Home /News /explained /

Work From Home:মহিলা ও নতুন কর্মীদের ক্ষেত্রে ক্লান্তিকর ভার্চুয়াল মিটিং,'জুম ফ্যাটিগ' নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য সমীক্ষায়

Work From Home:মহিলা ও নতুন কর্মীদের ক্ষেত্রে ক্লান্তিকর ভার্চুয়াল মিটিং,'জুম ফ্যাটিগ' নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য সমীক্ষায়

একটানা অনলাইন মিটিংয়ের ফলে কোম্পানির কর্মীরা মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে।

  • Share this:

#নিউ ইয়র্ক: জার্নাল অফ অ্যাপ্লায়েড সাইকোলজিতে (Journal Of Applied Psychology) প্রকাশ করা হয়েছে একটি নতুন তথ্য। সেখানে বলা হয়েছে ভার্চুয়াল মিটিংয়ের সময় ক্যামেরা অন করে রাখার ফলে কর্মীদের ক্লান্তি এবং অবসাদ বেড়ে চলেছে। এর প্রভাব পড়ছে কর্মীদের পারফরম্যান্সের ওপরে। এই ধরনের সমস্যার নামকরণ করা হয়েছে "জুম ফ্যাটিগ" (Zoom Fatigue)। এর প্রভাব সবথেকে বেশি পড়ছে নতুন কর্মী এবং মহিলাদের ওপরে। করোনা মহামারীর ফলে অনেক ক্ষেত্রেই শুরু হয়েছে ওয়ার্ক ফ্রম হোম (Work From Home)। বিভিন্ন কোম্পানি অনলাইনে কর্মীদের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের মিটিং করছে। এর জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম। এমনই একটি জনপ্রিয় অনলাইন প্ল্যাটফর্ম হল জুম (Zoom)। এই ধরনের একটানা অনলাইন মিটিংয়ের ফলে কোম্পানির কর্মীরা মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে।

আরও পড়ুন:ভারতে ওমিক্রনের থাবা, শিশুদের জন্য কতটা ভয়ের ? কীভাবে মোকাবিলা করবেন? যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

২০২০ সালের অগাস্ট এবং সেপ্টেম্বর মাসে রিসার্চাররা একটি ফিল্ড এক্সপেরিমেন্ট করে। সেটি করা হয় আমেরিকার ১০৩ জন কর্মীর ওপর, যারা হেলথকেয়ার সেক্টরে কাজ করে দেশের নানা প্রান্ত থেকে বাড়িতে বসে। সেই কোম্পানির ক্ষেত্রে ভার্চুয়াল মিটিংয়ের সময় ক্যামেরা অন করে রাখা বাধ্যতামূলক। সেই সকল কর্মীদের নিয়ে ৪ সপ্তাহের একটি স্টাডি পিরিয়ডে তাদের সামনে দুই ধরনের অপশন রাখা হয় ভার্চুয়াল মিটিংয়ের জন্য। একটি হল প্রথম দুই সপ্তাহ সেই কর্মীদের ক্যামেরা অন করে রাখতে হবে সকল ভার্চুয়াল মিটিংয়ের সময় এবং পরের দুই সপ্তাহ সেই কর্মীদের ক্যামেরা বন্ধ করে রাখতে হবে সকল ভার্চুয়াল মিটিংয়ের সময়। দ্বিতীয় অপশনে এই একই পদ্ধতি উল্টো করে করার কথা বলা হয়। ৪ সপ্তাহ পর দেখা যায় যে যে সকল কর্মী প্রথমে ক্যামেরা অন করে ভার্চুয়াল মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করেছিল তাদের পারফরম্যান্স খারাপ হয়ে গিয়েছে।

আরও পড়ুন:নাগাল্যান্ডে হত্যাকাণ্ডের পরেই আফস্পা প্রত্যাহারের দাবি উঠছে; জানুন কী আছে এই আইনে?

রিসার্চের মাধ্যমে লক্ষ্য করা গিয়েছে যে সবসময় ক্যামেরা অন করে ভার্চুয়াল মিটিং করার ফলে, কর্মীদের ওপর তার খারাপ প্রভাব পড়ছে। অনেকেই সেই ভার্চুয়াল মিটিংয়ে ঠিকঠাক রেসপন্স করছে না এবং তার প্রভাব কাজের ক্ষেত্রেও পড়ছে। একটানা ক্যামেরা অন করে ভার্চুয়াল মিটিংয়ের সামনে বসে থাকার ফলে কর্মীরা মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। এর ফলে সহজেই তারা ক্লান্ত হয়ে পড়ছে। ভার্চুয়াল মিটিংয়ের ক্যামেরা অন করে রাখার খারাপ প্রভাব সবথেকে বেশি পড়ছে কোম্পানির নতুন কর্মী এবং মহিলাদের ওপরে। জনপ্রিয় অনলাইন প্ল্যাটফর্মের ব্যবহারের কথা মাথায় রেখে এই ধরনের সমস্যার নামকরণ করা হয়েছে জুম ফ্যাটিগ। করোনা মহামারীর জন্য যে ওয়ার্ক ফ্রম হোমের কালচার শুরু হয়েছে, সেই কালচার জন্ম দিয়েছে নতুন এই সমস্যার!

First published:

Tags: Work From Home

পরবর্তী খবর