• Home
  • »
  • News
  • »
  • ipl
  • »
  • MARK WOOD RANKS FAMILY AND PLAYING FOR ENGLAND ABOVE IPL RRC

সাহসী সিদ্ধান্ত ! পরিবার এবং দেশের জন্য আইপিএলের লোভ ছাড়লেন উড

পরিবার এবং দেশের জন্যই আইপিএলের মোহ ত্যাগ উডের

পয়সার কাছে সবাই মাথা নামিয়ে দেন না, এমন উদাহরণ হাতে গোনা গেলেও আছে। সেরকমই এক ব্যতিক্রম হলেন মার্ক উড।

  • Share this:

    #চেন্নাই: 'না বাপ বড়া, না ভাইয়া। সব সে বড়া রুপাইয়া'। 'পয়সা জিসকা পাস, দুনিয়া উসকা দাস'। এটাই আধুনিক পৃথিবী। এটাই নিয়ম বা ভবিতব্য যাই বলুন না কেন। অর্থের মোহে যখন কাতর বেশিরভাগ মানুষ, তখন স্রোতের উল্টোদিকে সাঁতার কাটার সাহস দেখাতে পারেন কজন? কিন্তু আছে। আজও ব্যতিক্রম আছে। পয়সার কাছে সবাই মাথা নামিয়ে দেন না, এমন উদাহরণ হাতে গোনা গেলেও আছে। সেরকমই এক ব্যতিক্রম হলেন মার্ক উড।

    সম্প্রতি আইপিএল নিলাম থেকে শেষ মুহূর্তে নাম তুলে নেন তিনি। কিন্তু কেন? ভাবছেন তো কয়েকটা ম্যাচ খেলে যখন অর্ধেক কেরিয়ারের টাকা রোজগার করা সম্ভব,তখন এমন সিদ্ধান্ত কোনও পাগল ছাড়া কেউ নিতে পারে? ইংলিশ পেসার জানিয়েছেন তিনি মোটেই না ভেবে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেননি। যথেষ্ট ভেবেচিন্তেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ভারতের বিরুদ্ধে প্রথম দুটো টেস্টে ছিল না তাঁর নাম। কিন্তু বাকি দুটো টেস্টে তিনি খেলবেন। তারপর একদিনের সিরিজেও খেলবেন। সব মিলিয়ে প্রায় ছয় সপ্তাহ থাকতে হবে এদেশে।

    আইপিএল খেলার জন্য রাজি হলে আরও আট সপ্তাহ বাড়ির বাইরে থাকতে হবে। এটাই সমস্যা উডের। এরপর টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আছে। অ্যাশেজ আছে। তাই আইপিএল খেললে বিশ্রাম নিতে পারবেন না। তিনি ফাস্ট বোলার। তাই পর্যাপ্ত বিশ্রাম দরকার। না হলে বেশি চাপ নিলে শরীর কাজ করবে না। তাছাড়া পরিবার এবং দেশ তাঁর কাছে আগে।

    তিনি জানিয়েছেন,"অবশ্যই আইপিএলে অনেকেই মোটা অঙ্কের অর্থ পাচ্ছেন এবং তাঁদের জন্য এটা দারুণ ব্যাপার। এটা জীবন বদলে দেওয়ার মত অর্থ, ফলে নাম প্রত্যাহার করে নেওয়া আমার জন্য কঠিন ছিল। তাছাড়া অর্থ ছাড়াও সেখানে খেলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভাল করার সুযোগ থাকবে। অতীতে চেন্নাইয়ের হয়ে একটা ম্যাচ খেলেছি। তাই এবার আমাকে নিয়ে কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজিকে ভুগতে হোক চাইনি। তাই ড্রাফট থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি"। তবে পরিস্থিতি বুঝে ভবিষ্যতে আইপিএল নিলামে তিনি আবার নাম দেবেন সেটা জানিয়ে রাখলেন।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: