• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • মেসেজের অটো-কারেক্টে হয়রানি, বাবার ফোনে মেয়ের বাড়িতে পুলিশ, ঘটনাটা কী?

মেসেজের অটো-কারেক্টে হয়রানি, বাবার ফোনে মেয়ের বাড়িতে পুলিশ, ঘটনাটা কী?

সম্প্রতি আমেরিকায় (America) এক মহিলা তাঁর বাবাকে মেসেজ পাঠাতে গিয়ে এই সমস্যায় পড়েছেন।

সম্প্রতি আমেরিকায় (America) এক মহিলা তাঁর বাবাকে মেসেজ পাঠাতে গিয়ে এই সমস্যায় পড়েছেন।

সম্প্রতি আমেরিকায় (America) এক মহিলা তাঁর বাবাকে মেসেজ পাঠাতে গিয়ে এই সমস্যায় পড়েছেন।

  • Share this:

#ওয়াশিংটন: টেকনোলজির (Technology) ভালো দিক প্রচুর। কিন্তু খারাপ দিক নেই, তা বলা বড়ই মুশকিল। অনেক সময়েই টেকনোলজির একাধিক প্য়াচ যে কোনও মানুষকে সমস্যায় ফেলে দিতে পারে। সমস্যায় পড়েছেন এমন মানুষের সংখ্য়াও কম নয়।

কখনও টাকা পাঠানোর অ্যাপে হাত পড়ে কারও কাছে টাকা চলে গিয়েছে। কখনও মাঝরাতে ফোনে হাত পড়ে অচেনা কারও কাছে ফোন চলে গিয়েছে। কখনও আবার চোখের ভুলে বা হাতের একটা খেলায় কোনও ছবি বা ভিডিও ভুল লোকের কাছে পৌঁছে গিয়েছে- এ সব তো আমাদের সবার সঙ্গেই হয়ে থাকে আকছার!

এ সব হলে বিপদে পড়ার মতো কোনও সমস্যা তেমন হয় না। কিন্তু কখনও ভুল ইমোজি কারও কাছে চলে গেলে, বিশেষ করে বসের কাছে যদি অযাচিত কোনও ইমোজি হাত পড়ে চলে যায়, তখন দেখা দেয় বিপদ! বা অটোকারেক্টে (Autocorrect) কোনও লেখা নিজের মতো শব্দ বেছে ভুল মানে বের করে দেয় কথার। এরকমটা হলেও বিপদে পড়তে হয় বইকি!

সম্প্রতি আমেরিকায় (America) এক মহিলা তাঁর বাবাকে মেসেজ পাঠাতে গিয়ে এই সমস্যায় পড়েছেন। আসল নির্ভুল মেসেজ পাঠানোর জন্য বা নির্ভুল শব্দ প্রয়োগ ও কম লেখার খাতিরে অনেকেরই ফোনের অটোকারেক্ট অপশন অন থাকে। যার ফলে যা লিখতে চা,ই তার একটা-দু'টো অক্ষর টাইপ করলেই বাকিটা চলে আসে। ফলে মেসেজ লিখতে সময়ও কম লাগে।

উইসকনসিনের ওই মহিলার ফোনেও অটোকারেক্ট অন ছিল। তিনি তাঁর বাবাকে লিখতে গিয়েছিলেন সোয়্যাবড (Swabbed) অর্থাৎ করোনাভাইরাস (Coronavirus) নির্ণয়ের জন্য তিনি Swab দিয়ে এসেছেন। যা অটো-কারেক্টের ফলে হয়ে যায় স্ট্যাবড (Stabbed)। আর এতেই ঘটে বিপত্তি। তিনি আঘাত পেয়েছেন এমন ভেবে তাঁর বাবা তড়িঘড়ি পুলিশে খবর দেন।

Green Bay Press Gazette-এ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, পুলিশ (Police) আধিকারিকটি জানায়, মহিলাটির বাবা পুলিশকে জানিয়েছিলেন, তাঁর মেয়ে যাঁর সঙ্গে থাকেন, সেই ছেলে বন্ধুটি তাঁর মেয়েকে মেরেছেন। ওই ব্যক্তি পুলিশকে মেয়ের ফোন নম্বরও দেন। ঠিকানাও দেন। যাতে পুলিশ গিয়ে বিষয়টি দেখতে পারে। এর পর তারা মহিলার ফোনে ও ওই ব্যক্তির ফোনে ফোন করতে থাকেন, কিন্তু আর কোনও পাত্তা পাননি ।

ওই মহিলার ফ্ল্যাটের নিচে পুলিশবাহিনি নিয়ে পৌঁছে যান আধিকারিক। গিয়ে দেখেন তিনি বাড়িতেই রয়েছেন। দিব্যি সুস্থও রয়েছেন। জানা যায়, ওই মহিলা ক'দিন ধরেই অসুস্থ বোধ করছিলেন ফলে তিনি করোনাভাইরাস নির্ণয়ের পরীক্ষা করান। সেই খবর দেন বাবাকে। সেখানেই শব্দ অদলবদলে এত বড় বিপত্তি ঘটে।

পুলিশ আধিকারিক বলেন, একটা অটোকারেক্ট এতজন পুলিশকে একটা ফ্ল্যাটে নিয়ে চলে এল, ঘটনা অকল্পনীয়!

মহিলার ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে আসার আগে অবশ্য পুলিশ তাঁকে সতর্ক করে এসেছেন- এমন ভুল যেন আর না হয়। মহিলাও মেনে নেন, এর পর থেকে কোনও মেসেজ (Messege) পাঠানোর আগে দেখে নেবেন!

Published by:Piya Banerjee
First published: