মুম্বই বিমানবন্দরে কেন হুইলচেয়ারে কপিল শর্মা, কী হল জনপ্রিয় তারকার?

জনপ্রিয় বলিউড অভিনেতা, কমেডিয়ানকে মুম্বই বিমানবন্দরে হুইলচেয়ারে বসে থাকতে দেখা যায়।

জনপ্রিয় বলিউড অভিনেতা, কমেডিয়ানকে মুম্বই বিমানবন্দরে হুইলচেয়ারে বসে থাকতে দেখা যায়।

  • Share this:

#মুম্বই: মুম্বই বিমানবন্দরে হুইলচেয়ারে চেপে গন্তব্যে যাচ্ছেন কপিল শর্মা (Kapil Sharma)। সেই ছবি দেখে আঁতকে উঠেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা, কমেডিয়ানের ফ্যানরা। আচমকা কী এমন হল কপিলের, যা তাঁকে হুইল চেয়ার চড়তে বাধ্য করেছে, সেই প্রশ্নই সিনেমহলে ঘোরাফেরা করতে শুরু করেছে। সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়েছেন কপিল নিজেই। একই সঙ্গে তিনি নতুন করে এক বিতর্কেও জড়িয়েছেন।

ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এক ভিডিও। যেখানে জনপ্রিয় বলিউড অভিনেতা, কমেডিয়ানকে মুম্বই বিমানবন্দরে হুইলচেয়ারে বসে থাকতে দেখা যায়। তাঁকে ঠেলে ভিতরে নিয়ে যেতে দেখা যায় অভিনেতারই কোনও সহচর কিংবা বিমানবন্দরের কর্মীকে। এই দৃশ্যে আতঙ্কিত হয়েছেন সিনেপ্রেমীরা। তাতে চনমনে কপিল শর্মাকে বেশ গম্ভীর মনে হয়েছে। সাদা মাস্ক দিয়ে মুখ ঢাকা অবস্থায় কালো পোশাক পরিহিত অভিনেতাকে এ রূপে দেখে খুশি হননি কেউ। কেন আচমকা এমন রূপে ধরা দিলেন কৌতূক অভিনেতা, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়ে বি-টাউনে। নিজেই এই ইস্যুতে জল্পনায় দাড়ি টেনেছেন কপিল।

এক ওয়েবসাইটে অভিনেতা জানিয়েছেন যে তাঁকে নিয়ে চিন্তার কোনও কারণ নেই। জিমে গা ঘামাতে গিয়ে তাঁর পিঠে হালকা চোট লেগেছে বলে স্বীকার করেছেন কপিল। হাঁটতে অসুবিধা হচ্ছে বলে তিনি হুইলচেয়ারে চেপেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ডাক্তারের পরামর্শেই তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন কপিল।

যদিও এই সবের মধ্যে ফের বিতর্কে জড়িয়েছেন কপিল। মুম্বই বিমানবন্দরে হুইলচেয়ারে বসে থাকা অভিনেতা তথা কমেডিয়ানের ছবি কাছ থেকে তুলতে গেলে গোল বাঁধে। ভিডিওয় দেখা যায় কপিল শর্মার দেহরক্ষী চিত্রগ্রাহককে হাত দিয়ে দূরে সরানোর চেষ্টা করেন। পাল্টা হিসেবে ওই ফ্যান কিংবা সাংবাদিক জানান যে তিনি দূরত্ব বজায় রেখেই ছবি তুলছেন। তা শুনে আচমকাই মেজাজ হারান কপিল। হুট করে তাঁর মুখ থেকে খারাপ কথাও বেরিয়ে আসে। ঠিক সেই সময় অভিনেতার দেহরক্ষী ওই চিত্রগ্রাহককে ছবি মুছে ফেলার নির্দেশ দিলে তা শোনা হয়নি। এই আচরণের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় তির্যক মন্তব্যের শিকার হতে হয়েছে কপিল শর্মাকে।

Published by:Piya Banerjee
First published: