Sonu Sood: অক্সিজেন কনসেনট্রেটর ব্যবহারের সময়ে কী মাথায় রাখতে হয়? টিপস দিচ্ছেন সোনু সুদ

Sonu Sood: অক্সিজেন কনসেনট্রেটর ব্যবহারের সময়ে কী মাথায় রাখতে হয়? টিপস দিচ্ছেন সোনু সুদ

অক্সিজেন কনসেনট্রেটর ব্যবহারের সময়ে কী মাথায় রাখতে হয়? টিপস দিচ্ছন সোনু সুদ!

অক্সিজেনের প্রবল অভাবের মধ্যে অক্সিজেন ব্যবহার নিয়েও ধোঁয়াশা তৈরি হচ্ছে অনেকের মধ্যে

  • Share this:

    #মুম্বই: করোনা অতিমারীর সময়ে বিশেষ করে সোনু সুদ (Sonu Sood) এক বহুল পরিচিত নাম। অতিমারীর প্রথম স্তরে দেশের মানুষ তাঁর সাহায্য ভোলেনি। পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগের গল্প আজ প্রতিটি রাজ্যের ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছে। বছর ঘুরেছে। অতিমারী প্রথম ধাপ পেরিয়ে দ্বিতীয় ধাপে ঢুকেছে। সারা দেশ জুড়ে শুরু হয়েছে শ্বাসবায়ুর সমস্যা। দুর্মূল্য হাসপাতালের বেড। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। ইতিমধ্যে ফের একবার আসরে নামলেন সোনু। শোনা যাচ্ছে, বিভিন্ন পরিবারের জন্য খাদ্যের সংস্থান করছেন তিনি। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সমাধানও দিয়েছেন তিনি। অক্সিজেনের প্রবল অভাবের মধ্যে, অক্সিজেন ব্যবহার নিয়েও ধোঁয়াশা তৈরি হচ্ছে অনেকের মধ্যে। এবার তাদের উদ্দেশ্যেই প্রয়োজনীয় সমাধান দিলেন সোনু।

    নিজের Twitter হ্যাণ্ডেল একটি ট্যুইট করেন সোনু। সেখানেই তিনি জানান অক্সিজেন ব্যবহার করতে গেলে কী কী কাজ করা প্রয়োজন। ট্যুইটে সোনু লেখেন, "অক্সিজেন কনসেনট্রেটর ব্যবহারের সময়ে প্রয়োজন ঘরের জানলা-দরজা খোলা রাখা। পাশাপাশি ঘরের এয়ার কণ্ডিশন মেশিনগুলো বন্ধ রাখাও দরকার।" উপদেশ দেওয়ার পাশপাশি তিনি যে সব সময়ে সকলের পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত, তাও লিখতে ভোলেননি সোনু।

    https://twitter.com/SonuSood/status/1388792015886766082?s=20

    সোনুর ট্যুইট কার্যত মানুষের জিজ্ঞাস্যে ভরে যায়। বিভিন্ন মানুষ তাঁকে হাসপাতালের বেড এবং অক্সিজেনের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন৷ কোথায় কী ভাবে অক্সিজেন পাওয়া যেতে পারে, তা নিয়েও সোনুর কাছে একাধিক প্রশ্ন ভেসে আসে। সোনু নিজে দ্বিতীয় তরঙ্গের সময়ে অক্সিজেন সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করছেন। বিভিন্ন জায়গায় সিলিন্ডার জোগাড় করার দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। Twitter-এ তা নিয়েও লিখতে ভোলেননি সোনু। তিনি বলেন, "যে সময়ে মানুষ হাসপাতালে একটা বেডের জন্য ছটফট করছে, সেই সময়ে আমাদের ঘুমানো উচিত নয়।" এর পাশাপাশি তিনি এও বলেন এই সময় মানুষকে তার প্রাণদায়ী শ্বাসবায়ু পৌঁছে দেওয়া ও প্রয়োজনীয় বেডের ব্যবস্থা করা, ১০০ কোটি টাকার ছবিতে কাজ করার চেয়ে কোনও অংশে কম নয়।

    প্রসঙ্গত, তিনি নিজেও আক্রান্ত হয়েছিলেন করোনায়। এপ্রিল মাসের ১৭ তারিখ তিনি করোনা পজিটিভ হন। আক্রান্ত হয়েছিল তাঁর পরিবারও। নিজেকে কোয়ারেন্টাইনে রেখেছিলেন সোনু। তবে এপ্রিলের ২৩ তারিখই তার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। ট্যুইট করে সে কথা জানাতেও ভোলেননি সোনু।

    Published by:Rukmini Mazumder
    First published:

    লেটেস্ট খবর