• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিশুর প্রাণ বাঁচালেন বেইরুটের এক মহিলা পরিযায়ী শ্রমিক ! দেখুন ভিডিও

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিশুর প্রাণ বাঁচালেন বেইরুটের এক মহিলা পরিযায়ী শ্রমিক ! দেখুন ভিডিও

photo source twitter

photo source twitter

বিস্ফোরণের আতঙ্কের মাঝখানেই বেইরুটের এক পরিচারিকা জিতে নিয়েছেন সকলের মন। ওই মহিলা একজন পরিযায়ী শ্রমিক।

  • Share this:

    #বেইরুট: লেবাননের রাজধানীতে মঙ্গলবার যে বিস্ফোরণ ঘটেছে, তা এককথায় ভয়াবহ ৷ বিস্ফোরণের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর তা দেখে গোটা দুনিয়াই হকচকিয়ে গিয়েছে ৷ ভিডিওতেই পরিষ্কার যে একটা নয়- পরপর দুটি বিস্ফোরণ ঘটে মঙ্গলবার বেইরুটে ৷ এর কারণ এখনও জানা না গেলেও এইটুকু স্পষ্ট যে বিস্ফোরণ স্থলে অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের মতো প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক বোঝাই ছিল ৷ যা সাধারণত বোমা তৈরির পাশাপাশি সার তৈরিতেও কাজে লাগে ৷ বিস্ফোরণে কেঁপে গিয়েছে গোটা শহরই ৷ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। আহত কয়েক হাজার মানুষ। ভেঙে গিয়েছে প্রচুর ঘর বাড়ির ছাদ, দেওয়াল। প্রায় ৫০ মাইল দূরেও এই বিস্ফোরণের তীব্র আওয়াজে কেঁপে উঠেছে সকলে।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক ভিডিও শেয়ার হচ্ছে যা দেখলে আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে। কুন্ডলী পাকানো ধোঁয়া উঠতে থাকে। তারপরই তীব্র আওয়াজ। ভয়ানক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে স্বপ্ন শহর বেইরুট। রাস্তা ঘাটে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে ভেঙে পড়া দরজা, জানালা, কাঁচ। তবে কি কারণে এই বিস্ফোরণ তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    এই আতঙ্কের মাঝখানেই বেইরুটের এক পরিচারিকা জিতে নিয়েছেন সকলের মন। ওই মহিলা একজন পরিযায়ী শ্রমিক। বেইরুটে কর্মসূত্রেই ছিলেন। সে বাড়িতে ফ্লোর পরিস্কার করার কাজ করছিল। তাঁর সামনেই দাঁড়িয়ে পুতুল নিয়ে খেলছিল একটি বছর চারেকের বাচ্চা। এমন সময় হঠাৎই তীব্র বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে বাড়ি। ওই মহিলা চাইলেই একা ওখান থেকে পালিয়ে যেতে পারতেন। তিনি তা না করে, সব ছেড়ে আগে কোলে তুলে নেন বাচ্চাটিকে। তারপর বাচ্চাটিকে নিয়েই বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার হতেই ভাইরাল হয়। সকলেই প্রশংসা করেছেন ওই মহিলার। ভিডিওটি অবশ্য ধরা পড়ে সিসিটিভি ফুটেজে। নিজের জীবনের পরোয়া না করে বাচ্চাটির প্রাণ বাঁচাতে আগে ছুটে গেলেই ওই পরিচারিকা। প্রসঙ্গত এই বিস্ফোরণে বহু বাড়ির ছাদ পর্যন্ত ভেঙে পড়েছে। আহত কয়েক হাজার মানুষ। ১০০র বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

    Published by:Piya Banerjee
    First published: