• হোম
  • »
  • খবর
  • »
  • ipl
  • »
  • MANY CRICKETERS WERE NOT INTERESTED TO TAKE VACCINE BEFORE IPL REVEALS NEW REPORT RRC

ক্ষমার অযোগ্য ভুলেই বাতিল আইপিএল ! উঠে এল নতুন তথ্য

আইপিএলের আগে ভ্যাকসিন নিতে রাজি ছিলেন না ভারতীয় ক্রিকেটাররা

জানা গিয়েছে যে, আইপিএলে অংশগ্রহণকারী ক্রিকেটাররাই চাননি টিকা নিতে। ক্রিকেটার, সাপোর্ট স্টাফদের মধ্যে সচেতনতার সেই অভাবও জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে করোনা ঢুকে পড়ার বড় কারণ

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: এত নিরাপত্তায় থাকা সত্ত্বেও কী করে আইপিএলে করোনা সংক্রমণ ঘটল? এই প্রশ্নের উত্তর এতদিনে কিছুটা হলেও পাওয়া গেল। আইপিএলে জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে থাকা সত্ত্বেও করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন ক্রিকেটাররা। বিপজ্জনক ভাইরাসের হানা থেকে মুক্তি পাননি সাপোর্ট স্টাফরাও। যার জেরে চলতি মাসের গোড়ায় অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হয়ে গিয়েছে আইপিএল। সেই সিদ্ধান্তের প্রায় সপ্তাহ দুয়েক পরে জানা গিয়েছে যে, আইপিএলে অংশগ্রহণকারী ক্রিকেটাররাই চাননি টিকা নিতে।

    ক্রিকেটার, সাপোর্ট স্টাফদের মধ্যে সচেতনতার সেই অভাবও জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে করোনা ঢুকে পড়ার বড় কারণ। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুসারে, আইপিএলের আগে অনেক ক্রিকেটারই ভ্যাকসিন নিতে অস্বীকার করেছিলেন। সূত্রের মতে, ‘ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর তরফে যখন বেসরকারিভাবে ভ্যাকসিন নিতে বলা হয়েছিল তখন ক্রিকেটাররা একেবারেই আগ্রহী ছিলেন না। সচেতনতার অভাব থেকেই তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।’ যার পরিণতি এখন স্পষ্ট।

    সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ঋদ্ধিমান সাহার করোনা পরীক্ষার ফল আবার পজিটিভ এসেছে। কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রসিদ্ধ কৃষ্ণেরও এসেছে পজিটিভ। তিনি এখন বেঙ্গালুরুর বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে আছেন। এই দু’জনেই রয়েছেন ভারতের ইংল্যান্ড সফরের দলে। ২৫ মে মুম্বইয়ে শিবিরের সঙ্গে যোগ দিতে হবে তাঁদের। কিন্তু, তার আগে করোনামুক্ত হয়ে উঠতে হবে। ইংল্যান্ডে রওনা হওয়ার আগে তিনবার করোনা পরীক্ষা হবে প্রত্যেকের। তাতে উত্তীর্ণ হলেই উড়ান ধরতে পারবেন ঋদ্ধি-কৃষ্ণ।

    এদিকে জানা গিয়েছে, একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজি ভ্যাকসিন নিতে রাজি করিয়েছিল ক্রিকেটারদের। কিন্তু, অনেকেই তা পারেনি। ভ্যাকসিন নেওয়ার পর জ্বর আসতে পারে বলে উদ্বিগ্ন ছিলেন অধিকাংশ ক্রিকেটার। সেই কারণেই ভ্যাকসিন না নেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন তাঁরা। তাছাড়া, জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে থাকায় নিজেদের সুরক্ষিত বলেও মনে করছিলেন অনেকে। এই ধারণা ভাঙার জন্য খুব বেশি প্রচেষ্টাও ছিল না ফ্র্যাঞ্চাইজির দিক থেকে। ফলে, আচমকাই পরিস্থিতি হাতের বাইরে বেরিয়ে যায়।

    তুলনায় বিদেশিরা চেয়েছিলেন ভ্যাকসিন নিতে। বিশেষ করে সাপোর্ট স্টাফরা আগ্রহী ছিলেন বেশি। কিন্তু, তা আইনসম্মত না হওয়ায় বিদেশিদের ভ্যাকসিন দেওয়া যায়নি। আবার, নয়াদিল্লিতে খেলতে আসার কারণেও জৈব বলয়ে করোনার হানা ঘটেছে বলে অনেকের ধারণা। রাজধানীতে যখন করোনার প্রকোপ শিখরচুম্বী, তখনই সেখানে আসতে হয়েছিল ক্রিকেটারদের। চার্টার্ড ফ্লাইটে এলেও বিমানবন্দরের টার্মিনাল ব্যবহার করতে হয়েছিল দলগুলিকে। সেখানে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের থেকেও করোনা সংক্রমিত হতে পারে বলে আশঙ্কা অনেকের।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: