দেখা মিলল হলুদ রঙের পেঙ্গুইনের, পৃথিবীর বিরলতম প্রাণীর ছবি নিমেষে ভাইরাল

দেখা মিলল হলুদ রঙের পেঙ্গুইনের, পৃথিবীর বিরলতম প্রাণীর ছবি নিমেষে ভাইরাল

বিরল ঘটনা! সাদা-কালোর বদলে দেখা মিলল সাদা-হলুদ পেঙ্গুইনের

বিরল ঘটনা! সাদা-কালোর বদলে দেখা মিলল সাদা-হলুদ পেঙ্গুইনের

  • Share this:

#জর্জিয়া : যদি প্রশ্ন করেন কুকুরের গায়ের রং কী? উত্তর হবে ভিন্ন। তা বলে জেব্রা, জিরাফের গায়ের রং নিয়ে কিন্তু মনে দ্বিধা থাকা উচিৎ নয়। তেমনই কালো-সাদায় মেশা দুষ্টু-মিষ্টি পেঙ্গুইনকে মানুষ যে ভাবে চেনে, সেটাই তার রূপ, বরং তাতে বৈচিত্র্য দেখা গেলেই হতবাক হতে পারেন যে কেউ। এবার তেমনই অবাক করা ঘটনা ঘটল দক্ষিণ জর্জিয়ার বরফাবৃত অঞ্চলে।

বেলজিয়ামের ওয়াইল্ড লাইফ ফটোগ্রাফার অ্যাডামের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে এক পেঙ্গুইনের অদ্ভুত রূপ। সে যেন পরিচিত সাদা-কালো বসন ছেড়ে হলুদে মজেছে। অর্থাৎ তার গায়ের সাদা রঙের মধ্যে ভাগ বসিয়েছে কালো নয়, হলুদ রঙ। এই নতুন রঙের পেঙ্গুইন দেখে চমকে গিয়েছেন বেলজিয়ামের ওয়াইল্ড লাইফ ফটোগ্রাফার। প্রায় দুই বছর পর তাঁর ওই ছবি হইচই ফেলে দিয়েছে গোটা বিশ্বে। অবাক হয়েছেন পশুবিশেষজ্ঞ থেকে পরিবেশবিদরাও।

View this post on Instagram

A post shared by Yves Adams (@yves_adams)

২০১৯ সালে দক্ষিণ জর্জিয়ায় এক এক্সপিডিশনে গিয়েছিলেন বেলজিয়ামের ওই ওয়াইল্ড লাইফ ফটোগ্রাফার। লাইন দিয়ে হেঁটে চলা সাদা-কালো পেঙ্গুইনদের ক্যামেরাবন্দি করার সময় আচমকাই তাঁর চোখে বৈচিত্র ধরা দিয়েছিল। সাদা-কালোর ভিড়ে ভাস্বর হয়ে উঠেছিল হলেদেটে পেঙ্গুইন। সকলের থেকে আলদা ওই প্রাণীর চালচলনও রাজার মতোই ছিল বলে জানিয়েছেন অ্যাডাম।

অদ্ভুত ওই মুহুর্তকে ঈশ্বরপ্রদত্ত বলে আখ্যা দিয়েছেন বেলজিয়ামের ওই  ফটোগ্রাফার। নিজেকে তিনি ভাগ্যবান বলেও দাবি করেছেন। কারণ আর ৫০ মিটার দূরে থাকলে ওই সুদর্শন পেঙ্গুইনের দর্শন মিলত না বলেই জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন, এমন দৃশ্য তিনি তাঁর জীবনে প্রত্যক্ষ করেননি। ওই পেঙ্গুইনের ছবির সিরিজ নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেছেন অ্যাডাম।

দক্ষিণ আটলান্টিকের অন্তর্গত দক্ষিণ জর্জিয়ায় একসঙ্গে প্রায় এক লক্ষ কুড়ি হাজার কিং পেঙ্গুইন থাকে। সেই জনসংখ্যায় হলদেটে পেঙ্গুইনের সংখ্যা কত, তা অবশ্য জানা যায়নি। এ ব্যাপারে গবেষণা প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও তারা যে বিশ্বের বিরলতম প্রাণীর তালিকায় পড়ে, সে নিয়ে সন্দেহ নেই কারও!

Published by:Rukmini Mazumder
First published:

লেটেস্ট খবর