Saayoni Ghosh: আপোষহীন লড়াইয়ের বার্তা সায়নীর, বন্ধুর জেদকে শুভেচ্ছা 'বিরোধী' রিমঝিমের

সায়নী ঘোষ।

শনিবারই তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন সায়নী ঘোষ (Saayoni Ghosh)।

  • Share this:

    #কলকাতা: অনেকেই বলছেন উল্কার মতো উত্থান। অনেকে আবার যোগ্য ব্যক্তি বলে সাধুবাদ দিচ্ছেন। তবে সায়নী ঘোষ (Saayoni Ghosh) কোনও প্রশংসা বা সমালোচনাতেই গা ভাসাতে রাজি না। বরং তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে এমন গুরুদায়িত্ব পেয়ে কাজেই মন দিতে চান তিনি। গত শনিবারই তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন সায়নী ঘোষ। অভিষেকে বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেড়ে যাওয়া পদেই অভিষেক হবে সায়নীর। যুব তৃণমূলের সভাপতি পদে নিয়ে আসা হল অভিনেত্রী-রাজনীতিক সায়নী ঘোষকে। আর দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন অভিষেক।

    গত শনিবার দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক বসেছিলেন তৃণমূলে শীর্ষ নেতা-নেত্রীরা। দলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। অভিষেককে শাখা সংগঠন থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মূল সংগঠনে। তাঁকে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অভিষেকের শূন্য পদেই সায়নীর নেত্রী হিসেবে অভিষেক ঘটল। সায়নীর এমন উত্তরণকে ভালো চোখেই দেখছেন তাঁর ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুরা। তবে উল্লেখযোগ্য, অভিনয় জগতের বন্ধু ও বিজেপি নেত্রী রিমঝিম মিত্রও সৌজন্য দেখিয়েছেন সায়নীকে।

    শুক্রবার নিজের দায়িত্ব পাওয়ার আগের দিন ফেসবুকে নিজের একটি ছবি পোস্ট করে সায়নী লিখেছিলেন, 'যদি আমি কোনওদিন মাথা নীচু করি, তবে তা শুধুমাত্র আমার জুতোর কারণেই হবে।' অর্থাৎ, কোনও কিছুতেই মাথা নত করতে তিনি যে রাজি নন, সে কথা সদর্পে দায়িত্বের আগেই ঘোষণা করে দিয়েছেন সায়নী। আর সেখানেই বিজেপির বন্ধু রিমঝিম মিত্র তাঁকে বন্ধু সম্বোধন করে লিখেছেন, 'বন্ধু, খুব মন দিয়ে কাজ কর'।

    রাজনৈতিক মহলের মতে, এ একেবারেই সৌজন্যের খাতিরে পোস্ট। এর পিছনে অন্য কোনও উদ্দেশ্য দেখছেন না তাঁরা। তবে অনেকেরই মত, সায়নীর এই উত্থান বিরোধীদের অনেককেই ফের একবার ভাবতে বাধ্য করবে। বিশেষ করে তাঁর বিজেপিপন্থী ইন্ডাস্ট্রির 'বন্ধু'দের। অনেকেই দল ছাড়তে পারেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    রিমঝিমের কমেন্ট। রিমঝিমের কমেন্ট।

    ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে সায়নীকে মমতা আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্রে প্রার্থী করেন। সেখানে যদিও সায়নী হেরে যান বিজেপি-র অগ্নিমিত্রা পালের কাছে। কিন্তু তৃণমূল এবং আসানসোলের সঙ্গে যোগাযোগ ছিন্ন করেননি। বরং করোনা এবং কার্যত লকডাউনের পরিস্থিতিতে বার বারই গিয়েছেন আসানসোল। ত্রাণ বিলি করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নানা সমস্যায় তিনি পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিলেন। সেই আবহেই তাঁকে দলের যুব সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া হল। যুব তৃণমূূলের সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর সংবাদমাধ্যমে সায়নী বলেছেন, 'তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে কৃতজ্ঞ থাকব। দায়িত্ব যখন পেয়েছি, এই মুহূর্ত থেকে কাজ শুরু করতে চাই।'

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: