• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • ABHISHEK BANERJEE SCHEDULE TO MEET FAMILY OF THE PEOPLE DIED IN THUNDER STORM AKD

Abhishek Banerjee: ঠাসা কর্মসূচি, বজ্রপাতে মৃতের পরিবারের পাশে থাকতেন ছুটছেন অভিষেক

বজ্রাঘাতে মৃত্যু ২৭ জনের। মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে রাজ্যের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত ছুটবেন অভিষেক।

Abhishek Banerjee: আগামিকাল থেকে দলের নয়া সর্বভারতীয় নেতা মুর্শিদাবাদ, হুগলি, মেদিনীপুর জেলায় যাবেন পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করতে।

  • Share this:

#কলকাতা: ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় তিনি পৌঁছে গিয়েছিলেন। এবার বজ্রপাতে মৃতদের বাড়ি গিয়ে দেখা করতে চলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামিকাল থেকে দলের নয়া সর্বভারতীয় নেতা মুর্শিদাবাদ, হুগলি, মেদিনীপুর জেলায় যাবেন পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করতে। সূত্রের খবর, আগামিকাল দুপুরে তিনি যাবেন মুর্শিদাবাদ জেলায়৷ সেখানে যাবেন তিনি বহরমপুর ও রঘুনাথাগঞ্জে। পরশু যাবেন তিনি হুগলি জেলায়৷ যাবেন খানাকুল, তারকেশ্বর ও পোলবায়। আগামী শুক্রবার তিনি যাবেন রানিবাঁধ, পান্ডুয়া ও চন্দ্রকোণায়।

মুর্শিদাবাদ জেলায় বাজ পড়ে মারা গিয়েছেন ৯ জন, হুগলি জেলায় মারা গিয়েছেন ১১ জন, পশ্চিম মেদিনীপুরে ৩ জন, বাঁকুড়া জেলায় ২ জন ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ১ জন। আপাতত পূর্ব মেদিনীপুর যাওয়ার সূচি না থাকলেও বাকি সর্বত্র তিনি যাবেন। দায়িত্ব নেওয়ার পরেই তিনি জানিয়েছিলেন, মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করতে চান তিনি। তাই প্রাকৃতিক দূর্যোগে নিহতদের পাশে দাঁড়াতে তিনি এই সফর করছেন। প্রশাসনের তরফ থেকে অবশ্যই সাহায্য করা হচ্ছে। কিন্তু রাজনৈতিক ভাবেও তৃণমূল পাশে আছে এই বার্তা দিতে চান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাজনৈতিক মহলের মতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আসলে জননেতা হয়ে উঠছেন। অভিষেকের দিল্লি থেকে ম্যানেজমেন্ট পড়াশোনা। কিন্তু মন পড়েছিল রাজনীতিতে। শেষমেশ ২০১১-তে ৩৪ বছরের বাম সরকারের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় এলেন মমতা। এরপরই তৃণমূলে তৈরি হল 'যুবা'। যুব সংগঠনের পাশাপাশি তৈরি হল সমান্তরাল সংগঠন। সেই সংগঠনের দায়িত্ব পেলেন অভিষেক। সংগঠনের কাজ করতে-করতেই ২০১৪ সালে ডায়মন্ড হারবার থেকে প্রথম লোকসভার টিকিট পেলেন অভিষেক। আর সংসদীয় রাজনীতির শুরুতেই কার্যত ছয় মেরে ইনিংস শুরু করলেন তিনি। কিন্তু মমতার 'ভাইপো' হওয়ার সুবাদেই অভিষেকের টিকিট-প্রাপ্তি বলে সমালোচনাও হল নানাস্তরে। যে 'ভাইপো' বিতর্ক তাঁকে তাড়া করে বেড়িয়েছে এই সেদিন পর্যন্তও। অভিষেক অবশ্য বারংবার বলেছেন, দলনেত্রীর ভাইপো হওয়ার জন্য কোনও আলাদা সুবিধে পাননি তিনি। পেলে লোকসভা ভোটে দক্ষিণ কলকাতা থেকে টিকিট পেতেন, 'কঠিন' ডায়মন্ড হারবার থেকে নয়।

২০১৮ সালের লোকসভায় সবচেয়ে কমবয়সি সাংসদ ছিলেন অভিষেক। আর সাংসদ হতেই অভিষেকের উপর বর্তাল আরও দায়িত্ব। শুভেন্দু অধিকারীর পরিবর্তে অভিষেকের হাতেই তুলে দেওয়া হল তৃণমূল যুব সংগঠনের দায়িত্ব। যে ক্ষোভ এখনও বয়ে বেড়াচ্ছেন শুভেন্দু। এমনকী এবারের ভোট প্রচারে বিজেপির হয়ে বারবার সেই প্রসঙ্গ তুলে এনেছেন তিনি। তবে সব কিছু ছাপিয়ে অভিষেক চাইছেন নেতা থেকে জননেতা হয়ে উঠতে।  ইয়াস হোক বা বজ্রপাতে মৃত্যু, অভিষেক থাকছেন মানুষের পাশে।

Published by:Arka Deb
First published: