advertisement

KMC Election: ডাকনামের পরিচয়ই অস্ত্র, শহরের পুরভোটে প্রার্থীরা যাচ্ছেন গোপাল, সনু, মঞ্জুদি হয়ে

Last Updated:

KOLKATA MUNICIPAL ELECTIONS: এই ভোট পাড়ার ভোট। পাড়ার নানান সমস্যা, উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নাগরিকদের পাশে থাকার অঙ্গীকার। কলকাতা পুরভোটে তাই প্রিয়জনদের মধ্যে আবেগ- ভালোবাসার বন্ধনে নিজেদের ডাক নামও জড়িয়ে রাখতে চাইছেন প্রার্থীরা।

নিজস্ব চিত্র
নিজস্ব চিত্র
#কলকাতা:  'নামে কী বা আসে যায়, গোলাপে যে নামে ডাকো, গন্ধ তাতে রয়',  শেক্সপিয়রের ‘রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট’ নাটকের চিরকালীন সংলাপ! তবে নামে কিন্তু সত্যি সত্যি কিছু আসে যায়! বিশেষত সে নাম যদি হয় মনের কাছাকাছি। তাই নিজের নামের সঙ্গে যেন রোজই আরও একটু করে নতুন করে পরিচয় হচ্ছে কলকাতা পুরভোটের প্রার্থীদের (KMC ELECTIONS 2021)।
যুযুধান তৃণমূল হোক বা বিজেপি, সিপিআইএম  হোক বা কংগ্রেস। প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরপরই প্রচারে কোমর বেঁধেছে সব্বাই। রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের দলীয়  মতাদর্শ , বিরোধিতা,  কটাক্ষ, অভিযোগের বোমা থেকে উন্নয়নের খতিয়ান, প্রচারে কোনও কিছুই বাদ দিচ্ছে না। তবে এখানেই যেন ব্রহ্মাস্ত্র নাম। পাড়ার ছেলেটা বা মেয়েটার ডাক নাম উল্লেখ করে যেন আরও একটু কাছের করে তোলার চেষ্টা প্রার্থীকে।  প্রচারে সেই বিষয়টাকেও হাতিয়ার করছেন পুরভোটে প্রার্থী হওয়া অনেকেই। তা সে যে রাজনৈতিক দলেরই হোন না কেন। প্রচারের ফ্লেক্স থেকে হোক বা দেওয়াল লিখন। পোস্টার থেকে  হোডিংয়ে শাসক-বিরোধী অন্তত একটি বিষয়ে 'জোটবদ্ধ'।
advertisement
কলকাতার বিভিন্ন ওয়ার্ডে দেখা মিলল, প্রচারের বিভিন্ন মাধ্যমে প্রার্থীর আসল নামের সাথে সাথে উল্লেখ রয়েছে সেই প্রার্থী পাড়ায় কী নামে জনপ্রিয়- পরিচিত।  ব্যানার ফ্লেক্স পোস্টার হোডিংয়ে জ্বলজ্বল করছে প্রার্থীর আসল নামের পাশাপাশি সেই প্রার্থীর ডাক নামও।  প্রার্থী বলছেন, প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গেলে তো পাড়ার লোক যে নামে আমার সঙ্গে পরিচিত সেই নামটা প্রচারে উল্লেখ করতেই হয়। সেই কারণেই ডাক নামের ব্যবহার'।
advertisement
advertisement
আরও পড়ুন: বড়দিনে বড় লক্ষ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, হাওয়া বুঝেই ফের গোয়ায় পা!
এই ভোট পাড়ার ভোট। পাড়ার নানান সমস্যা, উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নাগরিকদের পাশে থাকার অঙ্গীকার। কলকাতা পুরভোটে তাই প্রিয়জনদের মধ্যে আবেগ-  ভালোবাসার বন্ধনে নিজেদের ডাকনামও জড়িয়ে রাখতে চাইছেন প্রার্থীরা। যেমন ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল প্রার্থীর আসল নাম তারক নাথ চট্টোপাধ্যায়। পাড়ায় পরিচিত রবীন নামে। ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের সিপিআইএম প্রার্থীর আসল নাম প্রশান্ত দে। পাড়ায় পরিচিত গোপাল নামে। ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস প্রার্থীর আসল নাম আলি হোসেন।  পাড়ায় তিনি পরিচিত সনু নামে। অন্যদিকে ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থীর আসল নাম মঞ্জু জয়সওয়াল হলেও শ্বশুর বাড়ির ওয়ার্ড এলাকায় কিংবা দলেও তিনি 'মঞ্জু দি' নামেই বেশি পরিচিত।
advertisement
মঞ্জুদেবীর  পুরো নাম যে মঞ্জু জয়সওয়াল তা অনেকের কাছেই অজানা। তাই ভোট প্রচারেও অন্যান্যদের মতো নিজের ওয়ার্ডে সকলের পরিচিত 'মঞ্জু দি' কে ভোট দেওয়ার আবেদন জানিয়ে হাজির হচ্ছেন মঞ্জু জয়সওয়াল। প্রচার ব্যানার পোস্টারেও উল্লেখ মঞ্জু দি। তবে শুধুমাত্র প্রধান রাজনৈতিক দলের এই চার প্রার্থীই নন, কলকাতা পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে নজর রাখলেই দেখা মিলছে এই একই ছবির। পাড়ার ছেলে-মেয়েদের যেন আরও পাড়ার চেনামুখ পরিচয়কে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা।
advertisement
VENKATESWAR LAHIRI 
view comments
বাংলা খবর/ খবর/কলকাতা/
KMC Election: ডাকনামের পরিচয়ই অস্ত্র, শহরের পুরভোটে প্রার্থীরা যাচ্ছেন গোপাল, সনু, মঞ্জুদি হয়ে
Next Article
advertisement
West Bengal Opinion Poll: বাংলায় এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই? কত আসন পেতে পারে তৃণমূল-বিজেপি, News 18-এর তৃতীয় জনমত সমীক্ষায় বড় ইঙ্গিত
বাংলায় এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই? কত আসন পেতে পারে তৃণমূল-বিজেপি, News 18-এর তৃতীয় জনমত সমীক্ষায় বড় ইঙ্গিত
  • বাংলায় বিধানসভা ভোটে এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই?

  • কার দখলে কত আসন, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কাকে পছন্দ?

  • News 18 জনমত সমীক্ষায় চমকে দেওয়া ইঙ্গিত৷

VIEW MORE
advertisement
ফরচুন কুকি
ফরচুন কুকি ভাঙুন আর ঝটপট জেনে নিন, আজ আপনার জীবনে কী সারপ্রাইজ লুকিয়ে আছে!
fortune cookie
advertisement