• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • অগ্নিমূল্য পেট্রোল-ডিজেল, জ্বালানি খরচ কমাতে পথ দেখাচ্ছে বায়ো গ্যাস

অগ্নিমূল্য পেট্রোল-ডিজেল, জ্বালানি খরচ কমাতে পথ দেখাচ্ছে বায়ো গ্যাস

Representational Image

Representational Image

পেট্রোপণ্যের অগ্নিমূল্যে বায়ো গ্যাস তাই হয়ে উঠতে পারে বিকল্প জ্বালানি।

  • Share this:

    #কলকাতা:  দিন দিন বাড়ছে পেট্রোল ডিজেলের দাম। বাড়ছে পরিবহনের খরচ। বাড়ছে দূষণও। এই সময় আশার আলো দেখাচ্ছে বায়ো গ্যাস পরিষেবা। তুলনামূলক অনেক কম খরচে বায়ো গ্যাসের মাধ্যমে চালানো যেতে পারে গাড়ি। তবে অনুমোদন না থাকায় এখনই বাসে মিলছে না বায়ো গ্যাস ব্যবহারের অনুমতি।

    মহার্ঘ পেট্রোল ডিজেল। কপালে চিন্তার ভাঁজ বাইক বা গাড়ির মালিকদের। এই সময়ই পেট্রোল-ডিজেলের বিকল্প জ্বালানির পথ দেখাচ্ছে বায়ো গ্যাস। ২০১৮ সালে এখনও পর্যন্ত ৪৭টা পেট্রোল ডিজেল চালিত চার চাকার গাড়িতে বসানো হয়েছে বায়ো গ্যাস কনর্ভাটার। তবে চলতি মাসে এর হার সব থেকে বেশি। মে মাসে এখনও পর্যন্ত এই সংখ্যা ৩২টি।

    পেট্রোল (প্রতি লিটার) প্রায় ৮০ টাকা ডিজেল (প্রতি লিটার) প্রায় ৭২ টাকা বায়ো গ্যাস (প্রতি কেজি) ২০ টাকা

    বায়ো গ্যাসে মাইলেজ পেট্রোল বা ডিজেলের থেকেও কিছুটা বেশি। দাবি বায়ো গ্যাস কনভার্টার প্রস্তুতকারী সংস্থার। এছাড়া বায়ো গ্যাস পেট্রোলিয়াম এণ্ড এক্সপ্লোসিভ সেফটি অর্গানাইজেশন দ্বারা অনুমোদিত। ফলে বিস্ফোরণের ভয় নেই। বাড়ছে চাহিদা।

    বাইক বায়ো গ্যাসে রূপান্তরে খরচ প্রায় ২৭ হাজার টাকা পেট্রোল বা ডিজেলের গাড়িতে রূপান্তরে খরচ প্রায় ৪৫ হাজার টাকা

    বায়ো গ্যাসে চললে দূষণের মাত্রাও অনেকটা কমে। তবে ডিজেল বা সিএনজি থেকে বাসের বায়ো গ্যাসে রূপান্তরের ক্ষেত্রে কেন্দ্র ও রাজ্যের অনুমোদন এখনও নেই। বাস বায়ো গ্যাসে চললে ব্লু বুকে লেখা হচ্ছে সিএনজির কথা। ফলে ইচ্ছে থাকলেও বাস মালিকরা বায়ো গ্যাসে বাস চালাতে পারছেন না।

    গাড়ি বায়ো গ্যাসে চললেও তা পেট্রোল বা ডিজেলে চালানোরও সুবিধা থাকছে। বায়ো গ্যাসে গাড়ি চালিয়ে খরচ কমেছে অনেকটাই। দাবি গাড়িচালকের।

    এখনও পর্যন্ত বায়ো গ্যাস পাম্পের সংখ্যা অত্যন্ত কম। চাহিদা বাড়লে তার সংখ্যাও বাড়বে। সুবিধে রয়েছে গ্যাস ভরতি সিলিন্ডার গাড়ির মালিকের নিজের কাছে রাখার। পেট্রোপণ্যের অগ্নিমূল্যে বায়ো গ্যাস তাই হয়ে উঠতে পারে বিকল্প জ্বালানি।

    First published: