• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • অনার কিলিংয়ের শিকার পাকিস্তানি মডেল কান্দিল বালোচ, খুন হলেন ভাইয়ের হাতে

অনার কিলিংয়ের শিকার পাকিস্তানি মডেল কান্দিল বালোচ, খুন হলেন ভাইয়ের হাতে

নিজের ভাইয়ের হাতেই খুন হলেন বিতর্কিত পাকিস্তানি মডেল কান্দিল বালোচ ৷

নিজের ভাইয়ের হাতেই খুন হলেন বিতর্কিত পাকিস্তানি মডেল কান্দিল বালোচ ৷

নিজের ভাইয়ের হাতেই খুন হলেন বিতর্কিত পাকিস্তানি মডেল কান্দিল বালোচ ৷

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #ইসলামাবাদ: নিজের ভাইয়ের হাতেই খুন হলেন বিতর্কিত পাকিস্তানি মডেল কান্দিল বালোচ ৷ শনিবার সকালে পাঞ্জাব প্রদেশের অন্তর্গত মুলতানে মডেলের নিজের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় তাঁর মৃতদেহ ৷

    তবে কান্দিলের খুন নিয়ে কিঞ্চিৎ মত বিতর্ক রয়েছে ৷ পাকিস্তানি টিভি চ্যানেল জানায়, বাড়ির সামনে কান্দিলকে গুলি করে হত্যা করেছে তাঁর ভাই ফজিয়া ৷ কিন্তু পুলিশ জানিয়েছে, বাড়ির ভেতরই পাকিস্তানি এই মডেলকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে তাঁর ভাই ৷

    তদন্তে নেমে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, অনার কিলিংয়ের শিকার হয়েছেন কান্দিল বালোচ ৷ পরিবারের সম্মানরক্ষার্থে তাঁর ভাই ফজিয়া আজিম তাঁকে খুন করেছে ৷

    আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, কান্দিল সোস্যাল মিডিয়ায় তাঁর বোল্ড ছবি ও ভিডিও-এর জন্য বিখ্যাত ছিলেন ৷ এই কারণে ফেসবুকে তাঁর অনুরাগীর সংখ্যা কম ছিল না ৷ দিন তিনেক আগে কান্দিলের সঙ্গে আপত্তিকর ছবি পোস্ট করা নিয়ে ঝামেলা বাধে তাঁর ভাইয়ের ৷ শুক্রবার রাতে কান্দিলকে খুনের হুমকি দেন তাঁর ভাই ফজিয়া ৷

    পুলিশ জানিয়েছে, এর আগে বহুবার ফজিয়া, কান্দিলকে তাঁর পেশা নিয়ে সাবধান করেছেন এবং হুমকিও দিয়েছেন ৷ তাতেও কান্দিল তাঁর কথা মেনে না নেওয়ায় শনিবার সকালে দুই বন্ধুর সাহায্য নিয়ে কান্দিলকে গলা টিপে খুন করে ফজিয়া আজিম ৷

    13221676_846253725519381_8786855684113120491_n

    পাকিস্তানের প্রথম ভিক্টোরিয়া সিক্রেট মডেল কান্দিল বালোচ এর আগেও বহুবার খুনের হুমকি পেয়েছিলেন ৷ ফ্যাশানিস্তা কান্দিলের এক আত্মীয় জানিয়েছেন, ‘ওর ভাই অনেকদিন ধরেই ওকে মডেলিং ছাড়ার জন্য জোর করছিল। কিন্তু কান্দিল তা শোনেনি।’ গোঁড়া মুসলিম পরিবারের মেয়ের খোলামেলা পোশাক আর মডেলিংয়ের নেশা খোদ নিজের পরিবারের কাছেই চক্ষুশূল করে তুলেছিল কান্দিলকে ৷

    সমাজের গোঁড়ামির বিরুদ্ধে প্রতি মুহূর্তে বিদ্রোহ করে চলা মেয়েটি তাঁর সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, পিতৃতান্ত্রিক সমাজে ভাল বলার মতো কিছুই নেই ৷ সমস্তটাই ভীষণ খারাপ ৷

    ভারতীয় টেস্ট টিমের অধিনায়ক বিরাট কোহলির অন্ধ অনুরাগী ছিলেন এই পাকিস্তানি মডেল ৷ ট্যুইটারে একাধিকবার বিরাটের প্রতি তাঁর ভালবাসা প্রকাশ করেছেন কান্দিল বালোচ ৷ এমনকী, এশিয়া কাপ ও  টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় কোহলির জন্য একাধিক বিতর্কিত পোস্ট করেন ৷ এর জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে পাকিস্তানি পুনম পাণ্ডে বলে আখ্যা দেওয়া হয় ৷

    13076750_831172023694218_8079572328565223794_n

    ২০১৪ সালে পাউট করা একটি ছবির জন্য প্রথম লাইম লাইটে আসেন কান্দিল বালোচ ৷ পেশার কারণে ক্রমাগত হুমকি পেতে থাকা কান্দিল নিরাপত্তার কারণে কিছুতেই তাঁর ঠিকানা প্রকাশ করতেন না ৷ কিন্তু এই গোপনীয়তা পাকিস্তানি এই মডেলকে তাঁর ভাইয়ের হাত থেকে বাঁচাতে পারেনি ৷

    শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, কান্দিলের ভাই হত্যাকারী ফজিয়া আজিমকে আটক করেছে পুলিশ ৷ বাকি দু’জনের খোঁজে চলছে তল্লাশি ৷

    13221676_846253725519381_8786855684113120491_n

    পাকিস্তানের প্রথম ভিক্টোরিয়া সিক্রেট মডেল কান্দিল বালোচ এর আগেও বহুবার খুনের হুমকি পেয়েছিলেন ৷ ফ্যাশানিস্তা কান্দিলের এক আত্মীয় জানিয়েছেন, ‘ওর ভাই অনেকদিন ধরেই ওকে মডেলিং ছাড়ার জন্য জোর করছিল। কিন্তু কান্দিল তা শোনেনি।’ গোঁড়া মুসলিম পরিবারের মেয়ের খোলামেলা পোশাক আর মডেলিংয়ের নেশা খোদ নিজের পরিবারের কাছেই চক্ষুশূল করে তুলেছিল কান্দিলকে ৷

    সমাজের গোঁড়ামির বিরুদ্ধে প্রতি মুহূর্তে বিদ্রোহ করে চলা মেয়েটি তাঁর সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, পিতৃতান্ত্রিক সমাজে ভাল বলার মতো কিছুই নেই ৷ সমস্তটাই ভীষণ খারাপ ৷

    ভারতীয় টেস্ট টিমের অধিনায়ক বিরাট কোহলির অন্ধ অনুরাগী ছিলেন এই পাকিস্তানি মডেল ৷ ট্যুইটারে একাধিকবার বিরাটের প্রতি তাঁর ভালবাসা প্রকাশ করেছেন কান্দিল বালোচ ৷

    13076750_831172023694218_8079572328565223794_n

    ২০১৪ সালে পাউট করা একটি ছবির জন্য প্রথম লাইম লাইটে আসেন কান্দিল বালোচ ৷ পেশার কারণে ক্রমাগত হুমকি পেতে থাকা কান্দিল নিরাপত্তার কারণে কিছুতেই তাঁর ঠিকানা প্রকাশ করতেন না ৷ কিন্তু এই গোপনীয়তা পাকিস্তানি এই মডেলকে তাঁর ভাইয়ের হাত থেকে বাঁচাতে পারেনি ৷

    শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, কান্দিলের ভাই হত্যাকারী ফজিয়া আজিমকে আটক করেছে পুলিশ ৷ বাকি দু’জনের খোঁজে চলছে তল্লাশি ৷

    First published: