কেমোথেরাপিতে ন্যাড়া হয়েছে মেয়ে, সব চুল কেটে ফেললেন টলি-অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলার বাবাও

কেমোথেরাপিতে ন্যাড়া হয়েছে মেয়ে, সব চুল কেটে ফেললেন টলি-অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলার বাবাও

কেমোথেরাপি শুরু হওয়ার পর ঐন্দ্রিলাকে তাঁর এক ঢাল লম্বা সুন্দর চুল কেটে ফেলতে হয়েছে । ন্যাড়া হয়ে গিয়েছেন অভিনেত্রী । তাঁর দুঃখটুকু ভাগ করে নিতেই এ বার তাঁর বাবাও সব চুল কেটে ন্যাড়া হয়ে গেলেন ।

কেমোথেরাপি শুরু হওয়ার পর ঐন্দ্রিলাকে তাঁর এক ঢাল লম্বা সুন্দর চুল কেটে ফেলতে হয়েছে । ন্যাড়া হয়ে গিয়েছেন অভিনেত্রী । তাঁর দুঃখটুকু ভাগ করে নিতেই এ বার তাঁর বাবাও সব চুল কেটে ন্যাড়া হয়ে গেলেন ।

  • Share this:

    #কলকাতা: এ দুনিয়ায় ভালবাসার সমান শক্তিশালী আর কিছুই নেই । ভালবেসে ত্যাগ করে দেওযা যায় নিজের সমস্ত ঐশ্বর্য, সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য । ভালবাসার অন্য নাম বোধ হয় পাশে থাকা, বিশ্বাস, ভরসা আর শক্ত করে ধরা হাত । ভালবাসা মানে পিছু হটা নয়, মুখ ফিরিয়ে নেওয়া নয়, বরং কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জীবনের যুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়া ।

    আর তার মধ্যে সবচেয়ে প্রত্যাশাহীন ভালবাসা হল বাবা-মা’র ভালবাসা । তেমন ভালবাসাই প্রত্যক্ষ করলেন টলিউড ধারাবাহিকের জনপ্রিয় মুখ ঐন্দ্রিলা শর্মা । ‘জিয়ন কাঠি’ ধারাবাহিকের অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ক্যান্সারে আক্রান্ত হলেন । তিনি যখন ক্লাস ইলেভেনের ছাত্রী সে সময় তাঁর শিরদাঁড়ায় বাধা বেঁধেছিল এই মারণ রোগ । দীর্ঘ লড়াইয়ের পর সেই রোগ যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন তিনি । কিন্তু ক্যান্সার ফের থাবা বসিয়েছে তাঁর ফুসফুসে । ৭ সেন্টিমিটারের একটি টিউমর তৈরি হয়েছে সেখানে ।

    এ বছর সরস্বতী পুজোর দিন শ্যুটিং ফ্লোরেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিনেত্রী । তাঁকে দিল্লির অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হলে, চিকিৎসকরা জানান তাঁর বাম ফুসফুসে ক্যান্সার ফের থাবা বসিয়েছে । আবারও শুরু হয় নতুন লড়াইয়ের গল্প । তবে কখনওই একা এ যুদ্ধে নামেননি অভিনেত্রী । বাবা-মা, বন্ধুবান্ধব, এবং পরিশেষে প্রেমিক সব্যসাচী চৌধুরি অর্থাৎ পর্দার ‘বামাক্ষ্যাপা’ সবসময় রয়েছেন তাঁর সঙ্গে । তাঁর দেখভাল করা থেকে যত্ন করে খাইয়ে দেওয়া, পাশে থেকে ভালবাসা আর ভরসার হাতটা বাড়িয়ে দেওয়া সবটাই করতে দেখা গিয়েছে সব্যসাচীকে ।

    আর বাবা-মা তো মেয়ের পাশে আছেনই । নিজেদের সবটুকু উজার করে তাঁরা সন্তানের পাশে এসে দাঁড়ান । ব্যতিক্রম ঘটল না ঐন্দ্রিলার ক্ষেত্রেও । বাবারা অনেক সময় নিজেদের মুখে কিছু বলতে পারেন না । তাই কাজের মাধ্যমে সেটা করে দেখান । কেমোথেরাপি শুরু হওয়ার পর ঐন্দ্রিলাকে তাঁর এক ঢাল লম্বা সুন্দর চুল কেটে ফেলতে হয়েছে । ন্যাড়া হয়ে গিয়েছেন অভিনেত্রী । তাঁর দুঃখটুকু ভাগ করে নিতেই এ বার তাঁর বাবাও সব চুল কেটে ন্যাড়া হয়ে গেলেন । অনেক সময় মুখের কথার দরকার পড়ে না । শুধু ছোট্ট একটা কাজই বুঝিয়ে দেয় ভালবাসা কতটা গভীর ।

    Published by:Simli Raha
    First published:

    লেটেস্ট খবর