• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • বুধবার হাইকোর্টে প্রাথমিক টেট মামলার রায়, টেট কি বাতিল হবে? অপেক্ষায় ২৩ লক্ষ প্রার্থী

বুধবার হাইকোর্টে প্রাথমিক টেট মামলার রায়, টেট কি বাতিল হবে? অপেক্ষায় ২৩ লক্ষ প্রার্থী

File Photo

File Photo

২০১৫ সালে প্রাথমিকের টেটের ৯ নম্বর প্রশ্নে কী ছিল? দেখা যাচ্ছে ওই প্রশ্নটি হল, প্রাচ‍্য শব্দটিকে বিশেষ‍্য করলে হয়, ক - প্রচেত, খ - প্রাচী গ - প্রাচীন এবং ঘ - প্রাচ‍্যা৷ পর্ষদের উত্তর ছিল ঘ অর্থাৎ প্রাচ‍্যা৷ কিন্তু, সূত্রের দাবি, কমিটি জানিয়েছে, এটি ভুল। সঠিক উত্তর হবে খ - প্রাচী।

  • Share this:

    #কলকাতা: আগামী বুধবার হাইকোর্টে প্রাথমিক টেট মামলার রায়। পর্ষদের উত্তরে ভুল থাকলে কী হবে? নতুন করে কি তালিকা তৈরি করতে হবে? টেট কি বাতিল হয়ে যেতে পারে? এরকমই নানা প্রশ্নের উত্তর মিলবে বুধবার।

    উত্তরে বিভ্রান্তির জটে প্রাথমিক টেট। বিশ্বভারতীর উপাচার্যকে কমিটি গড়ে কোনটা ঠিক উত্তর, কোনটা ভুল তা রিপোর্ট আকারে জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রাথমিক সেই রিপোর্ট পেয়ে গত মাসেই আদালত জানিয়ে দেয়, ৬টি প্রশ্নে পর্ষদের দেওয়া উত্তরে ভুল-ভ্রান্তি রয়েছে। সূত্রের দাবি, আদালতে জমা পড়া প্রাথমিক রিপোর্টে, ৯, ২২ এবং ২৫, এই তিনটি প্রশ্নে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের উত্তরকে ভুল বলেছে কমিটি।

    ২০১৫ সালে প্রাথমিকের টেটের ৯ নম্বর প্রশ্নে কী ছিল? দেখা যাচ্ছে ওই প্রশ্নটি হল, প্রাচ‍্য শব্দটিকে বিশেষ‍্য করলে হয়, ক - প্রচেত, খ - প্রাচী গ - প্রাচীন এবং ঘ - প্রাচ‍্যা৷ পর্ষদের উত্তর ছিল ঘ অর্থাৎ প্রাচ‍্যা৷ কিন্তু, সূত্রের দাবি, কমিটি জানিয়েছে, এটি ভুল। সঠিক উত্তর হবে খ - প্রাচী।

    ২২ নম্বর প্রশ্নে ছিল দুঃসাহসিক শব্দটিকে বর্ণবিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়....এই বলে চারটি উত্তর দেওয়া হয়। পর্ষদের উত্তর অনুযায়ী, গ সঠিক৷ কিন্তু, সূত্রের খবর, কমিটি জানিয়েছে, কোনও উত্তরই নিখুঁত নয়।

    ২৫ নম্বর প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছিল নীচের কোনটি শুদ্ধ? বোর্ডের উত্তর ছিল সি৷ কিন্তু, প্রাথমিক রিপোর্টে কমিটির দাবি, এক্ষেত্রেও চারটির মধে কোনও উত্তরই নিখুঁত নয়।

    কমিটির এই প্রাথমিক রিপোর্ট হাইকোর্টে চূড়ান্ত মান্যতা পেলে এই সব প্রশ্নগুলির উত্তর দেওয়ার যাঁরা চেষ্টা করেছেন তাঁদেরই পুরো নম্বর দেওয়া দস্তুর। সে ক্ষেত্রে, যাঁরা ভুল উত্তর দিয়েছেন, তাঁরাও নম্বর পেয়ে যাবেন। এ নিয়ে নতুন করে জটিলতা তৈরি হতে পারে।

    নিয়োগের তালিকা যদি নতুন করে তৈরি করতে হয় তাহলে চল্লিশ হাজার যে ইতিমধ‍্যেই নিয়োগ হয়েছে, তাঁদের কী হবে? তাঁদের চাকরি নিয়ে কি কোনও আশঙ্কা থাকছে? এক্ষেত্রে আইনজীবী মহলের একাংশ, ত্রিপুরার টেটের উদাহরণ টেনে আনছেন। সেখানে ওসিবি ও অন্যান্য সংরক্ষণ পক্রিয়া ঠিক মতো না-হওয়ায় টেটই বাতিলই করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এক্ষেত্রেও কি তেমন কোনও অশনি সংকেত রয়েছে? বিশ্বভারতীর রিপোর্ট মানা থেকে বেঁকে বসতে পারে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। তারা প্রশ্ন তুলতে পারে, সঠিক উত্তর কী, তা জানার জন্য অন্য বিশ্ববিদালয়ের থেকেও কেন রিপোর্টও চাওয়া হবে না? কিন্তু, এই দাবি কতটা গ্রাহ্য হবে তা নিয়ে আইনজীবীদের অনেকেরই সন্দেহ রয়েছে। কারণ, পর্ষদের সম্মতিতেই বিশ্বভারতীর উপাচার্যের থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠায় হাইকোর্ট।

    First published: