ছবিতে স্থাপত্যে স্তন্যপানের অনন্য গল্প, মেয়ের স্তন্যপান করে বাবার বেঁচে থাকা

ভারতের ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যগুলির মধ্যে প্রথম ৷ বাচ্চাকে খাওয়ানোর জন্য স্তন্যদাত্রী মহিলাদের জন্য ফিডিং রুমের ব্যবস্থা করল তাজমহল ৷ সদ্যজাত শিশুকে নিয়ে প্রেমসৌধে ঘুরতে যেতে আর কোনও বাধা রইল না ৷

  • Share this:

    #কলকাতা: মায়ের বুক দুধ খেয়ে শিশু বড় হবে, অথচ তা খাওয়াতে হবে আড়াল করে। এই ট্যাবু নিয়ে বিতর্কের মাঝেই বিদেশের কিছু ছবি আর স্থাপত্য দেখে নিই, যা স্তন্যপানের এক অনন্য গল্প বলে।

    এই ছবিগুলোর পিছনে একটা গল্প লুকিয়ে আছে। সেই গল্পই বলে বেলজিয়ামের ঘেন্তের জেলের মেন গেটের এই স্থাপত্য। এই স্থাপত্য বা এই ছবিগুলোতে লুকিয়ে আছে রোমের এক পুরোন গল্প। এক বন্দীকে না খেতে দিয়ে মেরে ফেলার আদেশ ছিল। তেষ্টার জলটুকুও যেন না জোটে। অনেক আর্জি জানানোর পর একমাত্র ওই বন্দীর মেয়ে তাঁর সঙ্গে দিনে একবার দেখা করার সুযোগ পেতেন। তাও আগে তল্লাসি করে দেখে নেওয়া হতো, মেয়ে সঙ্গে খাবার নিয়ে যাচ্ছেন কিনা। অভূক্ত রেখে মারার কঠিন সাজার পরেও ওই বৃদ্ধ বন্দী ছ মাস বেঁচে ছিলেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেল, ছ মাস ধরে একবেলা করে ওই বৃদ্ধের মেয়ে নিজের সন্তানের খাবারের ভাগটুকু দিয়ে বাবাকে যেতেন অর্থাৎ ওই বৃদ্ধকে স্তন্যদান করে যেতেন। যা ওই বৃদ্ধকে বাঁচিয়ে রেখেছিল। মেয়ের স্তন্যপান করে বাবার জীবন ধারণের এই অনন্য নজিরে শাসনযন্ত্রও নরম হয়। মুক্তি পান ওই বৃদ্ধ। আর বছরের পর বছর ধরে জেলের মেন গেটের কাছে ওই স্থাপত্য বলে যায় সেই রূপকথার গল্প। যা পরে বহু শিল্পীর ক্যানভাসে বারবার জীবন্ত হয়ে ওঠে।

    First published: