'অন্তঃসত্ত্বা হয়েও ভাবতাম নিজেকে শেষ করে ফেলি', বিস্ফোরক মেগান মার্কেল

'অন্তঃসত্ত্বা হয়েও ভাবতাম নিজেকে শেষ করে ফেলি', বিস্ফোরক মেগান মার্কেল

ডিউক এবং ডাচেস অব সাসেক্স প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কেল।

রবিবার ওপরা উইনফ্রে-র কাছে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছেন মেগান। শুধু তাই নয়, বাকিংহাম প্যালেসে বর্ণবৈষম্যের অভিযোগও তুলেছেন তিনি।

  • Share this:

    #নিউ ইয়র্ক: ব্রিটেনের রাজপরিবারের সদস্য তিনি, ডাচেস অফ সাসেক্স বলেই পরিচিত লেডি ডায়নার ছোট ছেলের স্ত্রী মেগান মার্কেল। কিন্তু রাজপরিবারে পা রাখার পর থেকেই আত্মহননের কথা ভাবতে শুরু করেছিলেন আমেরিকান-আফ্রিকান অভিনেত্রী মেগান। কিন্তু কেন? রবিবার ওপরা উইনফ্রে-র কাছে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে এমনই বিস্ফোরক দাবি করেছেন মেগান। শুধু তাই নয়, বাকিংহাম প্যালেসে বর্ণবৈষম্যের অভিযোগও তুলেছেন তিনি।

    ২০১৮ সালের ১৯ মে বিয়ে হয়েছিল মেগান-হ্যারির। তার পরের বছরই তাঁদের প্রথম সন্তান আসে রাজপরিবারে। তবে ৬ মে তাঁদের ছেলে আর্চির জন্মের আগে থেকেই তার গায়ের রং নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছিল। মেগানের দাবি, পরিস্থিতি এতটাই খারাপ ছিল যে, ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও বার বার মৃত্যুচিন্তাই ঘুরেফিরে আসত তাঁর মনে। এমনকী রাজকুমার হ্যারি ও তাঁর প্রথম সন্তানের জন্মের আগেই তার গায়ের রং নিয়ে চলত আলোচনা। নিজে যখন মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন, সে সময়ও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়নি ব্রিটেনের রাজপরিবার।

    রবিবার টেলিভিশনে হ্যারি ও মেগানের সাক্ষাৎকারের পরই তা বিশ্বজুড়ে চর্চায় চলে এসেছে। অনেকেই ভেবেছিলেন, রাজকীয় পরিচয় ত্যাগ করে বাকিংহাম প্যালেস থেকে সরে যাওয়ার পর তাঁদের নতুন জীবন নিয়েই কিছু বলবেন দম্পতি। তবে ওপরার কাছে ঘণ্টা দুয়েকের দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে রাজপরিবারের বিরুদ্ধে একের পর এক তির ছুড়েছেন মেগান। তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন স্বামী হ্যারিও।

    ডিউক এবং ডাচেস অব সাসেক্স হিসাবে গত বছরের মার্চেই রাজপরিবার ত্যাগ করে উত্তর আমেরিকায় চলে যান। তার পর থেকে টেলিভিশনের প্রাক্তন অভিনেতা মেগানকে ছক কষে চলা, জেদি এবং বখে যাওয়ার মতো নানা খারাপ তকমা শুনতে হয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের একাংশের কাছে। হ্যারির পাশাপাশি তাঁরও স্বার্থপর তকমা জুটেছে। তবে রবিবারের সাক্ষাৎকারের পর বোধ হয় এবার ঝড় উঠবে অন্য কোনও খানে।

    Published by:Raima Chakraborty
    First published:

    লেটেস্ট খবর