• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • BJP MP SOUMITRA KHAN APOLOGIZED FOR HIS CONTROVERSIAL STATEMENT ABOUT DILIP GHOSH AND SUVENDU ADHIKARI SB

Soumitra Khan: অমিত-নির্দেশে দিলীপ-শুভেন্দুর সঙ্গে সন্ধি! 'ভুল' করে ক্ষমাপ্রার্থী সৌমিত্র খাঁ

সন্ধি!

Soumitra Khan: রবিবার বিজেপির হেস্টিংস অফিসে বিজেপি যুব মোর্চার কার্যকারিণী সভায় উপস্থিত হয়ে রীতিমতো ক্ষমা চেয়ে নিলেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

  • Share this:

    #কলকাতা: সম্প্রতি নানান মন্তব্য করে দলের মধ্যেই শোরগোল ফেলেছিলেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। কখনও শুভেন্দু অধিকারীকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেছেন, কখনও আবার সরাসরি নিশানা করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে। এমনকী ক্ষোভের চোটে বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগও করেছিলেন তিনি। পরে অবশ্য সেই পদত্যাগপত্র নিজেই ফিরিয়ে নেন। কিন্তু সৌমিত্রকে নিয়ে ক্রমেই ক্ষোভ বাড়ছিল গেরুয়া শিবিরের অন্দরে। এই পরিস্থিতিতে সৌমিত্রকে দিল্লি ডেকে 'বুঝিয়ে' দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আর তার পরেই যেন বদলে গিয়েছেন সৌমিত্র। রবিবার বিজেপির হেস্টিংস অফিসে বিজেপি যুব মোর্চার কার্যকারিণী সভায় উপস্থিত হয়ে রীতিমতো ক্ষমা চেয়ে নিলেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ।

    রবিবারের বৈঠকে সকলকেই কিছুটা অবাক করে দিয়ে সৌমিত্র বলেন, ‘যুব মানে লড়াই হবে। তবে তারই মধ্যে মাঝেমাঝে ভুলও হবে। আমারও কিছু ভুল হয়েছিল। ফেসবুকে ব্যক্তিগত মত প্রকাশ করাটা অবশ্যই আমার ভুল ছিল। সে জন্য সবার কাছে আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।’ রাজনৈতিক মহলের মতে, আসলে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকেই সৌমিত্রকে মুখ বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশই পালন করেছেন সৌমিত্র।

    প্রসঙ্গত, গত ৭ জুলাই কেন্দ্রের নতুন মন্ত্রিসভা ঘোষণার পরই ক্ষোভে যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা ঘোষণা করেছিলেন সৌমিত্র। দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে একাধিক মন্তব্য করেছিলেন তিনি। শুভেন্দু প্রসঙ্গে সৌমিত্রের মন্তব্য ছিল, ‘বিরোধী দলনেতা নিজেকে বিরাট করে জাহির করছেন। যখন উনি তৃণমূলে ছিলেন তখনও নিজেকে বিশাল কিছু মনে করতেন। এখন উনি যেমন করছেন, তাতে মনে হচ্ছে, বিজেপিতে শুধু ওঁরই অবদান আছে, আমাদের কোনও ত্যাগ নেই। নতুন নেতা হঠাৎ করে এসে যে ভাবে দিল্লির নেতাদের ভুল বোঝাচ্ছেন, তাতে গোটা দল একটা জেলার মধ্যে চলে আসছে।' একইসুরে দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধেও সৌমিত্রের কটাক্ষ ছিল, 'আমাদের রাজ্য সভাপতিকে কিছু বললে অর্ধেক বোঝেন, অর্ধেক বোঝেন না।'

    এরপরই সৌমিত্রের দলবদল নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। বিজেপির অন্দরে গুঞ্জন ওঠে, তাহলে কি তৃণমূলে ফিরে যাওয়ার জন্যই দলের বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ? যদিও তৃণমূলে ফেরার সম্ভাবনা আগেই নাকোচ করে দিয়েছিলেন সৌমিত্র নিজেই। এই পরিস্থিতিতে দিল্লিতে সৌমিত্রকে ডেকে পাঠানো হয়। বৈঠক হয় অমিত শাহের সঙ্গেও। আর সেই বৈঠকের পরই ভোলবদল তাঁর। নিজের 'ভুলের' জন্য রীতিমতো ক্ষমাপ্রার্থনা করতে হল সৌমিত্র খাঁ'কে।
    Published by:Suman Biswas
    First published: