corona virus btn
corona virus btn
Loading

হাসপাতালের কাজে যুক্ত বাস স্যানিটাইজ করার দাবি 

হাসপাতালের কাজে যুক্ত বাস স্যানিটাইজ করার দাবি 

এই বাসে করেই স্বাস্থ্যকর্মী সহ বাকিদের নিয়ে যাতায়াত করা হয়।

  • Share this:

#কলকাতা: জীবাণু মুক্ত করা হোক বাস। বাস সংগঠনের তরফ থেকে চিঠি দেওয়া হল রাজ্য সরকারের কাছে। কলকাতা এবং জেলায় যে সমস্ত বাস বিভিন্ন হাসপাতালের কর্মীদের নিয়ে যাতায়াত করছে সেগুলিকে সম্পূর্ণ ভাবে জীবাণুমুক্ত করার জন্য রাজ্য পরিবহন দফতর ও রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর কে অনুরোধ জানাল সমস্ত বাস সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

কলকাতার বিভিন্ন হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়ে যাতায়াত করার জন্য প্রথমে বাছাই করা হয়েছিল ২২টি বাস। তার মধ্যে ৩টি বাস তুলে নেওয়া হয়। মোট ১৯টি বাস কলকাতার রাস্তায় নেমেছে। কলকাতার সবকটি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে প্রতিদিন এই বাসে করেই স্বাস্থ্যকর্মী সহ বাকিদের নিয়ে যাতায়াত করা হয়। এই সব বাসের যারা চালক ও কন্ডাক্টর যারা আছেন তাদের তরফ থেকে বাস সংগঠনের কাছে আবেদন করা হয় তারা যেন বাস জীবাণু মুক্ত বা স্যানিটাইজেশনের কাজ করে দেয়। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে বেসরকারি বাস সংগঠনগুলির তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় তাদের পক্ষে তো আর বাস স্যানিটাইজ করা সম্ভব নয়। এই কাজ সরকারকেই করতে হবে।

সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই রাজ্য সরকারকে চিঠি দিল বাস সংগঠনের প্রতিনিধিরা। করোনা মোকাবিলায় দু-মাস আগে থেকেই রাজ্য সরকার বিভিন্ন সরকারি বাস ডিপোতে শুরু করে দিয়েছিল বাস স্যানিটাইজেশনের কাজ। কিন্তু বেসরকারি বাস স্যানিটাইজেশন তো আর সরকারি বাস ডিপোয় হবে না। তাই সাহায্য চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে। বাস-মিনিবাস সংগঠনের অন্যতম নেতা প্রদীপ বসু জানান, "আমাদের যে সমস্ত কর্মীরা বাস চালাচ্ছেন তারা আসলে ভয় পাচ্ছেন। তাই তারা চাইছেন বাস স্যানিটাইজ করা হোক।" একই বক্তব্য বাস সংগঠনের নেতা তপন বন্দোপাধ্যায়ের। তার দাবি, " সরকারের কাজেই তো এই বাসগুলি ব্যবহার হচ্ছে। তাই সরকারের উচিত এই বাসগুলি যথাযথ ভাবে স্যানিটাইজ করা। আমাদের যারা শ্রমিক আছেন তাদেরও তো জীবন আছে। পরিবার আছে।" একই বক্তব্য জেলার বাস সংগঠনের নেতা রাহুল চ্যাটার্জির। তিনি জানাচ্ছেন, " এই সমস্যা তো শুধু কলকাতার নয়। জেলার হাসপাতালেও আমাদের একাধিক বাস চলে।সেই বাসগুলিও তো স্যানিটাইজ প্রতিদিন করা উচিত।" সংগঠনগুলির দাবি আবেদন জানানো হলেও এই কাজ করা হচ্ছেনা। তারা চাইছেন রাজ্য সরকার এই কাজ করুক। তার ফলে প্রত্যেকের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যাবতীয় অসুবিধা বা অভিযোগ যা ছিল তা মিটে যাবে।

ABIR GHOSHAL

First published: April 28, 2020, 8:18 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर