corona virus btn
corona virus btn
Loading

রবিনসনস্ট্রীটের ছায়া! দাদার দেহ আগলে ভাই, বডিগার্ড লাইন্স ক্যান্টিন কর্মীর মৃত্যুতে নয়া মোড়

রবিনসনস্ট্রীটের ছায়া! দাদার দেহ আগলে ভাই, বডিগার্ড লাইন্স ক্যান্টিন কর্মীর মৃত্যুতে নয়া মোড়
ফাইল ছবি

করোনা আবহে আলিপুর বডিগার্ড লাইনের ভেতরে ক্যান্টিন কর্মীর এরকম রহস্যমৃত্যুতে সেখানকার আবাসিকদের মধ্যে ছড়িয়েছিল আতঙ্ক। তবে এদিন ময়নাতদন্তের রিপোর্টে সেরিব্রাল অ্যাটাকে মৃত্যুর খবর সামনে আশায় স্বস্তিতে আলিপুর বডিগার্ড লাইন্সের আবাসিকরা।

  • Share this:

#কলকাতাঃ দাদাই ছিল একমাত্র ভরসা। শহরে দাদা ছাড়া আর কেউ নেই। তাই দাদার মৃত্যু মেনে নিতে পারেননি। ২৪ ঘণ্টা বসেছিলেন দেহ আগলে। পরে পচা গন্ধ বেরোলে আসলে পুলিশ দেহ উদ্ধার করে। আলিপুর বডিগার্ড লাইন্সে ক্যান্টিন কর্মীর মৃত্যুর তদন্তে নয়া মোড়।

আলিপুর বডিগার্ড লাইন থেকে বুধবার এক ক্যান্টিন কর্মীর পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। মৃতের ভাই তাঁর দাদার করোনা আক্রান্ত হওয়ার কথা বলায় আবাসিকদের মধ্যে ছড়ায় ব্যাপক আতঙ্ক। পাশাপাশি মৃতদেহের উপরে বালিশ চাপা দেওয়া থাকায় শ্বাসরোধ করে খুনের তত্ত্বও উড়িয়ে দিচ্ছিল না পুলিশ। শেষমেশ বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে জানানো হয় সমীর সিংহ (৪৭) নামে ওই ক্যান্টিন কর্মীর মৃত্যু হয়েছে সেরিব্রাল অ্যাটাকে।

বুধবার আলিপুর বডিগার্ড লাইন্সের ক্যান্টিন থেকে পচা দুর্গন্ধ বেরনোয় খবর দেওয়া হয় ওয়াটগঞ্জ থানায়। পুলিশ এসে সমীর সিংহ (৪৭) নামে ওই ক্যান্টিনকর্মীর মৃতদেহ উদ্ধার করে। কীভাবে মৃত্যু হয়েছে তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল ধন্দ। মৃতের ভাই পুলিশের কাছে দাবি করেছিলেন তার দাদা অসুস্থ ছিল। যদিও সমীরের মুখে বালিশ চাপা দেওয়া অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল।

পুলিশ সূত্রে খবর, বডিগার্ড লাইন্সের ভেতরে ক্যান্টিনে কাজ করতেন সমীর। সঙ্গে তার ভাইও কাজ করতেন। বাঁকুড়ায় তাদের বাড়ি হলেও ওই ক্যান্টিনেই থাকতেন তারা। এদিন সন্ধ্যায় ক্যান্টিন থেকে পচা দুর্গন্ধ বেরোনো চাঞ্চল্য তৈরি হয়। পুলিশ এসে ক্যান্টিনের ভেতর থেকে সমীরের দেহ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে যান কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান মুরলীধর শর্মা। নিয়ম মেনে পিপিই পরে দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

বুধবার মৃতদেহ দেখে গোয়েন্দাদের ধারণা হয়েছিল, অন্তত ২৪ ঘন্টা আগে মৃত্যু হয়েছে সমীরের। সে ক্ষেত্রে মারা যাওয়ার পরেও কেন বিষয়টি তার ভাই চেপে গিয়েছিল তাতে উঠছিল প্রশ্ন। সে বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। ওয়াটগঞ্জ থানার এক অফিসার বলেন, "পার্কস্ট্রিটে যেমন পার্থ দে নামে এক ব্যক্তি তার দিদির মৃতদেহ দীর্ঘদিন আগলে ঘরে বসেছিলেন। এক্ষেত্রেও সেরকমই দাদার দেহ আগলে বসেছিল ভাই। সেজন্যই কাউকে মৃত্যুর ব্যাপারে কিছুই জানায়নি।"

তবে করোনা আবহে আলিপুর বডিগার্ড লাইনের ভেতরে ক্যান্টিন কর্মীর এরকম রহস্যমৃত্যুতে সেখানকার আবাসিকদের মধ্যে ছড়িয়েছিল আতঙ্ক। তবে এদিন ময়নাতদন্তের রিপোর্টে সেরিব্রাল অ্যাটাকে মৃত্যুর খবর সামনে আশায় স্বস্তিতে আলিপুর বডিগার্ড লাইন্সের আবাসিকরা।

SUJOY PAL

Published by: Shubhagata Dey
First published: May 14, 2020, 10:32 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर