দূর থেকে মহা বশীকরণ, ছুটে আসবে 'প্রম' ! ভাঙা প্রেম, জোড়া লাগানোর উপায় বললেন সৃজিত

photo source Instagram

এই কঠিন সময়েও মানুষের মন ভালো করতে জানেন পরিচালক।

  • Share this:

    #কলকাতা: করোনাকালে তো অনেক কিছুই হয়েছে। অসুস্থ হওয়া, মৃত্যুর খবরে মন ভেঙে যাওয়া। বেডের অভাব, অক্সিজেন নেই। প্রতিনিয়ত একটা ভয় জীবন নিয়ে। তার মধ্যেও তো আবার অবসাদ আছেই। এই সময়ে কিন্তু অনেক মানুষের মন ভেঙে গিয়েছে। তবে করোনা সংক্রমণের জন্য নয়। প্রেম ভেঙেছে অনেকের। করোনার জন্য বহুদিন বাড়ি থেকে বের হওয়া নেই। দেখা করার সুযোগ নেই। সে যে ধরণের প্রেমই হোক না কেন, পুরো এক বালতি জল। তবে প্রেম ভেঙেছে বলে কান্নার দিন শেষ। কারণ বশীকরণ করার উপায় বলে দিলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়। পরিচালককে গোটা করোনাকালে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে মানুষের জন্য পোস্ট করতে দেখা গিয়েছে। সেফ হোম, থেক অক্সিজেন সব কিছুতেই এগিয়ে এসেছেন সৃজিত। কোথায় কোন বেড খালি আছে। কোথায় কোন রোগীর অক্সিজেন দরকার সব কিছু করেছেন তিনি। না গায়ে কোনও রাজনৈতিক তকমা ছাড়াই এই কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

    তবে এই কঠিন সময়েও মানুষের মন ভালো করতে জানেন পরিচালক। হাসিরও দরকার আছে এই বদ্ধ জীবনে। না, হলে বাঁচার শক্তিই তো থাকবে না। সৃজিত তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে একটি ছবি শেয়ার করেছেন। বশীকরণের ছবি। সেখানে লেখা আছে, " বহু দূর থেকে মহা বশীকরণ। আপনার প্রমে (প্রেম বানান ভুলে প্রমে হয়েছে।) ছটফট করে ছুটে আসতে বাধ্য হবে।" নিজের ছবি দিয়ে সেই তান্ত্রিক আবার বলেছেন উপকার পেয়েছেন ১ লাখের বেশি মানুষ। বোঝো কাণ্ড! এই ছবি সৃজিত পোস্ট করে লিখলেন, "merica's most wanted for Prom night blues" ব্যস আর যাবে কোথায় , মুহূর্তে ভাইরাল ছবি।

    ছবির নীচে টলিউড থেকে বলিউড সেলেবরা কমেন্ট করা শুরু করেছেন। অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় লিখেছেন, " হা হা হা, আমি করতে চাই।" ওদিকে দর্শণা বণিক স্মাইলি দিয়েছেন। অভিনেত্রী বিদিতা বাগ লিখেছেন, "আমি এর সাথে যোগাযোগ করবো। ধন্যবাদ কন্ট্যাক্ট নম্বর দেওয়ার জন্য। আবার কেউ লিখেছেন," এর উল্টো কিছু নেই ? প্রেম থেকে মুক্তি ?" এই পোস্ট দেখা মাত্রই হাসির রোল উঠেছে। সত্যি অবাক পৃথিবী। এক দিকে মানুষ মরে যাচ্ছে আর কিছু লোক নাকি এখনও প্রেম ভাঙার বশীকরণ করছে? এতো মজার কথাই বটে। তবে সৃজিত জানেন হাস্যরসের ব্যবহার কখন কোথায় করতে হয়। এমন মজার পোস্ট তাঁর ওয়ালে মাঝে মধ্যেই দেখা যায়।

    Published by:Piya Banerjee
    First published: