টাইম ম্যাগাজিনের প্রথম 'কিড অফ দ্য ইয়ার' ভারতীয় বংশোদ্ভূত গীতাঞ্জলী রাও

১৫ বছর বয়সী গীতাঞ্জলি প্রায় ৫০০০-এর বেশি প্রতিযোগীকে পিছনে ফেলে সেরার সেরা নির্বাচিত হয়েছে ৷

১৫ বছর বয়সী গীতাঞ্জলি প্রায় ৫০০০-এর বেশি প্রতিযোগীকে পিছনে ফেলে সেরার সেরা নির্বাচিত হয়েছে ৷

  • Share this:

    #নিউইয়র্ক: প্রতিবছর টাইম ম্যাগাজিন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তালিকা প্রকাশ করলেও এবারেই প্রথম বর্ষসেরা শিশুদের নিয়ে তালিকা প্রকাশ করল। এ বছর টাইম ম্যাগাজিনে বর্ষসেরা শিশু হিসাবে নির্বাচিত হল ভারতীয়–বংশোদ্ভুত ১৫ বছরের গীতাঞ্জলী রাও। বৃহস্পতিবার ম্যাগাজিনটি তাকে ‘'কিড অফ দ্য ইয়ার' ঘোষণা করে। গীতাঞ্জলী একজন উজ্জ্বল তরুণ বিজ্ঞানী এবং গবেষক। ৫০০০ জনকে পিছনে ফেলে এই স্থানটি অর্জন করেন গীতাঞ্জলী। দূষিত পানীয় জল থেকে শুরু করে অপিওয়েড আসক্তি এবং সাইবার বুলিং সম্পর্কিত সমস্যা সমাধানে প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিস্ময়কর কাজ করেছেন তিনি।

    টাইমস প্রোফাইলের জন্য গীতাঞ্জলী রাওয়ের সঙ্গে জুমে সাক্ষাৎকার নেন হলিউড তারকা অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। জোলি শরণার্থীদের জন্য রাষ্ট্রপুঞ্জের হাইকমিশনারের বিশেষ দূতও। গীতাঞ্জলী কোলোরাডোতে তার বাড়িতে বসে সাক্ষাৎকারে জানিয়েছে, "চিন্তা করুন, গবেষণা করুন, তৈরি করুন এবং সেটির বিষয়ে কথা বলুন।" টাইমসের মতে তিনি বলেছিলেন, "প্রতিটি সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবেন না। বরং, আপনি এমন বিষয়ে মনোযোগ দিন যা আপনাকে অনুপ্রাণিত বা উৎসাহিত করে। আমি যদি এটি করতে পারি তবে যে কেউ এটি করতে পারে।"

    গীতাঞ্জলী বলেছে, তার প্রজন্ম অনেক সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে যা তারা আগে কখনও দেখেনি। তার মতে, “ একই সময়ে, আমরা এখনও পুরোনো সমস্যাগুলির মুখোমুখি হয়েছি। যেমন, আমরা এখানে মহামারীর মাঝে বসে আছি এবং আমরা এখনও মানবাধিকার সম্পর্কিত সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছি।’’

    যখন সে দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণিতে পড়তো, তখন থেকেই গীতাঞ্জলী চিন্তাভাবনা করতে শুরু করেছিল যে কীভাবে সামাজিক পরিবর্তন আনতে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারেন। তিনি আরও বলেছেন যে, তার যখন ১০ বছর বয়স তখন সে কার্বন ন্যানোটিউব সেন্সর টেকনোলজি নিয়ে গবেষণা করতে চেয়েছিল ডেনভর ওয়াটার কোয়ালিটি রিসার্চ ল্যাবে। এছাড়াও ১৫ বছরের কিশোরী জানায় যে দূষিত জলের সমস্যা, মাদকাসক্ত এবং সাইবার বুলিং এর মতো সমস্যাগুলি প্রতিরোধে প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাজ করবে সে। এ সমস্যাগুলি সমাধানে একটা গ্লোবাল ফার্ম তৈরি করবে, যেখানে সারা বিশ্বের তরুণ গবেষকরা সমস্যার সমাধানে কাজ করবে।

    Published by:Ananya Chakraborty
    First published: