corona virus btn
corona virus btn
Loading

প্রয়াত নাট্যব্যক্তিত্ব ঊষা গঙ্গোপাধ্যায়

প্রয়াত নাট্যব্যক্তিত্ব ঊষা গঙ্গোপাধ্যায়

প্রয়াত বিশিষ্ট নাট্যবক্তিত্ব ঊষা গঙ্গোপাধ্যায় ৷ দক্ষিণ কলকাতায় তাঁর নিজের বাড়িতেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন উষা গঙ্গোপাধ্যায় ৷

  • Share this:

#কলকাতা: প্রয়াত বিশিষ্ট নাট্যবক্তিত্ব প্রয়াত নাট্যব্যক্তিত্ব ঊষা গঙ্গোপাধ্যায় ৷ দক্ষিণ কলকাতায় তাঁর নিজের বাড়িতেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন ঊষা গঙ্গোপাধ্যায় ৷ বয়স হয়েছিল ৭৫ ৷ জানা গিয়েছে, কয়েক সপ্তাহ আগে তাঁর ভাই মারা যান৷ তারপর থেকেই মানসিক চাপে ভুগছিলেন তিনি ৷ চিকিৎসকের কথায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয় তাঁর ৷

১৯৪৫ সালে জন্ম হয় ঊষা গঙ্গোপাধ্যায়ের ৷ ছোটবেলা কাটে রাজস্থানে ৷ তারপর কলকাতায় আসা ৷ ছোটবেলা থেকেই নাচ-গান ও নাটকের প্রতি আলাদা টান ছিল তাঁর৷ ভারতনাট্যমে পারদর্শী ছিলেন ৷ হিন্দি সাহিত্য নিয়ে তাঁর অগাধ পড়াশুনো ছিল ৷ মাস্টার ডিগ্রিও সম্পন্ন করেন হিন্দি সাহিত্যে ৷ পরে ভবানীপুর এডুকেশন সোসাইটি কলেজে শিক্ষকতা করেন  ৷

শিক্ষকতা করতে করতেই ১৯৭৬ সালে রঙ্গকর্মী হিসেবে একটি থিয়েটার দল তৈরি করেন ঊষা গঙ্গোপাধ্যায় ৷ কলকাতায় হিন্দি নাটকের ক্ষেত্রে নতুন এক ধারা তৈরি করে ঊষা গঙ্গোপাধ্যায় ৷ রঙ্গকর্মী গ্রুপ থিয়েটারের মহাভোজ, রুদালি, কোর্ট মার্শাল এবং অন্তর্যাত্রার মতো নাটকগুলো প্রশংসা কুড়িয়েছিল ৷ তাঁর অভিনীত ভূমিজা, যশমা ওড়ন,যযাতি,আধে আধুরে, মুদ্রারাক্ষস,আন্ধের নগরী,বেচারা ভগবান,প্রস্তাব,পরিচয়,গুড়িয়া ঘর নাট্য প্রেমীদের কাছে খুবই জনপ্রিয় ৷

১৯৮১-৮২ সালে তিনি পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার, পর পর তিনবার পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ নাট্য আকাদেমির শ্রেষ্ঠ পরিচালকের পুরস্কার। এছাড়া নাট্যক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৯৮ সালে পেয়েছেন উত্তরপ্রদেশ সংগীত নাটক আকাদেমির সফদার হাসমি পুরস্কার ও দিল্লির সংগীত নাটক আকাদেমি পুরস্কার। প্রভা খৈতান পুরস্কার পেয়েছেন ২০০৩ সালে এবং ভারতীয় ভাষা পরিষদের গরিমা সম্মান পেয়েছেন ২০০৪ সালে।  ২০০৮ সালে শিক্ষকতা থেকে অবসর নেন তিনি ৷ নাট্যকর্মীর পাশাপাশি সমাজকর্মী হিসেবেও জনপ্রিয় ছিলেন তিনি ৷ তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নাট্য জগতে ৷

Published by: Akash Misra
First published: April 23, 2020, 12:50 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर