• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • AFTER MEETING WITH EDUCATION MINISTER FOUR PROFFESSOR OF RABINDRA BHARATI UNIVERSITY WITHDRAWN THEIR RESIGNATION

রবীন্দ্রভারতীর সংকট কাটল, শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর চার বিভাগীয় প্রধানের ইস্তফা প্রত্যাহার

  • Share this:

    #কলকাতা: শিক্ষামন্ত্রী বৈঠক করার পরেই পাল্টে গেল ছবি। ইস্তফা প্রত্যাহার করলেন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের চার বিভাগীয় প্রধান। বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের অভিযোগে সোমবার তাঁরা ইস্তফা দিয়েছিলেন।

    অধ্যাপকদের উদ্দেশে বিদ্বেষমূলক মন্তব্য। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে এই অভিযোগ ঘিরে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয়, যে সোমবার রাতে চার বিভাগীয় প্রধান ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেন উপাচার্যের কাছে। এরপরই তৎপর হয় রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী ফোন করেন শিক্ষামন্ত্রীকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে, মঙ্গলবার, সাড়ে বারোটা নাগাদ রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে যান শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। দফায় দফায় বৈঠক করেন। প্রথমে কথা বলেন, উপাচার্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আধিকারিকদের সঙ্গে। পদত্যাগী বিভাগীয় প্রধানদের সঙ্গেও বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী। আর্জি জানান, ইস্তফা প্রত্যাহারের।

    শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পরই বিভাগীয় প্রধানরা বুঝিয়ে দেন, তাঁরা ইস্তফা প্রত্যাহার করতে চলেছেন। এর কিছুক্ষণ পরেই ইস্তফা প্রত্যাহার করেন চার অধ্যাপক। আগের মতোই তাঁরা অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, এডুকেশন এবং সংস্কৃত বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব সামলাবেন।

    ২৩ মে ভূগোল বিভাগের ভারপ্রাপ্ত অধ্যাপক সরস্বতী কেরকেটাকে বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই থেকে বিতর্কের সূত্রপাত। অভিযোগের আঙুল ওঠে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দিকে। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ তাদেরই হাতে। উপাচার্যের নির্দেশে তদন্ত কমিটি গড়া হয়। কিন্তু, এখনও সে রিপোর্ট আসেনি। এর প্রতিবাদে সরব হন চার বিভাগের প্রধান। অভিযোগ তোলেন, তাঁদের উদ্দেশেও বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করা হয়েছে। এই অভিযোগে ইস্তফাও দেন।

    এ দিন রবীন্দ্রভারতীতে গিয়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ভূমিকাতেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী। বুঝিয়ে দেন, এরকম আচরণ বরদাস্ত করা হবে না। মঙ্গলবার শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর আপাতত জটিলতার অবসান। ইস্তফা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত চার বিভাগীয় প্রধানের। উপাচার্যকেও তাঁরা ফোনে সে কথা জানিয়ে দেন।

    First published: