• Home
  • »
  • News
  • »
  • entertainment
  • »
  • TOLLYWOOD MOVIES NEEL BHATTACHARIYA AKA NIKIL AND GUNGUN AKA TRINA SAHA CELEBRATES THEIR FIRST JAMAI SASTHI AFTER MARRIAGE PBD

Exclusive Neel-Trina Jamai Sasthi: আদরের জামাই জিতুর জন্য বিশেষ রান্না তৃণার মায়ের, শ্যুটিংর ফলে রাতেই জামাইষষ্ঠীর আয়োজন

শাশুড়ির সঙ্গে নীল৷ (ছবি তৃণা সাহা-ইনস্টাগ্রাম)

কেমন কাটবে নীল-তৃণার (Neel Bhattachariya- Trina Saha) প্রথম জামাইষষ্ঠী৷ সকাল সকাল নিখিল ওরফে নীল ও গুনগুন ওরফে তৃণা পৌঁছে গিয়েছেন শ্যুটিং সেটে৷

  • Share this:

    এবার তাঁদের প্রথম জামাইষষ্ঠী৷ বিয়ের মতো ধুমধাম করে করার প্ল্যান ছিল৷ তবে কাজ শুরু হয়েছে৷ বিধিনিষেধ কাটিয়ে ফের শ্যুটিং শুরু হচ্ছে৷ ফলে এই সময় ছুটি নেওয়াও সম্ভব নয়৷ তাই আগাম জামাইষষ্ঠী পালন করে নীল-তৃণা (Neel-Trina Jamai Sasthi) ব্যস্ত নিজের নিজের শ্যুটিং-এ৷ তবুও এই দিনটা তো স্পেশ্যাল৷ তাই জামাইয়ের জন্য এদিন কিছু বিশেষ ব্যবস্থা করছেন তৃণার (Trina Saha) (Neel Bhattachariya) মা সবিতা সাহা৷ তৃণা ও তাঁর মায়ের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল জামাইষষ্ঠীর দিনের প্ল্যান৷ তবে এদিন খাওয়াদাওয়া হবে রাতের বেলায়৷ আর জামাইয়ের (TRINEEL) পাশাপাশি মেয়ের পছন্দের রান্নাও করবেন সবিতাদেবী৷ বাড়িতে আয়োজনে ব্যস্ত সবিতাদেবী এবং শ্যুটিং-এর পথে তৃণার সঙ্গে কথায় উঠে এল সব কথা৷ News18 বাংলার সঙ্গে ভাগ করে নিলেন জামাইষষ্ঠীর প্ল্যান৷

    প্রশ্ন-আগাম জামাইষষ্ঠী তো হয়েছে? আজকের দিনের কিছু স্পেশ্যাল প্ল্যান?

    তৃণা- রাতের বেলায় হবে৷ আমি আর নীল একসঙ্গে যব শ্যুটিং সেরে৷ রাতে খাওয়ার ব্যবস্থা করেছে মা৷ মা সব রান্না করবে৷ তবে মিষ্টি, যেগুলো নীল খেতে ভালবাসে যেমন রাবড়ি, গুলাবজামুন, ওগুলো আনানো হবে৷

    তৃণার মা (সবিতা সাহা)- দুপুরবেলা তো ওদের শ্যুটিং৷ তাই আসতে পারবে না৷ আসলে জামাইষষ্ঠীর ব্যাপারটা দুপুরে হলেই ভাল লাগত৷ মনটা তাই একটু খারাপ৷ কিন্তু কী করা যাবে৷ রাতের জন্যই সব আয়োজন করেছি৷ জিতু (নীলকে এই নামেই ডাকেন তিনি) মটন খেতে খুব ভালবাসে৷ তাই ওটা হবে৷ সঙ্গে পাতুরি৷ মেয়ের জন্য ধোকার ডালনা করব৷ তৃণা খুব ভালবাসে৷ আমি সব তৈরি করে রেখেছি৷ এলেই গরম গরম করে দেব৷ ইচ্ছে ছিল একটু বড় করেই জামাইষষ্ঠীর আয়োজন করব৷ কিন্তু এই সময় সেটা সম্ভব হচ্ছে না৷ মনটা খারাপ লাগছে৷ যাক ওরা ভাল থাকলেই আমারা ভাল থাকব৷

    প্রশ্ন- কী নামে নীল ডাকে আপনাকে?

    তৃণার মা (সবিতা সাহা)- (একটু হেসে) আমায় আন্টি বলে আবার শাশুড়ি মা-ও বলে৷ আসলে প্রথম থেকে আন্টি বলে এসেছে তো৷ এতে আমি কিছু মনে করি না৷ নামে কী যায় আসে৷ ও ভীষণ ভাল ছেলে এবং জিতুর বাবা-মাও খুব ভাল৷ আমার মেয়ের খুব খেয়াল রাখে৷ আমিও অনেকটা নিশ্চিন্ত৷

    প্রশ্ন-নীল তো তোমার (তৃণা) হাতের রান্না খেতেও বেশ ভালবাসে? কী ডিশ রান্না কর নীলের জন্য?

    তৃণা- কিছু প্ল্যান করে করি না৷ খুব সাধারণ, ঘরোয়া রান্না করি৷ আজই তো ব্রেকফাস্ট বানিয়েছি৷ কার্যত লকডাউনে কখনও লাঞ্চ বা কখনও ডিনার বানাতাম৷ তবে বাড়িতে থেকে অনেকসময় খাওয়া বেশি হয়ে যায়৷ তাই চেষ্টা করি হাল্কা রান্না করতে৷ যেমন চিকেন স্টু, গ্রিল ফিশ, চিকেন সতে৷ সপ্তাহে একদিন অনন্ত এমন রান্না করি৷ এছাড়া নীল যেগুলো খেতে ভালবাসে যেমন পোলাও, ফ্রায়েড রাইস সেটাও করি৷ একটা মিষ্টির পদ নীলের খুব পছন্দ, নাটরেলা টার্ট, সেটাও বানাই৷

    প্রশ্ন-বিয়ের পর এই বছরটা কতটা আলদা? প্রথম জামাইষষ্ঠী, প্রমথ পুজো...

    তৃণা-দেখো আলাদা তো বটেই৷ এই শব্দ গুলোই তো বেশ মজার এবং আবেগ জড়িয়ে আছে৷ নীলকে আমি অনেক বছর ধরেই চিনি৷ কিন্তু একসঙ্গে এই অনুষ্ঠানগুলো সেলিব্রেট করার মধ্যে খুবই আনন্দ রয়েছে৷ আর জামাইষষ্ঠী তো বিশেষ বটেই....

    প্রশ্ন-শ্যুটিং তো শুরু হয়ে গিয়েছে? আবার কাজে ব্যস্ত৷ একসঙ্গে বাড়িতে থাকলে কিছু সময় কাটানো যায়৷

    তৃণা- খুব ভাল সময় কেটেছে৷ একসঙ্গে এতটা সময় আগে কখনও কাটাইনি৷ একসঙ্গে বেড়াতে গিয়েছি৷ কিন্তু বেড়াতে যাওয়া আর একসঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর সংসার তো একেবারেই আলাদা৷ আমি আর নীল জীবনে অনেকগুলি ধাপের মধ্যে দিয়ে গিয়েছি৷ একসময় ভাল বন্ধু, তারপর প্রেম, তারপর বিচ্ছেদ এখন স্বামী-স্ত্রী৷ তাই অনেক রকম অভিজ্ঞতা রয়েছে আমাদের৷ এটাও একটা নতুন সময় নতুন সম্পর্ককে চিনে নেওয়ার৷

    প্রশ্ন-কাজের জন্য অনেকটা সময় বাড়ির বাইরে থাকার পর কীভাবে নিজের সময় বার কর?

    তৃণা- খুব চেষ্টা করি কাজ শেষ করে একসঙ্গে রাতে ডিনার করার৷ খেতে বসে অনেক কথা, গল্প হয়৷ এছাড়াও কাজের মাঝে সময় পেলে দেখা করি৷

    প্রশ্ন-জামাইষষ্ঠী তো হল৷ বৌমা ষষ্ঠীর এক কনসেপ্ট তো রয়েছে৷ সেটা নিয়ে কিছু প্ল্যান?

    তৃণা- (হেসে) না, আমি এমন সব কনসেপ্টে বিশ্বাস করি না৷ বৌমা ষষ্ঠী তো রোজ হয়৷ আর আমার শ্বশুর-শাশুড়ি আমার সবসময় খুব যত্ন নেন৷ তাই আলাদা করে প্রয়োজন নেই৷

    প্রশ্ন-এই শহরটা কতটা বদলেছে তোমার জন্য? কারণ এই শহরে বড় ওঠা৷ তারপর এখন জনপ্রিয় মুখ৷ রাস্তায় বেরলেই তো ভিড় জমে যায়৷

    তৃণা- এখন মাস্ক পরলে, সবাই অতটা চিনতে পারে না, একটু এড়িয়ে যেতে পারি....তবে গত ২ বছর শহর অনকেটা বদলেছে৷ এখন শহর অনেকটা সবুজ৷ কাজ ছাড়া মানুষ খুব বেশি বাইরে আসেন না৷ ফলে রাস্তায় গাড়ি কমেছে৷ এটা ঠিক বহু মানুষের খুব ক্ষতি হয়েছে৷ আমি বলব যে এবার প্রকৃতি প্রতিশোধ নিচ্ছে৷ তাই কোন কিছু করার আগে এই দেড়-দু’বছরের কথা মনে রেখে পদক্ষেপ নিতে হবে৷

    প্রশ্ন-গুনগুনের সঙ্গে তৃণার মিল রয়েছে কী?

    তৃণা- গুনগুনের যে বয়স, সেটা আমি কাটিয়ে ফেলেছি৷ তবে হ্যাঁ, সব মেয়ের মধ্যই যেন একটা গুনগুন রয়েছে৷ মেয়েরা একটু অভিমানী হয়, জেদিও হয়৷ তাই অনেকে গুনগুনের সঙ্গে নিজেদের মিল খুঁজে পাবেন৷ তাই তো গুনগুন এত জনপ্রিয়৷ আমিও কিছুটা মিল পাই৷

    প্রশ্ন-সব শেষে তোমার ধারাবাহিকের কথায় আসি৷ সৌজন্য আর গুনগুন কবে নিজের প্রেমটা স্বীকার করবে?

    তৃণা- (খুব হেসে) সেটা তো একমাত্র লীনাদি বলতে পারবেন৷

    Published by:Pooja Basu
    First published: