রের খবর, এক থেকে দেড় মাস আগে কলকাতা জেলার প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারপার্সন কার্তিক মান্নাকে ফোন করেন দেবাঞ্জন। নিজেকে আইএএস অফিসার পরিচয় দিয়ে ফোন করেছিলেন। যদিও সেই সময়ে কলকাতা জেলার প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান ফোনে সাফ জানিয়ে দেন, তার যদি কিছু বলার থাকে তিনি যেন দফতরের সচিবের সঙ্গে কথা বলেন নেন। কার্ত্তিক মান্নার দাবি, সেই সময় ফিঙের উল্টোদিক থেকে দেবাঞ্জন দেব তাঁকে হুমকি দেন। দেবাঞ্জন বলেন, 'আমি একজন আইএএস অফিসার। আমার কথা শুনবেন না?' কিন্তু তারপরেও অবশ্য কার্ত্তিক মান্না নিজের বক্তব্যে অনড় থেকেছিলেন। তবে দেবাঞ্জন দেব কসবার প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষা সংসদের অফিসে আর কারও সঙ্গে তখন যোগাযোগ করেছিলেন কিনা, তা অবশ্য দেখা হচ্ছে। সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, কসবা থানা থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে কলকাতা জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষা সংসদের অফিস।

    প্রসঙ্গত, টিকা জালিয়াতি-কাণ্ডে ইতিমধ্যেই রিপোর্ট তলব করেছে স্বাস্থ্য দফতর।কসবা থানা এবং সেন্ট্রাল ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার স্টোরের কাছে  কাছে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। সেন্ট্রাল গোডাউন থেকে টিকা কেনা হয়েছে কিনা বা অভিযুক্ত দেবাঞ্জন কোনও বেসরকারি হাসপাতাল থেকে টিকা কিনেছেন কিনা, বা কেন বিনামূল্যে  ভ্যাকসিন দিচ্ছিলেন তিনি, তা তাকে জেরা করে উদ্ধার করার চেষ্টা চালাচ্ছেন গোয়েন্দা বিভাগের আধিকারিকরা।

    এ দিকে, দেবাঞ্জনকে জেরা করে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। তার দাবি, ‘বাগরি মার্কেট থেকে ভ্যাকসিন কিনেছিল সে। ৫-৬ দিন ধরে টিকাকরণ কর্মসূচি চলছিল। একটি NGO-র সঙ্গে টিকাকরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল।' জেরায় দেবাঞ্জন আরও জানিয়েছে, ‘৪-৫ মাস আগে এলাকাতেই একটি অফিস ভাড়া নেয় সে। ১০-১২ জনকে নিয়োগ করা হয়েছিল টিকা দেওয়ার জন্য। সেই সব কর্মীরা বেতন পেতেন।' তবে দেবাঞ্জনের সঙ্গে এই ঘটনায় আরও কে বা কারা যুক্ত তা এখনও নাগালে পায়নি পুলিশ। অভিযুক্তকে জেরা করে সে কথা থেকে ভ্যাকসিন কিনেছিল, তার সঙ্গে আরও কোনও বড় মাথা জড়িয়ে রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার ২২ জুন কসবা নিউমার্কেট  (Kasba New Market COVID19 vaccination camp) এর কাছে একটি ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প-র আয়োজন করা হয়। বিশেষ ভাবে সক্ষম বাচ্চাদের ও সমকামীদের বিনা মূল্যে টিকা দেওয়ার  ব্যবস্থা করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন সাংসদ অভিনেতা মিমি চক্রবর্তী (MP Actress Mimi Chakraborty)। তিনিও টিকা নেন এই ক্যাম্পে। কিন্তু পরে জানা যায় এই ক্যাম্প-র আয়োজক, দেবাঞ্জন দেব, যিনি নিজেকে আইএএস অফিসার বলে পরিচয় দিতেন, তিনি আদতে কোনও সরকারি আধিকারিকই নন।

    সোমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায় 

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: