গরু পাচার তদন্তে JHM গ্রুপের একাধিক জমির সন্ধান CID-র! মিলল জমির চরিত্র বদলের 'অনুমোদনপত্র'
- Published by:Sanjukta Sarkar
Last Updated:
Cow Smuggling case: অভিযান চালিয়ে যে সমস্ত নথি বাজেয়াপ্ত করেছিল সিআইডি, তাতে ডিএল অ্যান্ড এলআরও অফিস থেকে দেওয়া জমির চরিত্র বদলের অনুমোদন সার্টিফিকেট রয়েছে।
#কলকাতা: গরু পাচার মামলার তদন্তে এবার সিআইডির নজরে জেএইচএম গ্রুপের জমি। শুক্রবার জঙ্গিপুর আদালতে সিআইডির তরফে যে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট ও কেস ডায়েরি জমা দেওয়া হয়েছে তাতে একাধিক জমি সংক্রান্ত তথ্য রয়েছে সূত্রের দাবি। শুধু কোম্পানি বা ট্রাস্টের মাধ্যমে পাচারের টাকা সরানো হয়েছে এমন নয়। রঘুনাথগঞ্জ থানা এলাকার দক্ষিণগ্রাম মৌজাতে একরের পর একর জমি কিনেছেন জাহাঙ্গীর, হুমায়ূন ও মেহেদিরা। সেই সমস্ত জমির নথি সিআইডি বাজেয়াপ্ত করেছে বলে খবর।
এখানেই শেষ নয়, জমি কিনে তাতে তৈরি হয়েছে চাল কল, দাবি সিআইডির। তদন্ত করতে গিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা দফতরের দাবি, বাজার মূল্য থেকে কম দামে সেই সকল জমি কিনেছেন এনামুলের তিন ভাগ্নে। তারপর জেএইচএম গ্রুপের চাল কল খোলা হয়েছে। আর হিসেব যা বলছে তাতে গরু পাচারের লাভের টাকা কালো থেকে সাদা করা হয়েছে বলে দাবি সিআইডির।
advertisement
advertisement
কী ভাবে কেনা হত জমি? সিআইডির এক কর্তার দাবি, এলাকার চাষিদের থেকে অধিকাংশ জমি কার্যত ভয় দেখিয়ে কেনা হয়েছে, সেই তথ্য হাতে এসেছে। তাতে জমির মালিকদের অনেককেই ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে। মূলত প্রভাব খাটিয়ে নিজেদের কর্মকাণ্ড চালিয়েছেলের তিন ভাই। সিআইডির আরও দাবি, তাদের দেওয়া চার্জশিট ও কেস ডায়েরিতে এনামুলের তিন ভাগ্নের জমি নিয়ে তথ্য দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে জমির চরিত্র বদল নিয়েও তথ্য রয়েছে।
advertisement
অভিযান চালিয়ে যে সমস্ত নথি বাজেয়াপ্ত করেছিল সিআইডি, তাতে ডিএল অ্যান্ড এলআরও অফিস থেকে দেওয়া জমির চরিত্র বদলের অনুমোদন সার্টিফিকেট রয়েছে। সেগুলি কেস ডায়েরিতে উল্লেখ বলেই সূত্রের খবর। এই জমিগুলো নিয়েই বিস্তারিত ভাবে সন্ধান শুরু করল সিআইডি। উল্লেখ্য পাঁচ সংস্থা ও দুটি ট্রাস্টের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা অন্যত্র সরানোর অভিযোগ রয়েছে এদের বিরুদ্ধে। এবার জুড়ল গরু পাচারের টাকা পাচারে জমিতে লগ্নির তথ্য।
Location :
First Published :
Nov 06, 2022 5:08 PM IST










