কাজের জায়গা দেখাতে থানার চাবি নিয়ে সেলফি, পালটাতে হল ৬০০-রও বেশি তালা-চাবি

কাজের জায়গা দেখাতে থানার চাবি নিয়ে সেলফি, পালটাতে হল ৬০০-রও বেশি তালা-চাবি

কাজের জায়গা দেখাতে থানার চাবি নিয়ে সেলফি, ৬০০-রও বেশি তালা-চাবি পালটালো কর্তৃপক্ষ!

শো-অফের জন্য কত লোককে যে কত সমস্যায় পড়তে হয়েছে তার ইয়ত্তা নেই...

  • Share this:

#বার্লিন: বন্ধু, আত্মীয় বা পুরনো সহপাঠীদের কোনও বার্তা দিতে বা কিছু জানাতে ব্যক্তিগত ভাবে ফোন না করে ইদানীং সোশ্যাল মিডিয়াতেই জানিয়ে দেওয়া হয়। বলা চলে, খবর আদান-প্রদানের অন্যতম মাধ্যম এখন সোশ্যাল মিডিয়া। পাশাপাশি কাউকে কিছু দেখাতে গেলেও এই মাধ্যমকে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এই দেখানো বা শো-অফের জন্য কত লোককে যে কত সমস্যায় পড়তে হয়েছে তার ইয়ত্তা নেই। পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ার খারাপ দিক তো রয়েছেই!

এই শো-অফের জেরেই বিরাট কাণ্ড ঘটিয়েছেন জার্মানির এক যুবক। বার্লিনের একটি সংশোধনাগারে সেলফি তুলে পুরো সংশোধনাগারের নিরাপত্তায় প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি সেখানকার একটি মূল চাবির ছবি বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করে সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষকেও নাজেহাল করেছেন।

ঘটনার সূত্রপাত বেশ কয়েক দিন আগে। ওই যুবক ইন্টার্নশিপ করতে ঢোকেন বার্লিনের JVA Heidering সংশোধনাগারে। কত বড় জায়গায় তিনি চাকরি পেয়েছেন, এটা দেখানোর জন্য একটি চাবির ছবি নিয়ে সেলফি তোলেন এবং বন্ধুদের মধ্যে ছড়িয়ে দেন। সেই মুহূর্তে বিষয়টি কারও চোখে পড়েনি। কিন্তু পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবি ছড়িয়ে পড়ায় অনেকেই বিষয়টি জানায় সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষকে।

এই ঘটনা যে এত দূর যেতে পারে, তার আন্দাজ হয় তো ছিল না ওই যুবকের। তাই এই কাণ্ড করার পরও তিনি বেজায় স্বাভাবিক ভাবেই সেখানে কাজ করছিলেন। কিন্তু বিষয়টি নজরে আসে কর্তৃপক্ষের।

ঠিক কী ভাবে তারা পুরো ঘটনাটি জানতে পারে, তা জানা যায়নি। তবে, এটুকু জানা গিয়েছে, যেভাবে ছবি তোলা হয়েছিল তাতে যে কেউ ওই চাবির নকল বানিয়ে তা দিয়ে যা কিছু করতে পারত। কিন্তু তার আগেই বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হয়।

এর পরই ওই যুবককে বের করে দেওয়া হয় এবং চাবি পালটাতে পদক্ষেপ করে তারা। LADBible-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই চাবি ছিল সংশোধনাগারের মূল চাবি, যা দিয়ে একাধিক তালা খোলা যেত। এই ঘটনার পর সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষ সমস্ত তালা ও চাবি পালটে ফেলে। ওই যুবকের একটি ছবির জন্য প্রায় ৬০০-টিরও বেশি চাবি-তালা পালটাতে হয়। যার খরচা পড়েছে প্রায় ৫০ লক্ষ।

Published by:Rukmini Mazumder
First published:

লেটেস্ট খবর