Sunita Williams’ First Image After Returning To Earth: গত ৫ জুন সুনীতাদের নিয়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল বোয়িং স্টারলাইনার। আট দিনের সফরে গিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু মহাকাশযানে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। ফলে সেখানেই আটকে পড়েন সুনীতারা।
২৮৬ দিন পর নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরলেন সুনীতা উইলিয়ামস (Photo: X/NASA)
ফ্লরিডা: দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। ২৮৬ দিন পর অবশেষে নিরাপদেই পৃথিবীতে ফিরে আসলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস এবং তাঁর সঙ্গী বুচ উইলমোর। বুধবার ভারতীয় সময় ভোর ৩টে ২৭ মিনিট নাগাদ তাঁদের নিয়ে SpaceX-এর মহাকাশযান ফ্লরিডার সমুদ্রে সফলভাবেই অবতরণ করে। গত ৫ জুন সুনীতাদের নিয়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল বোয়িং স্টারলাইনার। মাত্র ৮ দিনের সফরে গিয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু মহাকাশযানে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয় এবং সেখানেই আটকে পড়েন সুনীতারা। তার পর থেকে একাধিক বার তাঁদের পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু বার বার তা পিছিয়ে গিয়েছে। অবশেষে পৃথিবীতে পা রাখলেন সুনীতারা ৷
সুনীতাদের সঙ্গে একই মহাকাশযানে ফিরেছেন নাসার নিক হগ এবং রুশ নভশ্চর আলেকজান্ডার গর্বুনভ। গত বছর জুন মাসে সুনীতারা মহাকাশের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিলেন।
advertisement
#WATCH | Being stranded at the International Space Station for 9 months, Sunita Williams is back on Earth with a smile
Today, NASA’s SpaceX Crew-9 – astronauts Nick Hague, Butch Wilmore, Sunita Williams, and Roscosmos cosmonaut Aleksandr Gorbunov returned to Earth after the… pic.twitter.com/mdZIQTG4SN
এদিকে পৃথিবীতে ফেরার পর সুনীতাদের শারীরিক অবস্থা কেমন থাকতে পারে? এই নিয়ে দিল্লির বৈশালীর ম্যাক্স হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স ও জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট বিভাগের অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টর ডঃ অখিলেশ যাদব বলেন, “মহাকাশে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি নেই বললেই চলে। মাইক্রোগ্র্যাভিটি কাজ করে। মহাকাশচারীদের স্বাস্থ্যে এর গুরুতর প্রভাব পড়ে। পেশি দুর্বল হয়ে যায়। হাড়ের ঘনত্বও কমে যায়। আসলে মাধ্যাকর্ষণ না থাকায় পেশি ও হাড়ের প্রতিরোধ গড়ে তোলার শক্তি চলে যায়। ফলে যে কোনও সময় হাড় ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। অন্যান্য সমস্যাও হয়। হৃদযন্ত্র ও শরীরের রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থায় পরিবর্তন দেখা যায়। ফ্লুইড শরীরের উপরের অংশে জমতে থাকে, মুখ ফুলে যায়। চোখে অতিরিক্ত আপ পড়ে। দৃষ্টিশক্তিতেও সমস্যা হয়।’’
advertisement
মাইক্রোগ্র্যাভিটির কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায়। ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। এমনটাই বলছেন ডঃ অখিলেশ যাদব। তাঁর কথায়, “শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখে ভেস্টিবুলার সিস্টেম। মহাকাশে থাকার কারণে এই সিস্টেম ব্যহত হয়। এ থেকে মোশন সিকনেস হতে পারে। দিক গুলিয়ে ফেলার সম্ভাবনাও থাকে। এমনকী, জিনের প্রকাশেও পরিবর্তন ঘটতে পারে। অনেকে একাকীত্ব, স্ট্রেস, উদ্বেগে ভোগেন। মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। দিন-রাতের চক্র ব্যহত হওয়ায় ঘুমের সমস্যাও হয়।’’