corona virus btn
corona virus btn
Loading

বাস চালানো নিয়ে সহমত পোষণ করতে পারল না সংগঠনগুলি  

বাস চালানো নিয়ে সহমত পোষণ করতে পারল না সংগঠনগুলি  
গণপরিবহণ চালু করার আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী৷ PHORO- FILE

১৬৮০ বাস রয়েছে গ্রীন জোনে

  • Share this:

#কলকাতা: বাস চালানো নিয়ে সহমত পোশন করতে পারল না বেসরকারি বাস সংগঠনগুলি। ফলে রাজ্যের আট জেলা যা গ্রীন জোন হিসেবে ঘোষিত সেখানে বাস চলা নিয়ে সিদ্ধান্ত হল না। ফলে আট জেলায় ১৬৮০ বাস চললেও সেই বাস চলা নিয়ে সিদ্ধান্ত হল না। যদিও রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে এই সব গ্রীন জোনে সরকারি পরিবহন নিগম মারফত বাস চলবে। তবে আট জেলায় কত সংখ্যক সরকারি বাস চালানো হবে তা জানানো হয়নি। অরেঞ্জ ও রেড জোনে বাস চালানো নিয়ে এখনও কোনও আলোচনা হয়নি।

বাস সংগঠন সূত্রে খবর, গ্রীন জোনের মধ্যে সব চেয়ে বেশি বাস চলে বীরভূমে। সেখানে মোট ৬৪২ বাস চলে। যদিও জেলার মধ্যে বাস চলে ৪১২টি। বাঁকুড়া জেলায় বাস চলে ৪৫০টি। যদিও জেলার মধ্যে বাস চলে ৯০টির কাছাকাছি। পুরুলিয়াতে বাস চলে ৪৫৬ টি। যদিও জেলার মধ্যে বাস চলে ২৪৯ টি। ঝাড়গ্রামে বাস চলে ১৫৬টি। যদিও জেলার মধ্যে বাস চলে ৮২টি। দক্ষিণবঙ্গ বিভিন্ন জেলায় এই হচ্ছে বাসের সংখ্যা আর জেলায় চলা বাসের সংখ্যা। একই ছবি ধরা পড়ছে উত্তরের জেলাগুলোর ক্ষেত্রেও। কোচবিহারে সবচেয়ে বেশি বাস চলে। সেখানে ৯৭১টি বাস চলে। কিন্তু জেলার মধ্যে চলে ৪৩১ খানা বাস। দক্ষিণ দিনাজপুরে চলে ৩০৯ বাস। যদিও জেলার মধ্যে চলে ১০৩ বাস। উত্তর দিনাজপুরে চলে ৪১১ টি বাস। যদিও জেলার মধ্যে বাস চলে ১০৯ টি। আলিপুরদুয়ার জেলায় বাস চলে ৩০৭ খানা বাস। যদিও জেলার মধ্যে চলে ২০১ টি বাস। এমনই হিসেব জমা পড়েছে রাজ্য পরিবহন দফতরের তরফ থেকে।

সারা বাংলা বাস মিনিবাস সমন্বয় সমিতির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, "জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুরত্বে যে বাস চলে তাতে অন্তত যে সংখ্যক যাত্রী হয়, এখন তো তাও হবে না। তার মধ্যে মাত্র ২০ জন যাত্রী। নুন্যতম ভাড়া যদি আমরা মাথা পিছু ১০ টাকা করে ধরি তাহলে এক ট্রিপে ২০০ টাকা গড়ে পাব। দিনে ৬ টি ট্রিপ করলে আমরা হয়তো ১২০০ টাকা পাব। আর প্রতিদিন আমাদের খরচ হবে ৬০০০ টাকা।" বাস সংগঠনের হিসেব অনুযায়ী, প্রতিদিন চালককে দিতে হয় ৮০০ টাকা। কন্ডাক্টরকে দিতে হয় ৫০০ টাকা। হেল্পারকে দিতে হয় ৩০০ টাকা। জ্বালানি বাবদ খরচ ২০০০ টাকা। ই এম আই ১৭০০ টাকা। এছাড়া অন্যান্য খরচ ৫০০ টাকা। প্রায় ৬০০০ টাকা দৈনিক খরচ। আর বাস চালিয়ে পাওয়া যাবে মাত্র ১২০০ টাকা। ফলে খরচের মাত্র একগুণ। বাস সংগঠনের নেতা রাহুল চ্যাটার্জি জানিয়েছেন, "জেলায় প্রায় ৫৫ আসনের বাস চলে। বসে দাঁড়িয়ে ৭০ জন যাত্রী চলাচল করেন। কিন্তু এখানে সেই সংখ্যা ২০তে বেঁধে রাখা হয়েছে।" অপর নেতা তপন বন্দোপাধ্যায়ের দাবি, " সবই তো বন্ধ। বাস চাপার লোক কোথায়? তাও মাত্র ২০ জন যাত্রী নিয়ে। আমাদের চলবে কি করে বলুন তো।" যাত্রী ভাড়ার প্রশ্নে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে। তা মেটাতে সরকারের মুখাপেক্ষী হয়ে আছে বাস সংগঠনগুলি।

ABIR GHOSHAL

Published by: Ananya Chakraborty
First published: May 6, 2020, 11:02 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर